সংবাদদাতা, বেলদা: বেলদাতে সেন্ট্রাল বাসস্ট্যান্ড তৈরির জন্য সম্প্রসারণ করা হবে রাস্তা। পাশাপাশি ঠাকুরচক ও খাকুড়দাতে তৈরি হবে নতুন বাস-বে। যার জন্য রাস্তার দু’পাশে ভাঙা পড়বে একাধিক দোকান। গত শুক্রবার ত্রিপাক্ষিক বৈঠকের পর রবিবার ব্যবসায়ী, বিডিও ও বিধায়ককে সঙ্গে নিয়ে সার্ভের কাজ সম্পন্ন করে পূর্তদপ্তর। সোমবার মাইকিং করে নোটিস দেওয়ার কাজ শুরু করেছে প্রশাসন। ১৫ দিন পর থেকে দোকান ঘরগুলি ভাঙার কাজ শুরু হবে। বিকল্প কর্মসংস্থানের জন্য স্থানীয় বিধায়ক সূর্যকান্ত অট্টের কাছে পুনর্বাসন দেওয়ার আবেদন করেছেন ব্যবসায়ীরা।
Advertisement
জনবহুল বেলদাতে নিত্যদিন যানজটের সৃষ্টি হয়। যানজট নিরসনে বেলদা স্টেশন সংলগ্ন এলাকাতে দক্ষিণবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ সংস্থার বাস টার্মিনাস সহ একটি সেন্ট্রাল বাসস্ট্যান্ড তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়। পুজোর আগে মাপজোকও করেছিল পূর্তদপ্তর। কিন্তু তা নিয়ে তৈরি হয় জটিলতা। যে পরিমাণ জায়গা রাস্তা সম্প্রসারণের জন্য নেওয়া হচ্ছে তাতে অধিকাংশ দোকানঘর ভাঙা পড়বে, ক্ষতিগ্রস্ত হবেন ব্যবসায়ীরা। আর তা নিয়ে স্থানীয় বিধায়কের কাছে বিষয়টি ভেবে দেখার অনুরোধ জানান ব্যবসায়ীরা। এরপর শুক্রবার বিষয়টি নিয়ে নারায়ণগড় বিডিও অফিসে একটি বৈঠক করা হয়। বৈঠকে প্রশাসনের সমস্ত দপ্তরের আধিকারিকদের পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের প্রতিনিধি, পূর্তদপ্তর ও স্থানীয় বিধায়ক সূর্যকান্ত অট্ট উপস্থিত ছিলেন। সেই বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রবিবার সকালে ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের আধিকারিকদের সাথে নিয়ে ‘ফাইনাল মার্কিং’ করে পূর্তদপ্তর। উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগড়ের বিডিও কৌশিক প্রামাণিক, বিধায়ক সহ স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রতিনিধি ও অন্যান্য আধিকারিকরা। এদিন বিধায়ক কার্যালয় থেকে গান্ধী পার্ক পর্যন্ত কতটা জায়গা অধিগ্রহণ হবে তা মাপজোক করে মার্কিং করা হয়।
পূর্তদপ্তরের আধিকারিক শিবু বিশ্বাস বলেন, সোমবার তিনটি জায়গাতে নোটিস দেওয়া হয়েছে। আগামী ১৭ ডিসেম্বরের মধ্যে নিজেরা সরে না গেলে আইন মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিধায়ক বলেন, বেলদার দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যা দূর করতে এই রাস্তার সম্প্রসারণ করা প্রয়োজন। সেন্ট্রাল বাসস্ট্যান্ডে বাস ঢোকা ও বেরোনোর জন্য পর্যাপ্ত রাস্তার প্রয়োজন রয়েছে। তবে আমাদের সরকার উচ্ছেদের পক্ষে নয়। যে সমস্ত ব্যবসায়ীরা সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হবেন তাদের পুনর্বাসনের বিষয়ে ভাবনা-চিন্তা করা হবে।
পূর্তদপ্তরের আধিকারিক শিবু বিশ্বাস বলেন, সোমবার তিনটি জায়গাতে নোটিস দেওয়া হয়েছে। আগামী ১৭ ডিসেম্বরের মধ্যে নিজেরা সরে না গেলে আইন মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিধায়ক বলেন, বেলদার দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যা দূর করতে এই রাস্তার সম্প্রসারণ করা প্রয়োজন। সেন্ট্রাল বাসস্ট্যান্ডে বাস ঢোকা ও বেরোনোর জন্য পর্যাপ্ত রাস্তার প্রয়োজন রয়েছে। তবে আমাদের সরকার উচ্ছেদের পক্ষে নয়। যে সমস্ত ব্যবসায়ীরা সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হবেন তাদের পুনর্বাসনের বিষয়ে ভাবনা-চিন্তা করা হবে।



