সংবাদদাতা, পতিরাম: উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে পুলিসের জালে পড়ছে একের পর এক বাংলাদেশি। তাদের কয়েকজনের কাছে পাওয়া গিয়েছিল দুই দেশের সরকারি পরিচয়পত্র। তবে গত রবিবার হিলি চেকপোস্টে (আইসিপি) যে বাংলাদেশি যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তার কাছে মিলেছে ভারতীয় পাসপোর্ট! সেটির তথ্য যাচাই করতে গিয়ে উঠে এসেছে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য। তদন্তকারীরা দেখেন, ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিসের (এফআরআরও) কলকাতা শাখা থেকে আগেই ওই যুবকের বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিস জারি করা হয়েছে।
Advertisement
হিলি আইসিপি সূত্রে খবর, যুবক বাংলাদেশে যেতে গেলে সন্দেহ হয় দায়িত্বে থাকা আধিকারিকদের। তার ব্যাগে তল্লাশি চালাতেই উদ্ধার হয় বাংলাদেশি পাসপোর্ট। একই নামে পাওয়া গিয়েছে ভারতের পাসপোর্টও। যা দেখে হতবাক কর্মীরা। তড়িঘড়ি ওই যুবককে গ্রেপ্তার করে হিলি থানার পুলিসের হাতে তুলে দেন আইসিপি কর্মীরা।
পুলিস সূত্রে খবর, ধৃত যুবকের নাম রাতুল বসাক। তার ভারতীয় পাসপোর্টে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুরের দুর্গাপুরের ঠিকানা রয়েছে। বাংলাদেশের পাসপোর্টে পাওয়া গিয়েছে বগুড়া জেলার কুরাহার গ্রামের ঠিকানা। পুলিস সূত্রে খবর, রাতুল দীর্ঘদিন ধরে ভারতে থাকছিল। এখানে বসেই ভোটার, আধার কার্ড থেকে শুরু করে যাবতীয় নথি তৈরি করে ফেলে। রবিবার ভারতীয় পরিচয় দিয়ে বাংলাদেশে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল সে। আধিকারিকরা পাসপোর্ট চেক করার সময়ই লুক আউট নোটিসের বিষয়টি লক্ষ্য করেন। তখন জিজ্ঞাসাবাদের সময় নিজেকে বাংলাদেশি বলে স্বীকার করে রাতুল। ধৃতের কাছ থেকে ল্যাপটপ, মোবাইল, দু’টি ভারতের সিম কার্ড সহ একাধিক সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। রাতুলের বাবা বাংলাদেশি। তা সত্ত্বেও কীভাবে সে বাবার নাম দিয়ে ভারতীয় ভোটার, আধার কার্ড ও পাসপোর্ট বানিয়েছিল, সেসব খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। পুলিস সুপার চিন্ময় মিত্তাল বলেন, হিলির আইসিপি থেকে একজন বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার কাছ থেকে ভারতীয় কিছু পরিচয়পত্র পাওয়া গিয়েছে। আমরা সব দিক খতিয়ে দেখছি।
সরকারি আইনজীবী জয়ন্ত মজুমদার বলেন, বালুরঘাট জেলা আদালত ধৃতের চারদিনের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে।
দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার তিনদিকে সীমান্ত। বাংলাদেশিরা বিএফএফের চোখে ধুলো দিয়ে কাঁটাতার পেরিয়ে, আবার উন্মুক্ত সীমান্ত দিয়েও এপারে আসছে। ওপার বাংলায় অস্থিরতা ও হুমকির পর এভাবে একের পর এক বাংলাদেশি এদিকে ধরা পড়ায় আতঙ্ক বাড়ছে সীমান্তের গ্রামগুলিতে। এনিয়ে বালুরঘাটে এসে রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, রাজ্য সরকার তথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জমি দিচ্ছে না বলেই, উন্মুক্ত সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ চলছে। এমনকি জঙ্গিরা এলেও পুলিস ব্যবস্থা নিচ্ছেনা। এই জেলায় কিছু লোক এই জঙ্গি সংগঠনকে সাহায্য করছে বলে আমাদের কাছে অভিযোগ আসছে।
পাল্টা তৃণমূলের জেলা সভাপতি সুভাষ ভাওয়াল বলেন, সুকান্ত মজুমদার অযথা উল্টোপাল্টা কথা বলেন। এই জেলার কোথায় জমি দেওয়া হয়নি তিনি আগে বলুন। আসল কথা হল জমি দিলেও কেন্দ্র কাজ করছে না। সীমান্ত রক্ষার দায়িত্ব কার? সাংসদ বিএসএফকে বলে অনুপ্রবেশ আটকানোর ব্যবস্থা করুন আগে।
পুলিস সূত্রে খবর, ধৃত যুবকের নাম রাতুল বসাক। তার ভারতীয় পাসপোর্টে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুরের দুর্গাপুরের ঠিকানা রয়েছে। বাংলাদেশের পাসপোর্টে পাওয়া গিয়েছে বগুড়া জেলার কুরাহার গ্রামের ঠিকানা। পুলিস সূত্রে খবর, রাতুল দীর্ঘদিন ধরে ভারতে থাকছিল। এখানে বসেই ভোটার, আধার কার্ড থেকে শুরু করে যাবতীয় নথি তৈরি করে ফেলে। রবিবার ভারতীয় পরিচয় দিয়ে বাংলাদেশে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল সে। আধিকারিকরা পাসপোর্ট চেক করার সময়ই লুক আউট নোটিসের বিষয়টি লক্ষ্য করেন। তখন জিজ্ঞাসাবাদের সময় নিজেকে বাংলাদেশি বলে স্বীকার করে রাতুল। ধৃতের কাছ থেকে ল্যাপটপ, মোবাইল, দু’টি ভারতের সিম কার্ড সহ একাধিক সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। রাতুলের বাবা বাংলাদেশি। তা সত্ত্বেও কীভাবে সে বাবার নাম দিয়ে ভারতীয় ভোটার, আধার কার্ড ও পাসপোর্ট বানিয়েছিল, সেসব খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। পুলিস সুপার চিন্ময় মিত্তাল বলেন, হিলির আইসিপি থেকে একজন বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার কাছ থেকে ভারতীয় কিছু পরিচয়পত্র পাওয়া গিয়েছে। আমরা সব দিক খতিয়ে দেখছি।
সরকারি আইনজীবী জয়ন্ত মজুমদার বলেন, বালুরঘাট জেলা আদালত ধৃতের চারদিনের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে।
দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার তিনদিকে সীমান্ত। বাংলাদেশিরা বিএফএফের চোখে ধুলো দিয়ে কাঁটাতার পেরিয়ে, আবার উন্মুক্ত সীমান্ত দিয়েও এপারে আসছে। ওপার বাংলায় অস্থিরতা ও হুমকির পর এভাবে একের পর এক বাংলাদেশি এদিকে ধরা পড়ায় আতঙ্ক বাড়ছে সীমান্তের গ্রামগুলিতে। এনিয়ে বালুরঘাটে এসে রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, রাজ্য সরকার তথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জমি দিচ্ছে না বলেই, উন্মুক্ত সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ চলছে। এমনকি জঙ্গিরা এলেও পুলিস ব্যবস্থা নিচ্ছেনা। এই জেলায় কিছু লোক এই জঙ্গি সংগঠনকে সাহায্য করছে বলে আমাদের কাছে অভিযোগ আসছে।
পাল্টা তৃণমূলের জেলা সভাপতি সুভাষ ভাওয়াল বলেন, সুকান্ত মজুমদার অযথা উল্টোপাল্টা কথা বলেন। এই জেলার কোথায় জমি দেওয়া হয়নি তিনি আগে বলুন। আসল কথা হল জমি দিলেও কেন্দ্র কাজ করছে না। সীমান্ত রক্ষার দায়িত্ব কার? সাংসদ বিএসএফকে বলে অনুপ্রবেশ আটকানোর ব্যবস্থা করুন আগে।



