সুব্রত ধর, শিলিগুড়ি: একাধিক জায়গায় মিলেছে জাল নথি তৈরির চক্র। যার মাধ্যমে এপারে ঘাঁটি গাড়ে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা। ইতিমধ্যে বেশকিছু অনুপ্রবেশকারী ও সন্দেহভাজন জঙ্গি গ্রেপ্তারও হয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে উত্তরবঙ্গের বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী অধিকাংশ বিধানসভা কেন্দ্রে বেড়েছে ভোটার সংখ্যা। প্রশাসন সূত্রে খবর, উত্তরবঙ্গের ২৬টি বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী কেন্দ্রের মধ্যে ২০টিতেই ভোটার সংখ্যা বেড়েছে। এনিয়ে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশের আশঙ্কা ওয়াকিবহল মহলের। গোটা বিষয় নিয়ে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। প্রশাসনের আধিকারিকরা অবশ্য জানিয়েছেন, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মতো ভোটার তালিকা সংশোধন করা হয়েছে। ভোটার তালিকায় কোনও ত্রুটি থাকার কথা নয়। তা হলেও বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা হবে।
Advertisement
গত অক্টোবর মাস থেকে ভোটার তালিকা সংশোধন অভিযানে নামে নির্বাচন কমিশন। কয়েকদিন আগে তারা সেই কাজ শেষ করেছে। ইতিমধ্যে চূড়ান্ত সচিত্র ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। তাতে উত্তরবঙ্গের বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী অধিকাংশ বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটার সংখ্যা বেড়েছে। যারমধ্যে মালদহ জেলা অন্যতম। প্রশাসন সূত্রে খবর, খসড়া ভোটার তালিকায় জেলার ১২টি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ছিল ৩১ লক্ষ ৫৮ হাজার ৯১৬ জন। চূড়ান্ত তালিকায় তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩১ লক্ষ ৭৫ হাজার ২৫২। এরমধ্যে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী হবিবপুরে ২৪৬৫, গাজোলে ২০৫৭, মালদহে ১৩৩৮ এবং ইংলিশবাজারে ১৪২৮ জন ভোটার বেড়েছে। মালদহের জেলাশাসক নিতীন সিঙ্গানিয়া অবশ্য বলেন, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মতো গুরুত্ব দিয়েই ভোটার তালিকা সংশোধন করা হয়েছে। ভোটার বৃদ্ধির বিষয়টি অস্বাভাবিক কিছু নয়।
আরএক জেলা কোচবিহারের ন’টি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে সাতটিই বাংলাদেশ সীমান্তাবর্তী। প্রশাসন সূত্রে খবর, ওই কেন্দ্রগুলির মধ্যে তুফানগঞ্জে ভোটার বেড়েছে সবচেয়ে বেশি, ৪৪৫৫ জন। এছাড়া নাটাবাড়িতে ৩৬৬০, মেখলিগঞ্জে ১৭১৬, মাথাভাঙায় ২৪৬০, শীতলকুচিতে ২৫২২, সিতাইয়ে ২৬৭ ও দিনহাটায় ১২৩১ জন ভোটার বেড়েছে। একইভাবে জলপাইগুড়িতে ৫৩৯, ডাবগ্রাম-ফুলবাড়িতে ১৩৬১, রাজগঞ্জে ৮৬৪, বালুরঘাটে ৭৫১, তপনে ৮৯৯, গঙ্গারামপুরে ১৫১৯, কুমারগঞ্জে ৯০১, হেমতাবাদে ১৪৬৯ ও কালিয়াগঞ্জে ১১৩৬ জন ভোটার বেড়েছে।
এনিয়ে বিভিন্ন মহলের বক্তব্য, কোচবিহার থেকে মালদহ পর্যন্ত প্রতিটি জেলাতেই জাল নথি প্রস্তুত চক্র সক্রিয়। বিভিন্ন সময় এমন চক্রের সন্ধান পেয়েছে পুলিস। যাদের ব্যবহার করে এপারে এসে ভোটার কার্ড, আধার কার্ড তৈরি করেছে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা। পাশাপাশি অভ্যান্তরীণ অশান্তিতে জেরবার প্রতিবেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশ। যার জেরে পদ্মাপারের বহু মানুষ এপারে আসার চেষ্টা করছে। কাজেই বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটার সংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা উচিত। কারণ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা জাল নথি দিয়ে তালিকায় নাম তুলতে পারে।
এদিকে, বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী মালদহ জেলার বৈষ্ণবনগর, উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া, দার্জিলিংয়ের ফাঁসিদেওয়া প্রভৃতি সহ ছ’টি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটার সংখ্যা সামান্য কমেছে।
আরএক জেলা কোচবিহারের ন’টি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে সাতটিই বাংলাদেশ সীমান্তাবর্তী। প্রশাসন সূত্রে খবর, ওই কেন্দ্রগুলির মধ্যে তুফানগঞ্জে ভোটার বেড়েছে সবচেয়ে বেশি, ৪৪৫৫ জন। এছাড়া নাটাবাড়িতে ৩৬৬০, মেখলিগঞ্জে ১৭১৬, মাথাভাঙায় ২৪৬০, শীতলকুচিতে ২৫২২, সিতাইয়ে ২৬৭ ও দিনহাটায় ১২৩১ জন ভোটার বেড়েছে। একইভাবে জলপাইগুড়িতে ৫৩৯, ডাবগ্রাম-ফুলবাড়িতে ১৩৬১, রাজগঞ্জে ৮৬৪, বালুরঘাটে ৭৫১, তপনে ৮৯৯, গঙ্গারামপুরে ১৫১৯, কুমারগঞ্জে ৯০১, হেমতাবাদে ১৪৬৯ ও কালিয়াগঞ্জে ১১৩৬ জন ভোটার বেড়েছে।
এনিয়ে বিভিন্ন মহলের বক্তব্য, কোচবিহার থেকে মালদহ পর্যন্ত প্রতিটি জেলাতেই জাল নথি প্রস্তুত চক্র সক্রিয়। বিভিন্ন সময় এমন চক্রের সন্ধান পেয়েছে পুলিস। যাদের ব্যবহার করে এপারে এসে ভোটার কার্ড, আধার কার্ড তৈরি করেছে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা। পাশাপাশি অভ্যান্তরীণ অশান্তিতে জেরবার প্রতিবেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশ। যার জেরে পদ্মাপারের বহু মানুষ এপারে আসার চেষ্টা করছে। কাজেই বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটার সংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা উচিত। কারণ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা জাল নথি দিয়ে তালিকায় নাম তুলতে পারে।
এদিকে, বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী মালদহ জেলার বৈষ্ণবনগর, উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া, দার্জিলিংয়ের ফাঁসিদেওয়া প্রভৃতি সহ ছ’টি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটার সংখ্যা সামান্য কমেছে।



