নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: বাংলাদেশের নতুন সন্ত্রাসবাদী দল তাউহিদুল উল্লিহার(টি ইউ) সংগঠন মজবুত করার জন্য অর্থ আসছে আরব তথা গল্ফ কান্ট্রি থেকে। বিশেষ করে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি থেকে বাংলাদেশে ঢুকছে লক্ষ লক্ষ টাকা। হাওলার মাধ্যমে সেই টাকা পৌঁছচ্ছে চাঁপাই নবাবগঞ্জ এলাকায়। সেখানকার শিবগঞ্জে থাকেন এই সংগঠনের প্রথম আমির তথা সংগঠনের প্রধান। তার হাত হয়েই মুর্শিদাবাদের সীমান্তবর্তী এলাকায় ঢুকছে টাকা। ধুলিয়ান সীমান্ত দিয়েই বাংলাদেশের সন্ত্রাসবাদী দলের সদস্যরা এদেশে পারাপার করছে বলে গোয়েন্দা সূত্রে জানা গিয়েছে। পাঁচটি নতুন নামে আলাদা আলাদা করে নিজেদের শাখা বিস্তার করার জন্য ভারতের সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিকে বেছে নিয়েছে তারা। তাউহিদুল উবুদিহা, তাউহিদুল ইরাডা, তাউহিদুল বস্যাদ, তাউহিদুল তলব ও তাউহিদুল অমল নামে পাঁচটি স্তরে ছড়িয়ে শাখা বিস্তারের কাজ করছে। এই সমস্ত শাখায় নতুন সদস্যদের রিক্রুটমেন্ট এবং তাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থার জন্য সমস্ত আর্থিক সাহায্য আসছে সৌদি আরব থেকে। যা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে সীমান্তবর্তী এলাকায়।
Advertisement
মুর্শিদাবাদের লালগোলা, জলঙ্গি, সূতি ও ধুলিয়ানের বেশকিছু ব্যক্তি এই সংগঠন বিস্তারের কাজে নেমেছে বলে জেনেছেন গোয়েন্দারা। তারা বৈধ কাগজপত্র দিয়েই বাংলাদেশে গিয়ে শিবগঞ্জের আমিরের সঙ্গে দেখা করেছে। চাঁপাই নবাবগঞ্জ এলাকায় ঘুরে বেশকিছু মৌলবাদী নেতার সঙ্গে কথা বলে এদেশে ফিরেছে। বাংলাদেশ থেকে তাদের মারফত টাকা এপারে এসেছে বলেই মনে করছে গোয়েন্দারা। বাংলাদেশের রাজশাহি, গোদাগাড়ি, ঘুঘুডাঙা, শিবগঞ্জ, রানিহাটি, বিদিরপুর ও গোপালপুর এলাকায় এই সংগঠনের গতিবিধি বাড়ছে। এই এলাকা পার করে আন্তর্জাতিক সীমান্ত দিয়ে যেনতেন প্রকারে ভারতে প্রবেশ করার চেষ্টা করছে এই টি ইউ সদস্যরা। এই এলাকাগুলির এপারের ভারতীয় সীমান্ত এলাকায় রয়েছে মালদা ও মুর্শিদাবাদের বেশকিছু খোলা সীমান্ত এলাকা। লালগোলা, রানিতলা, জলঙ্গি, রানিনগর ও সাগরপাড়া এলাকার খোলা জলপথ ও মেঠোপথ দিয়ে জঙ্গি অনুপ্রবেশের চিন্তায় মাথাব্যথা বাড়ছে গোয়েন্দাদের।
নতুন জঙ্গি সংগঠনের বিস্তারের খবর পেয়েই সীমান্ত এলাকায় বিএসএফের গোয়েন্দা বিভাগের পাশাপাশি সক্রিয় হয়েছে কেন্দ্রীয় ও রাজ্যের গোয়েন্দা সংস্থাগুলি। মিলিটারি গোয়েন্দা বিভাগের কর্মীরাও নজর রাখছে। এক গোয়েন্দা আধিকারিক বলেন, টি ইউ ক্রমশ সংগঠন বিস্তার করার চেষ্টা করছে। সন্ত্রাসবাদী সংগঠনটি প্রাথমিকভাবে অর্থ যোগানের জন্য গল্ফ কান্ট্রিগুলির বেশকিছু ব্যক্তির সঙ্গে তারা দেখা করেছে। সবকটি বৈঠক সফল না হলেও, সৌদি আরবের এক ব্যক্তির কাছ থেকে প্রথম ফান্ডিং এসেছে।
নতুন জঙ্গি সংগঠনের বিস্তারের খবর পেয়েই সীমান্ত এলাকায় বিএসএফের গোয়েন্দা বিভাগের পাশাপাশি সক্রিয় হয়েছে কেন্দ্রীয় ও রাজ্যের গোয়েন্দা সংস্থাগুলি। মিলিটারি গোয়েন্দা বিভাগের কর্মীরাও নজর রাখছে। এক গোয়েন্দা আধিকারিক বলেন, টি ইউ ক্রমশ সংগঠন বিস্তার করার চেষ্টা করছে। সন্ত্রাসবাদী সংগঠনটি প্রাথমিকভাবে অর্থ যোগানের জন্য গল্ফ কান্ট্রিগুলির বেশকিছু ব্যক্তির সঙ্গে তারা দেখা করেছে। সবকটি বৈঠক সফল না হলেও, সৌদি আরবের এক ব্যক্তির কাছ থেকে প্রথম ফান্ডিং এসেছে।



