নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: অশান্ত বাংলাদেশ। নিত্যদিন সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে খবরের শিরোনামে ওপার বাংলা। অশান্তি, বিশৃঙ্খলার মধ্যে দিয়েই চলছে ভারতের প্রতিবেশী দেশ। সেই আঁচ পাওয়া যাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গেও। সীমান্তেও অবৈধ অনুপ্রবেশের চেষ্টা চলছে। আর তা আটকাতেই ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করছে বিএসএফ। নদীয়া জেলার সীমান্তেও প্রায় ২৫০ জন সেনা বাড়ানো হয়েছে। যাতে সীমান্তে নজরদারি আরও শক্তিশালী করা যায়। বলাবাহুল্য, বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে ভারত সরকারেও। যার জন্যই আগাম সতর্কতা হিসেবে সীমান্ত সুরক্ষায় জোর দেওয়া হচ্ছে। শুধু তাই নয়, সম্প্রতিকালে বাংলাদেশ থেকে ভারতে বৈধ প্রবেশের প্রবণতাও অনেকটাই বেড়েছে। অশান্তির কারণেই দেশ ছেড়ে ভারতে চলে আসছেন তাঁরা। ভারতে প্রবেশ করে সেখানকার অস্থির পরিস্থিতির কথাও শোনাচ্ছেন।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী জেলাগুলির মধ্যে অন্যতম নদীয়া। জেলার পূর্বদিকে ১৬৭ কিলোমিটার দীর্ঘ আন্তর্জাতিক সীমানা বাংলাদেশের সঙ্গে ভাগ করে নিচ্ছে ভারত। যার মধ্যে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার সীমান্তে কাঁটাতারের ব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু, বাকি এলাকায় কাঁটাতার এখনও বসানো হয়নি। যার মধ্যে রয়েছে, চাপড়া ব্লকের ভীমপুর থানার অন্তর্গত রাঙিয়াপোতা, মলুয়াপাড়া এলাকা। যেখানে খোলা সীমান্ত চোরাকারবারি থেকে অবৈধ অনুপ্রবেশের মুক্তাঞ্চল বলেই দাবি করে জেলাবাসী। এখানে পানা ভর্তি সরু খাল ভাগ করে দিয়েছে দু’টি দেশকে। স্বভাবতই এই সীমান্ত হাইঅ্যালার্ট জোনের মধ্যে পড়ে। বিএসএফের কড়া নজরদারির মধ্যেও রাতের অন্ধকারে চোরাকারবারিদের আনাগোনা বাড়ে এই সমস্ত এলাকায়। মাঝেমধ্যে ধরাও পড়ে তারা। কিন্তু, বাংলাদেশের পরিস্থিতি সীমান্ত সুরক্ষার ব্যাপারে আরও বেশি উদ্বেগ বাড়িয়েছে। যার অন্যতম কারণ এই অবৈধ অনুপ্রবেশ। আশঙ্কা রয়েছে, যেকোনও মুহূর্তে সীমান্ত এলাকায় অনুপ্রবেশকারীদের ভিড় বাড়তে পারে।
এমনিতেই সম্প্রতিকালে বাংলাদেশ থেকে ভারতের বৈধ প্রবেশ বেড়েছে। প্রতিদিন গড়ে ২৫০ থেকে ৩০০ মানুষ গেদে সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করছেন। কয়েকদিন আগে বেলঘরিয়ার যুবক সায়ন ঘোষ বাংলাদেশে গিয়ে আক্রান্ত হওয়ার কথা জানিয়েছিলেন। ভারতীয় হিসেবে পরিচয় দেওয়ায় দুষ্কৃতীদের আক্রমণে জখমও হয়েছিলেন। সেখানকার অচলাবস্থার কারণে বহু মানুষের রুটিরুজি বন্ধ হয়ে যাওয়ার মুখে। সেদেশের সংখ্যালঘুদের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন সংখ্যাগুরুরাও। সম্প্রতি হাঁসখালি ও ধানতলা থানার পুলিস বেশ কয়েকজন দালাল সহ একাধিক অনুপ্রবেশকারীকে গ্রেপ্তার করেছে। সীমান্ত এলাকায় মানবপাচার চক্রে দালালদের এই সক্রিয়তা উদ্বেগ বাড়িয়েছে বিএসএফের।
নদীয়া জেলায় কৃষ্ণনগর সেক্টরের আওতায় প্রায় তিন হাজার জওয়ান রয়েছে। এবার আরও প্রায় ২৫০ জন জওয়ানকে মোতায়েন করা
হয়েছে নদীয়ার সীমান্তে। বিএসএফের এক আধিকারিকের কথায়, শীতকালে কুয়াশার কারণে অবৈধ সামগ্রী পাচার করতে সুবিধা হয় চোরাকারবারিদের। তাই অতিরিক্ত জওয়ান মোতায়েন করা হয়েছে। যাতে সীমান্তে নজরদারি আরও কড়া হয়।
এমনিতেই সম্প্রতিকালে বাংলাদেশ থেকে ভারতের বৈধ প্রবেশ বেড়েছে। প্রতিদিন গড়ে ২৫০ থেকে ৩০০ মানুষ গেদে সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করছেন। কয়েকদিন আগে বেলঘরিয়ার যুবক সায়ন ঘোষ বাংলাদেশে গিয়ে আক্রান্ত হওয়ার কথা জানিয়েছিলেন। ভারতীয় হিসেবে পরিচয় দেওয়ায় দুষ্কৃতীদের আক্রমণে জখমও হয়েছিলেন। সেখানকার অচলাবস্থার কারণে বহু মানুষের রুটিরুজি বন্ধ হয়ে যাওয়ার মুখে। সেদেশের সংখ্যালঘুদের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন সংখ্যাগুরুরাও। সম্প্রতি হাঁসখালি ও ধানতলা থানার পুলিস বেশ কয়েকজন দালাল সহ একাধিক অনুপ্রবেশকারীকে গ্রেপ্তার করেছে। সীমান্ত এলাকায় মানবপাচার চক্রে দালালদের এই সক্রিয়তা উদ্বেগ বাড়িয়েছে বিএসএফের।
নদীয়া জেলায় কৃষ্ণনগর সেক্টরের আওতায় প্রায় তিন হাজার জওয়ান রয়েছে। এবার আরও প্রায় ২৫০ জন জওয়ানকে মোতায়েন করা
হয়েছে নদীয়ার সীমান্তে। বিএসএফের এক আধিকারিকের কথায়, শীতকালে কুয়াশার কারণে অবৈধ সামগ্রী পাচার করতে সুবিধা হয় চোরাকারবারিদের। তাই অতিরিক্ত জওয়ান মোতায়েন করা হয়েছে। যাতে সীমান্তে নজরদারি আরও কড়া হয়।



