সংবাদদাতা, কান্দি: প্রতিবেশী বাংলাদেশ অশান্ত হওয়ার পর থেকেই পেমেন্ট মিলছে না। ফলে কান্দি মহকুমা এলাকার হেয়ার মার্চেন্টরা বাংলাদেশি মহাজনদের সঙ্গে কারবার বন্ধ করছেন। এর ফলে এলাকার কয়েক হাজার পরিবার সমস্যার মুখে পড়েছে। যদিও হেয়ার এজেন্টদের এখন নতুন কারবারের ঠিকানা মায়ানমার। সেখানকার ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কারবার লাভজনক বলেও দাবি করছেন কান্দির ব্যবসায়ীরা।
Advertisement
প্রসঙ্গত, কান্দি মহকুমা এলাকার কয়েক হাজার পরিবার চুলের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। প্রায় ২০ বছর আগে থেকেই এলাকার পাঁচটি ব্লকের বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দারা এই ব্যবসায় নেমেছেন। পরিবারের পুরুষরা দেশের বিভিন্ন এলাকায় ফেরি করে চুল আমদানি করে কান্দির হেয়ার মার্চেন্টদের কাছে বিক্রি করেন। এভাবেই বেশ ছন্দে ব্যবসা চলছিল দেড় দশক ধরে। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ অশান্ত হওয়ার পর থেকে চুলের ব্যবসায় ভাটা পড়েছে বলে ব্যবসায়ীদের দাবি।
সালারের হেয়ার মার্চেন্ট ইশাবুল হক বলেন, বাংলাদেশের মহাজনদের সঙ্গে ভালোই কারবার চলছিল আমাদের। কিন্তু দেশটি অশান্ত হওয়ার পর থেকেই বাংলাদেশের কেউ এখান চুল নিচ্ছেন না। লক্ষ লক্ষ টাকার পেমেন্টও আটকে দিয়েছেন বাংলাদেশের মহাজনরা। এতে চরম সমস্যা দেখা দিয়েছে। ভরতপুরের হেয়ার মার্চেন্ট সৈয়দ আব্দুল আজিম বলেন, এই এলাকার অন্তত ৩২ জনের পেমেন্ট আটকে রয়েছে বাংলাদেশের মহাজনদের কাছে। পেমেন্ট না পাওয়ার কারণে আমরাও স্থানীয় ফেরিওয়ালাদের টাকা দিতে পারছি না। ফলে এলাকার হাজার হাজার পরিবার সমস্যায় পড়েছেন।
আঙারপুরের ফেরিওয়ালা সামসের শেখ বলেন, প্রায় তিনমাস হল এখানকার হেয়ার মার্চেন্ট টাকা দিতে পারছেন না। বলছেন বাংলাদেশের পেমেন্ট আটকে রয়েছে। তবে বিশ্বাস আছে টাকা পাব। টাকা পাওয়ার পরেই ফের চুলের ফেরি শুরু করব।
এদিকে হেয়ার মার্চেন্টরা এখন বাংলাদেশের বদলে মায়ানমারের মহাজনদের সঙ্গে কারবার শুরু করেছেন। কান্দির হেয়ার মার্চেন্টদের সূত্রে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশের সঙ্গে কারবার বন্ধ হওয়ার সুযোগকে কাজে লাগিয়েছে মায়ানমারের মহাজনরা। প্রতিমাসে সেখানকার মহাজনরা এলাকায় এসে মার্চেন্টদের সঙ্গে দেখা করে ব্যবসা পাকা করছেন। এমনকী মাসখানেক হল এই এলাকা থেকে মায়ানমারে জলপথে চুলের গুটি রপ্তানিও করা হয়েছে।
বিনোদিয়া গ্রামের হেয়ার মার্চেন্ট ওসমান শেখ বলেন, মায়ানমারের মহাজনদের কারবার বেশ ভালোই। কিলোগ্রাম প্রতি দরও কিছুটা বেশি পাওয়া যাচ্ছে। পেমেন্টও ভাল। তবে ওঁরা ডলারে পেমেন্ট দিয়ে থাকেন। ব্যাঙ্কিং সিস্টেমে ডলারকে টাকায় আনতে গিয়ে কিছুটা সময় লেগে যাচ্ছে। তবে এতে চুলের ব্যবসার এই এলাকায় একটি নতুন সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
সালারের হেয়ার মার্চেন্ট ইশাবুল হক বলেন, বাংলাদেশের মহাজনদের সঙ্গে ভালোই কারবার চলছিল আমাদের। কিন্তু দেশটি অশান্ত হওয়ার পর থেকেই বাংলাদেশের কেউ এখান চুল নিচ্ছেন না। লক্ষ লক্ষ টাকার পেমেন্টও আটকে দিয়েছেন বাংলাদেশের মহাজনরা। এতে চরম সমস্যা দেখা দিয়েছে। ভরতপুরের হেয়ার মার্চেন্ট সৈয়দ আব্দুল আজিম বলেন, এই এলাকার অন্তত ৩২ জনের পেমেন্ট আটকে রয়েছে বাংলাদেশের মহাজনদের কাছে। পেমেন্ট না পাওয়ার কারণে আমরাও স্থানীয় ফেরিওয়ালাদের টাকা দিতে পারছি না। ফলে এলাকার হাজার হাজার পরিবার সমস্যায় পড়েছেন।
আঙারপুরের ফেরিওয়ালা সামসের শেখ বলেন, প্রায় তিনমাস হল এখানকার হেয়ার মার্চেন্ট টাকা দিতে পারছেন না। বলছেন বাংলাদেশের পেমেন্ট আটকে রয়েছে। তবে বিশ্বাস আছে টাকা পাব। টাকা পাওয়ার পরেই ফের চুলের ফেরি শুরু করব।
এদিকে হেয়ার মার্চেন্টরা এখন বাংলাদেশের বদলে মায়ানমারের মহাজনদের সঙ্গে কারবার শুরু করেছেন। কান্দির হেয়ার মার্চেন্টদের সূত্রে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশের সঙ্গে কারবার বন্ধ হওয়ার সুযোগকে কাজে লাগিয়েছে মায়ানমারের মহাজনরা। প্রতিমাসে সেখানকার মহাজনরা এলাকায় এসে মার্চেন্টদের সঙ্গে দেখা করে ব্যবসা পাকা করছেন। এমনকী মাসখানেক হল এই এলাকা থেকে মায়ানমারে জলপথে চুলের গুটি রপ্তানিও করা হয়েছে।
বিনোদিয়া গ্রামের হেয়ার মার্চেন্ট ওসমান শেখ বলেন, মায়ানমারের মহাজনদের কারবার বেশ ভালোই। কিলোগ্রাম প্রতি দরও কিছুটা বেশি পাওয়া যাচ্ছে। পেমেন্টও ভাল। তবে ওঁরা ডলারে পেমেন্ট দিয়ে থাকেন। ব্যাঙ্কিং সিস্টেমে ডলারকে টাকায় আনতে গিয়ে কিছুটা সময় লেগে যাচ্ছে। তবে এতে চুলের ব্যবসার এই এলাকায় একটি নতুন সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।



