সংবাদদাতা, নকশালবাড়ি: নকশালবাড়ির অদূরে বেলগাছি চা বাগানে অর্ধসমাপ্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ভবন। বাধ্য হয়ে স্থানীয় হাইস্কুলের একটি ঘরে পরিষেবা দেওয়া হচ্ছে।
Advertisement
নকশালবাড়ি ব্লকের মণিরাম গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত বেলগাছি চা বাগানে উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের নির্মাণ কাজ বছর দেড়ক ধরে বন্ধ রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ভবন চালু না হওয়ায় বাগান চত্বরের একটি স্কুলের ছোট ঘরেই চলছে অস্থায়ীভাবে কাজ। এখানে চিকিৎসা পরিষেবা নিতে এসে সমস্যায় পড়ছেন প্রসূতি থেকে শুরু করে সাধারণ রোগীরা। সপ্তাহে দুই থেকে তিন দিন কেন্দ্রে স্বাস্থ্যকর্মীরা আসেন। সপ্তাহে আর বাকি দিন তাঁদের দেখা পাওয়া যায় না। যেদিন তাঁরা আসেন সেদিন ওষুধপত্র নিয়ে আসেন। এমন পরিস্থিতিতে এই অস্থায়ী কেন্দ্রের বাইরে ঘণ্টার পর ঘণ্টা নবজাতককে নিয়ে অপেক্ষা করতে হয় প্রসূতিদের। স্কুলে পানীয় জলের ব্যবস্থা নেই, নেই কোনও শৌচাগার।
চা বাগানের বাসিন্দা অনিতা বারাইক বলেন, উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র না থাকায় চিকিৎসা পরিষেবা নিতে নকশালবাড়ি যেতে হয় আমাদের। এখন থেকে নকশালবাড়ি গ্রামীণ হাসপাতালের দূরত্ব প্রায় ১০ কিমি। সবসময় গাড়ি পাওয়া যায় না। বছর দেড়েক আগে উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের শিলান্যাস করা হয়েছিল। ভেবেছিলাম সমস্যা মিটবে। এখন একটি ঘরে অস্থায়ীভাবে কেন্দ্রটি চলছে।
নকশালবাড়ির বিএমওএইচ ডাঃ কুন্তল ঘোষ বলেন, অর্থের অভাবে কাজটি বন্ধ রয়েছে। উপর মহলে জানানো আছে। তবে বেলগাছি চা বাগানে আমরা পরিষেবা বন্ধ রাখিনি। বেলগাছি হাইস্কুলের একটি রুমে অস্থায়ীভাবে স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি চালিয়ে যাচ্ছি।
চা বাগানের বাসিন্দা অনিতা বারাইক বলেন, উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র না থাকায় চিকিৎসা পরিষেবা নিতে নকশালবাড়ি যেতে হয় আমাদের। এখন থেকে নকশালবাড়ি গ্রামীণ হাসপাতালের দূরত্ব প্রায় ১০ কিমি। সবসময় গাড়ি পাওয়া যায় না। বছর দেড়েক আগে উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের শিলান্যাস করা হয়েছিল। ভেবেছিলাম সমস্যা মিটবে। এখন একটি ঘরে অস্থায়ীভাবে কেন্দ্রটি চলছে।
নকশালবাড়ির বিএমওএইচ ডাঃ কুন্তল ঘোষ বলেন, অর্থের অভাবে কাজটি বন্ধ রয়েছে। উপর মহলে জানানো আছে। তবে বেলগাছি চা বাগানে আমরা পরিষেবা বন্ধ রাখিনি। বেলগাছি হাইস্কুলের একটি রুমে অস্থায়ীভাবে স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি চালিয়ে যাচ্ছি।



