সুব্রত ধর, শিলিগুড়ি: শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার ক্রমবর্ধমান। অভিযোগ, সংখ্যালঘুদের বাড়িঘর ভাঙচুরের পাশাপাশি লুট, হুমকি চলছেই। শুধু তাই নয়, অনেকে কর্মহীনও হয়ে পড়েছেন। এনিয়ে উত্তরবঙ্গের সীমান্তবর্তী গ্রামে চাপা উত্তেজনা রয়েছে। চার মাসে ৪১ জন অনুপ্রবেশকারীকে আটক করে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য হাতে পেয়েছে বিএসএফ। তারা অধিকাংশ নিরীহ অনুপ্রবেশকারীকে নিরাপদে বর্ডার গার্ড অব বাংলাদেশের (বিজিবি) হাতে তুলে দিয়েছে।
Advertisement
বিএসএফের উত্তরবঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের আইজি সূর্যকান্ত শর্মা অবশ্য বলেন, বাংলাদেশ সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সীমান্তের পরিস্থিতি আপাতত স্বাভাবিক। বিজিবি’র সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে। তবে বিভিন্ন কারণে বাংলাদেশিরা অবৈধভাবে এপারে আসার চেষ্টা করছে। তাদের ধরে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে।
গত ৫ আগস্ট প্রতিবেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশে পতন হয় শেখ হাসিনার সরকারের। অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে বাংলাদেশ। এরপর পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলেও সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার অব্যাহত রয়েছে বলে অভিযোগ। এজন্য মাঝেমধ্যেই উত্তরবঙ্গের বেরুবাড়ির মানিকগঞ্জ, হলদিবাড়ি, চ্যাংরাবান্ধা, ফুলবাড়ি, রায়গঞ্জ, হিলি প্রভৃতি সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশিরা অবৈধভাবে এপারে অনুপ্রবেশ করছেন।
বিএসএফ সূত্রে খবর, ৫ আগস্ট থেকে এখন পর্যন্ত এপারে অবৈধভাবে প্রবেশ করেন ৪০ জন বাংলাদেশি। তাদের মধ্যে পুরুষ ও মহিলা রয়েছে। যাদের অধিকাংশ সেই দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ভুক্ত। অভাব-অভিযোগ শোনার পর তাঁদেরকে সেই দেশে ফেরানো হয়েছে। এজন্য বিজিবি’র সঙ্গে একাধিকবার ফ্ল্যাগ মিটিং করা হয়। বিজিবি’র মাধ্যমে তাদেরকে নিজের বসতভিটায় নিরাপদে পাঠানো হয়েছে।
বিএসএফের অফিসাররা বলেন, প্রতিবেশী দেশে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন হলেও অত্যাচার কমেনি বলে জানিয়েছেন অনুপ্রবেশকারীরা। বাড়ি ভাঙচুর, লুটপাট, হুমকি চলছে। এজন্য আতঙ্কিত হয়ে ভিটেমাটি ছেড়ে অবৈধভাবে এপারে আসেন নিরীহ বাংলাদেশিরা। ধৃত ৪০ জন অনুপ্রবেশকারীদের মধ্যে ৩৫ জনকেই সেদেশে ফেরানো হয়েছে। বাকি পাঁচ জনকে ধরে পুলিসের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। চোরাচালান সহ বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ রয়েছে ধৃতদের বিরুদ্ধে।
শুধু অত্যাচার নয়, বাংলাদেশে কর্মসংস্থানেও টান পড়েছে বলে অভিযোগ। বৃহস্পতিবার কোচবিহার জেলার বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে এক বাংলাদেশিকে ধরার পর এমন তথ্য পেয়েছে বিএসএফের জলপাইগুড়ি সেক্টর। বিএসএফ সূত্রের খবর, ওই বাংলাদেশি নাগরিকের নাম মহম্মদ কাওসার হোসেন। বাংলাদেশের পাটুখালি জেলার মির্জাগঞ্জ থানা এলাকায় তার বাড়ি। তার কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন, বাংলাদেশ, নেপাল ও ভারতীয় টাকা এবং বাংলাদেশের পাসপোর্ট মিলেছে। এরপর বিজিবি’র সঙ্গে কমান্ডেন্ট পর্যায়ে ফ্ল্যাগ মিটিং করা হয়। বাজেয়াপ্ত সামগ্রী সহ আটক বাংলাদেশি যুবককে বিজিবি’র কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বিএসএফ জানিয়েছে, গত মার্চে জীবনজীবিকা নির্বাহের উদ্দেশ্যে উত্তরবঙ্গ হয়ে ওই যুবক নেপালে পাড়ি দিয়েছিল। অসুস্থ মা’কে দেখার জন্য তিনি এদিন উন্মুক্ত এলাকা দিয়ে অবৈধভাবে বাংলাদেশে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন বলে স্বীকার করেন।
গত ৫ আগস্ট প্রতিবেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশে পতন হয় শেখ হাসিনার সরকারের। অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে বাংলাদেশ। এরপর পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলেও সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার অব্যাহত রয়েছে বলে অভিযোগ। এজন্য মাঝেমধ্যেই উত্তরবঙ্গের বেরুবাড়ির মানিকগঞ্জ, হলদিবাড়ি, চ্যাংরাবান্ধা, ফুলবাড়ি, রায়গঞ্জ, হিলি প্রভৃতি সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশিরা অবৈধভাবে এপারে অনুপ্রবেশ করছেন।
বিএসএফ সূত্রে খবর, ৫ আগস্ট থেকে এখন পর্যন্ত এপারে অবৈধভাবে প্রবেশ করেন ৪০ জন বাংলাদেশি। তাদের মধ্যে পুরুষ ও মহিলা রয়েছে। যাদের অধিকাংশ সেই দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ভুক্ত। অভাব-অভিযোগ শোনার পর তাঁদেরকে সেই দেশে ফেরানো হয়েছে। এজন্য বিজিবি’র সঙ্গে একাধিকবার ফ্ল্যাগ মিটিং করা হয়। বিজিবি’র মাধ্যমে তাদেরকে নিজের বসতভিটায় নিরাপদে পাঠানো হয়েছে।
বিএসএফের অফিসাররা বলেন, প্রতিবেশী দেশে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন হলেও অত্যাচার কমেনি বলে জানিয়েছেন অনুপ্রবেশকারীরা। বাড়ি ভাঙচুর, লুটপাট, হুমকি চলছে। এজন্য আতঙ্কিত হয়ে ভিটেমাটি ছেড়ে অবৈধভাবে এপারে আসেন নিরীহ বাংলাদেশিরা। ধৃত ৪০ জন অনুপ্রবেশকারীদের মধ্যে ৩৫ জনকেই সেদেশে ফেরানো হয়েছে। বাকি পাঁচ জনকে ধরে পুলিসের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। চোরাচালান সহ বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ রয়েছে ধৃতদের বিরুদ্ধে।
শুধু অত্যাচার নয়, বাংলাদেশে কর্মসংস্থানেও টান পড়েছে বলে অভিযোগ। বৃহস্পতিবার কোচবিহার জেলার বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে এক বাংলাদেশিকে ধরার পর এমন তথ্য পেয়েছে বিএসএফের জলপাইগুড়ি সেক্টর। বিএসএফ সূত্রের খবর, ওই বাংলাদেশি নাগরিকের নাম মহম্মদ কাওসার হোসেন। বাংলাদেশের পাটুখালি জেলার মির্জাগঞ্জ থানা এলাকায় তার বাড়ি। তার কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন, বাংলাদেশ, নেপাল ও ভারতীয় টাকা এবং বাংলাদেশের পাসপোর্ট মিলেছে। এরপর বিজিবি’র সঙ্গে কমান্ডেন্ট পর্যায়ে ফ্ল্যাগ মিটিং করা হয়। বাজেয়াপ্ত সামগ্রী সহ আটক বাংলাদেশি যুবককে বিজিবি’র কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বিএসএফ জানিয়েছে, গত মার্চে জীবনজীবিকা নির্বাহের উদ্দেশ্যে উত্তরবঙ্গ হয়ে ওই যুবক নেপালে পাড়ি দিয়েছিল। অসুস্থ মা’কে দেখার জন্য তিনি এদিন উন্মুক্ত এলাকা দিয়ে অবৈধভাবে বাংলাদেশে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন বলে স্বীকার করেন।



