সংবাদদাতা, বর্ধমান: বাংলাদেশে পাঠানো লরি ভর্তি দ্রবণীয় ডিস্টিলার ড্রায়েড গ্রেইনস উইথ সলিউবেলস গায়েব হওয়ার ঘটনায় পরিবহণ সংস্থার কর্তাকে গ্রেপ্তার করেছে গলসি থানার পুলিস। ধৃতের নাম শেখ রাজু। তার বাড়ি ভাতার থানার নর্জার মীরেপাড়ায়। শনিবার রাতে বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ঘটনায় জড়িত থাকার কথা ধৃত কবুল করেছে বলে পুলিসের দাবি। ধৃতকে চারদিন পুলিসি হেফাজতের নির্দেশ দেন ভারপ্রাপ্ত সিজেএম।
Advertisement
পুলিস জানিয়েছে, গত ২৫ জানুয়ারি গলসির গলিগ্রাম থেকে দ্রবণীয় ডিস্টিলার ড্রায়েড গ্রেইনস উইথ সলিউবেলস লোড করে লরিতে করে বাংলাদেশের হিলিপট এলাকায় পাঠানো হয়। পরিবহণ সংস্থার মাধ্যমে তা পাঠানো হচ্ছিল। কিন্তু, নির্দিষ্ট ঠিকানায় তা পৌঁছয়নি। এনিয়ে জানতে চাওয়া হলে লরির মালিক ও পরিবহণ সংস্থা নানা যুক্তি খাঁড়া করে। কখনও ব্যাঙ্ক ফিনান্স সংস্থার কারণে লরিটি আটকে রয়েছে বলে জানায়। আবার কখনও এনিয়ে মুখে কুলুপ আঁটে। ৭-৮ দিন পেরিয়ে যাওয়ার পরেও মাল ঠিকানায় না পৌঁছনোয় কোম্পানির তরফে গলসি থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়।
এদিকে গৃহবধূকে মারধর ও তাঁকে মেরে ফেলার চেষ্টার অভিযোগে শ্বশুরকে গ্রেপ্তার করেছে রায়না থানার পুলিস। ধৃতের নাম শেখ গোলাম মোর্তাজা। পুলিস জানিয়েছে, ১১ বছর আগে রায়না থানায় খুঁয়েরপাড়ের বাসিন্দা হাসিবা শেখের সঙ্গে গোলাম মোর্তাজার ছেলে শেখ হাবিবুর রহমানের বিয়ে হয়। বিয়েতে চাহিদামতো পণ দেওয়া হয়েছিল। তা সত্ত্বেও বিয়ের কিছুদিন পর থেকে হাসিবার উপর শ্বশুরবাড়িতে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু হয়। দিনের পর দিন অত্যাচার বাড়তে থাকে। গত বছরের ২৫ নভেম্বর রাতে স্বামী সহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাঁকে প্রচণ্ড মারধর করে। শেষমেশে তাঁকে শ্বশুরবাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়। বাপেরবাড়িতে ফিরে এসে তিনি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
এদিকে গৃহবধূকে মারধর ও তাঁকে মেরে ফেলার চেষ্টার অভিযোগে শ্বশুরকে গ্রেপ্তার করেছে রায়না থানার পুলিস। ধৃতের নাম শেখ গোলাম মোর্তাজা। পুলিস জানিয়েছে, ১১ বছর আগে রায়না থানায় খুঁয়েরপাড়ের বাসিন্দা হাসিবা শেখের সঙ্গে গোলাম মোর্তাজার ছেলে শেখ হাবিবুর রহমানের বিয়ে হয়। বিয়েতে চাহিদামতো পণ দেওয়া হয়েছিল। তা সত্ত্বেও বিয়ের কিছুদিন পর থেকে হাসিবার উপর শ্বশুরবাড়িতে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু হয়। দিনের পর দিন অত্যাচার বাড়তে থাকে। গত বছরের ২৫ নভেম্বর রাতে স্বামী সহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাঁকে প্রচণ্ড মারধর করে। শেষমেশে তাঁকে শ্বশুরবাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়। বাপেরবাড়িতে ফিরে এসে তিনি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।



