নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার চুপ কেন? বুধবার মেচেদায় পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সনাতন ব্রাহ্মণ ট্রাস্টের এক অনুষ্ঠানে এনিয়ে সরব হলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা ট্রাস্ট্রের কর্ণধার রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের উপর আক্রমণের ঘটনা অত্যন্ত নিন্দনীয়। সেখানে এরাজ্যের মৎস্যজীবীদের উপর হামলা হয়েছে। প্রতিটি ঘটনায় সোচ্চার হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অথচ, মুখে হিন্দুত্বের ধ্বজা ওড়ানো কেন্দ্রীয় সরকার নিশ্চুপ। মঙ্গলবার বিএসএফকে পর্যন্ত তাড়া করার ঘটনা ঘটেছে। তারপরও কেন্দ্র চুপ কেন?
Advertisement
বুধবার মেচেদায় সনাতন ব্রাহ্মণ ট্রাস্টের উদ্যোগে পুরোহিতদের শাল উপহার দেওয়া হয়। সেই অনুষ্ঠানে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, সমবায় দপ্তরের হাউসিং বোর্ডের চেয়ারম্যান আশিস চক্রবর্তী, ট্রাস্টের সভাপতি ও সম্পাদক মধুসূদন মিশ্র, শ্রীধর মিশ্র প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। ২০১৬সালে সনাতন ব্রাহ্মণ ট্রাস্ট তৈরি হয়। মেচেদায় রাজ্য সরকারের দান করা জমিতে অফিস গড়ে ওঠে। কিন্তু, গত আট বছরে বারবার ট্রাস্টের উপদেষ্টা বদল হওয়ায় সভাপতি ও সম্পাদক পদ নিয়ে ব্যাপক গণ্ডগোল হয়। ট্রাস্টের মধ্যে আড়াআড়ি বিভাজন ঘটে যায়। এই মুহূর্তে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত শ্রীধর মিশ্র ট্রাস্টের সম্পাদক আছেন। এদিন রাজীববাবু বারবার নিজেদের মধ্যে একতার সুর বাঁধার কথা বলেন।
রাজীববাবু বলেন, বিজেপি নেতারা মুখে হিন্দুত্বের কথা বলেন। কিন্তু, সনাতন ব্রাহ্মণ ট্রাস্ট তাদের থেকে কোনও উপকার পায়নি। এই ট্রাস্টের পাশে যিনি দাঁড়িয়েছেন তাঁর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পুরোহিতদের সতর্ক করে তিনি বলেন, শুধুমাত্র ভোটের রাজনীতি করার জন্য ওরা ঝাঁপাবে। ওদের পাতা ফাঁদে পা দেবেন না। আপনাদের সুখ দুঃখের সাথী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রত্যেক ব্লকে এই শাখা সংগঠনকে মজবুত করতে হবে। ২০২৬ সালে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতায় আসা নিশ্চিত করার দায়িত্ব ট্রাস্টকেও নিতে হবে।
রাজীববাবু বলেন, বিজেপি নেতারা মুখে হিন্দুত্বের কথা বলেন। কিন্তু, সনাতন ব্রাহ্মণ ট্রাস্ট তাদের থেকে কোনও উপকার পায়নি। এই ট্রাস্টের পাশে যিনি দাঁড়িয়েছেন তাঁর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পুরোহিতদের সতর্ক করে তিনি বলেন, শুধুমাত্র ভোটের রাজনীতি করার জন্য ওরা ঝাঁপাবে। ওদের পাতা ফাঁদে পা দেবেন না। আপনাদের সুখ দুঃখের সাথী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রত্যেক ব্লকে এই শাখা সংগঠনকে মজবুত করতে হবে। ২০২৬ সালে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতায় আসা নিশ্চিত করার দায়িত্ব ট্রাস্টকেও নিতে হবে।



