সুব্রত ধর, শিলিগুড়ি: বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া নিয়ে জমিজট মেটাতে ঝাঁপিয়েছে রাজ্য সরকার। তারা সীমান্তবর্তী প্রতিটি জেলা প্রশাসনকে আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে জমি জোগাড় করার নির্দেশ দিয়েছে বলে খবর। এজন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের প্রশংসা করেছেন বিএসএফের শীর্ষকর্তারা। অন্যদিকে, শীতের মরশুমের মুখে উন্মুক্ত সীমান্ত দিয়ে চোরাচালান ও অবৈধ প্রবেশ বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এর মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলিতে এলইডি লাইট, ক্যামেরা, থার্মাল স্ক্যানার এবং বাঁশের অস্থায়ী বেড়া দিয়েধে বিএসএফ।
Advertisement
বিএসএফ সূত্রে খবর, উত্তরবঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের অধীনে মালদহের লক্ষ্মীপুর থেকে কোচবিহারের মেখলিগঞ্জ পর্যন্ত এলাকা। যা ৯৩৬ কিমি দীর্ঘ। এরমধ্যে স্থল পথেই উন্মুক্ত এলাকা প্রায় ৪০টি। জমিজটের জেরে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলিতে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার কাজ দীর্ঘদিন ধরে থমকে। গত ২৬ অক্টোবর নবান্নে রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ ও বিএসএফের ডিরেক্টর জেনারেলের মধ্যে এ বিষয়ে বৈঠক হয়।
বিএসএফের এককর্তা বলেন, এখনও পর্যন্ত এই ফ্রন্টিয়ারের অধীনে প্রায় ৯০ কিমি এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া নেই। আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলিতে প্রয়োজনীয় জমি জেলাগুলিকে জোগাড় করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার। ইতিমধ্যে কিছু জায়গায় জমি জরিপের কাজ প্রায় শেষ হয়েছে। যারমধ্যে মেখলিগঞ্জের দহগ্রাম-আঙ্গারপোঁতা ও হিলি উল্লেখযোগ্য। প্রথমটিতে ২২ কিমি এবং দ্বিতীয়টিতে ৪ কিমি জমি চিহ্নিত করা হয়েছে। জলপাইগুড়ি জেলার মানিকগঞ্জেও সার্ভে চলছে।
জেলা প্রশাসনের আধিকারিকররা জানান, সীমান্তে বেড়া দেওয়ার জন্য জমি চিহ্নিত করার কাজ চলছে। বিএসএফের সঙ্গে এ ব্যাপারে নিয়মিত বৈঠক হচ্ছে। বিএসএফের উত্তরবঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের আইজি সূর্যকান্ত শর্মা বলেন, এখন সীমান্তে দেওয়া হবে চার লেনের কাঁটাতারের বেড়া। এজন্য প্রয়োজনীয় জমি জোগাড়ে রাজ্য সরকার যথেষ্ট তৎপর। তারা আমাদের সবরকমভাবে সহযোগিতা করছে। ওদের ভূমিকা প্রশংসনীয়।
এদিকে, ফি বছরই শীতের মরশুম সীমান্তে দাপিয়ে বেড়ায় পাচারকারীরা। ঘন কুয়াশার চাদরকে কাজে লাগিয়ে কোথাও গোরু, আবার কোথাও কাফ সিরাপ, ইয়বা ট্যাবলেট পাচারকারীরা সক্রিয় হয়ে ওঠে। পাল্টা ওপার থেকে সোনার বিস্কুট ও জালনোট এপারে চালান করা হয়। যার জেরে সীমান্তে জওয়ানদের সঙ্গে পাচারকারীদের ঝামেলা হয়। একইসঙ্গে অবৈধভাবে বাংলাদেশিদের অনুপ্রবেশের সম্ভাবনাও প্রবল। তাই এবার ভরা শীতে পাচার ও অনুপ্রবেশ রুখতে তৎপর বিএসএফ। ইতিমধ্যেই তারা বিভিন্ন এলাকায় এলইডি লাইট, সিসি ক্যামেরা, থার্মাল স্ক্যানার বসিয়েছে। পাচারকারীদের মোকাবিলায় জওয়ানদের হাতে তিন ধরনের হ্যান্ড গ্রেনেড দেওয়া হয়েছে।
বিএসএফের উত্তরবঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের আইজি বলেন, কুয়াশায় নজরদারি চালাতে ইতিমধ্যে সীমান্তের প্রায় ৯৫ শতাংশ এলাকায় বসানো হয়েছে এলইডি লাইট। কিছু জায়গায় হাইমাস্ট বাতিস্তম্ভ রয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে প্রযুক্তিরও সহায়তা নেওয়া হচ্ছে। আর যেসব জায়গায় এখনও চার লেনের কাঁটাতারের বেড়া পাতা সম্ভব হয়নি, সেইসব জায়গায় বাঁশ দিয়ে অস্থায়ী বেড়া দেওয়া হয়েছে।
বিএসএফের এককর্তা বলেন, এখনও পর্যন্ত এই ফ্রন্টিয়ারের অধীনে প্রায় ৯০ কিমি এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া নেই। আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলিতে প্রয়োজনীয় জমি জেলাগুলিকে জোগাড় করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার। ইতিমধ্যে কিছু জায়গায় জমি জরিপের কাজ প্রায় শেষ হয়েছে। যারমধ্যে মেখলিগঞ্জের দহগ্রাম-আঙ্গারপোঁতা ও হিলি উল্লেখযোগ্য। প্রথমটিতে ২২ কিমি এবং দ্বিতীয়টিতে ৪ কিমি জমি চিহ্নিত করা হয়েছে। জলপাইগুড়ি জেলার মানিকগঞ্জেও সার্ভে চলছে।
জেলা প্রশাসনের আধিকারিকররা জানান, সীমান্তে বেড়া দেওয়ার জন্য জমি চিহ্নিত করার কাজ চলছে। বিএসএফের সঙ্গে এ ব্যাপারে নিয়মিত বৈঠক হচ্ছে। বিএসএফের উত্তরবঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের আইজি সূর্যকান্ত শর্মা বলেন, এখন সীমান্তে দেওয়া হবে চার লেনের কাঁটাতারের বেড়া। এজন্য প্রয়োজনীয় জমি জোগাড়ে রাজ্য সরকার যথেষ্ট তৎপর। তারা আমাদের সবরকমভাবে সহযোগিতা করছে। ওদের ভূমিকা প্রশংসনীয়।
এদিকে, ফি বছরই শীতের মরশুম সীমান্তে দাপিয়ে বেড়ায় পাচারকারীরা। ঘন কুয়াশার চাদরকে কাজে লাগিয়ে কোথাও গোরু, আবার কোথাও কাফ সিরাপ, ইয়বা ট্যাবলেট পাচারকারীরা সক্রিয় হয়ে ওঠে। পাল্টা ওপার থেকে সোনার বিস্কুট ও জালনোট এপারে চালান করা হয়। যার জেরে সীমান্তে জওয়ানদের সঙ্গে পাচারকারীদের ঝামেলা হয়। একইসঙ্গে অবৈধভাবে বাংলাদেশিদের অনুপ্রবেশের সম্ভাবনাও প্রবল। তাই এবার ভরা শীতে পাচার ও অনুপ্রবেশ রুখতে তৎপর বিএসএফ। ইতিমধ্যেই তারা বিভিন্ন এলাকায় এলইডি লাইট, সিসি ক্যামেরা, থার্মাল স্ক্যানার বসিয়েছে। পাচারকারীদের মোকাবিলায় জওয়ানদের হাতে তিন ধরনের হ্যান্ড গ্রেনেড দেওয়া হয়েছে।
বিএসএফের উত্তরবঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের আইজি বলেন, কুয়াশায় নজরদারি চালাতে ইতিমধ্যে সীমান্তের প্রায় ৯৫ শতাংশ এলাকায় বসানো হয়েছে এলইডি লাইট। কিছু জায়গায় হাইমাস্ট বাতিস্তম্ভ রয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে প্রযুক্তিরও সহায়তা নেওয়া হচ্ছে। আর যেসব জায়গায় এখনও চার লেনের কাঁটাতারের বেড়া পাতা সম্ভব হয়নি, সেইসব জায়গায় বাঁশ দিয়ে অস্থায়ী বেড়া দেওয়া হয়েছে।



