সংবাদদাতা, তেহট্ট: ভারতীয় ভূখণ্ড থেকে জমির ফসল কেটে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে বাংলাদেশি দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। সুযোগ বুঝে তারা রাতের অন্ধকারে গোখাদ্য হিসাবে এই ফসলগুলি কেটে নিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ এপারের চাষিদের। কয়েকদিন ধরে ঘটনাটি ঘটছে তেহট্ট থানার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের সাহাপুর এলাকায়। তাই চাষিরা বিএসএফের শরণাপন্ন। ঘটনার কথা জানতে পেরে অতিরিক্ত নজরদারি বাড়িয়েছে বিএসএফ।
Advertisement
স্থানীয় চাষিদের থেকে জানা যায়, বাংলাদেশে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি শুরু হতেই জমির গম, সরিষা সহ অন্যান্য ফসল রাতের অন্ধকারে পশুখাদ্য হিসেবে কেটে নিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশি দুষ্কৃতীরা। বহু ক্ষেত্রে দিনের বেলাতেও জমির ফসল কেটে নিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশি দুষ্কৃতীরা। এপারের চাষিরা তা দেখতে পেলেও দূরে দাঁড়িয়ে দেখা ছাড়া কিছুই করার থাকছে না।
আরও কয়েকজন চাষির কথায় কাঁটাতারের বেড়া থাকার কারণে আমরা যেমন নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে রয়েছি, তেমনি কাঁটাতারের ভিতরে জমিতে যেতে হলে অনেক বিধি নিষেধ মেনে নির্দিষ্ট সময় যাতায়াত করতে হয়। কিন্তু বাংলাদেশিদের এই সমস্ত এলাকায় রয়েছে অবাধ যাতায়াত। ওরা মনে করলে যে কোনও সময় জমির ফসল কেটে নিয়ে যেতে পারে। বিনা বাধায় সেই দুষ্কর্ম করে পালিয়ে যাচ্ছে। ওদের সঙ্গে মোকাবিলা করতে হলে আমাদের বিএসএফের নজরদারি ভেতর দিয়ে গেট পেরিয়ে আসতে হয়। পরিচয় পত্র জমা দিয়ে ভিতরে ঢুকলেই নির্দিষ্ট সময়ে গেট বন্ধ হয়ে যায়, আবার নির্দিষ্ট সময়ে গেট খুললে আমাদের বাইরে আসতে হয়। এই গেট বন্ধের সময়কালে যদি কোনও অঘটন ঘটে আমরা আর বেরিয়ে আসতে পারব না, যে কারণে ওই সমস্ত দুষ্কৃতীর সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডায় জড়াতে চাই না। আমাদের কোনও সমস্যা হলে বিএসএফকে জানাই, যা পদক্ষেপ নেবার তারাই নেয়। এবারও আমাদের জমির ফসল কেটে নিয়ে যাওয়ায় সাহাপুর বিএসএফ ক্যাম্পের আধিকারিকদের জানানো হয়েছে।
এক চাষি জানান, তাদের জমির পাশের জমি থেকে গম, সরিষা বাংলাদেশি দুষ্কৃতীরা কেটে নিয়ে গেছে। সমস্ত ঘটনা চাষিদের পক্ষ থেকে বিএসএফকে জানানো হয়েছে। বিএসএফ জানিয়েছে, বিজিবির সঙ্গে ফ্ল্যাগ মিটিং করে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এক বিএসএফ আধিকারিকের কথায়, কাঁটাতারের ভিতর বাহিরে দুই দিকেই পর্যাপ্ত পরিমাণে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। কাঁটাতারের ভিতর যে সমস্ত চাষি চাষের কাজে যান, তাঁদের ১০০ শতাংশ নিরাপত্তা দেওয়া আমাদের কর্তব্য। নাইট ভিশন ক্যামেরা এবং উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে নজরদারি চালানো হচ্ছে। আমাদের নিরাপত্তা বেষ্টনী ভেদ করে একটা মাছিও গলতে পারবে না।
আরও কয়েকজন চাষির কথায় কাঁটাতারের বেড়া থাকার কারণে আমরা যেমন নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে রয়েছি, তেমনি কাঁটাতারের ভিতরে জমিতে যেতে হলে অনেক বিধি নিষেধ মেনে নির্দিষ্ট সময় যাতায়াত করতে হয়। কিন্তু বাংলাদেশিদের এই সমস্ত এলাকায় রয়েছে অবাধ যাতায়াত। ওরা মনে করলে যে কোনও সময় জমির ফসল কেটে নিয়ে যেতে পারে। বিনা বাধায় সেই দুষ্কর্ম করে পালিয়ে যাচ্ছে। ওদের সঙ্গে মোকাবিলা করতে হলে আমাদের বিএসএফের নজরদারি ভেতর দিয়ে গেট পেরিয়ে আসতে হয়। পরিচয় পত্র জমা দিয়ে ভিতরে ঢুকলেই নির্দিষ্ট সময়ে গেট বন্ধ হয়ে যায়, আবার নির্দিষ্ট সময়ে গেট খুললে আমাদের বাইরে আসতে হয়। এই গেট বন্ধের সময়কালে যদি কোনও অঘটন ঘটে আমরা আর বেরিয়ে আসতে পারব না, যে কারণে ওই সমস্ত দুষ্কৃতীর সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডায় জড়াতে চাই না। আমাদের কোনও সমস্যা হলে বিএসএফকে জানাই, যা পদক্ষেপ নেবার তারাই নেয়। এবারও আমাদের জমির ফসল কেটে নিয়ে যাওয়ায় সাহাপুর বিএসএফ ক্যাম্পের আধিকারিকদের জানানো হয়েছে।
এক চাষি জানান, তাদের জমির পাশের জমি থেকে গম, সরিষা বাংলাদেশি দুষ্কৃতীরা কেটে নিয়ে গেছে। সমস্ত ঘটনা চাষিদের পক্ষ থেকে বিএসএফকে জানানো হয়েছে। বিএসএফ জানিয়েছে, বিজিবির সঙ্গে ফ্ল্যাগ মিটিং করে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এক বিএসএফ আধিকারিকের কথায়, কাঁটাতারের ভিতর বাহিরে দুই দিকেই পর্যাপ্ত পরিমাণে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। কাঁটাতারের ভিতর যে সমস্ত চাষি চাষের কাজে যান, তাঁদের ১০০ শতাংশ নিরাপত্তা দেওয়া আমাদের কর্তব্য। নাইট ভিশন ক্যামেরা এবং উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে নজরদারি চালানো হচ্ছে। আমাদের নিরাপত্তা বেষ্টনী ভেদ করে একটা মাছিও গলতে পারবে না।



