সংবাদদাতা বেলদা: বেলদায় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে মিড-ডে মিলের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। ৬ জানুয়ারি প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বেলদা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন নারায়ণগড়ের বিডিও। তারপর থেকেই অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক পলাতক। বৃহস্পতিবার বেলদা থানার পুলিস ঘটনার তদন্ত করতে স্কুলে যায়।
Advertisement
বেলদা জানকী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের জুন মাস পর্যন্ত একাধিক অভিযোগ উঠেছে। যার মধ্যে অন্যতম মিড-ডে মিলের আর্থিক অসঙ্গতি। সূত্রের খবর, এই অসঙ্গতির তদন্তে নেমে প্রশাসন জানতে পারে, ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের মার্চ অবধি বিদ্যালয়ে পড়ুয়াদের ১০০ শতাংশ উপস্থিতি অনুসারে মিড-ডে মিলের অ্যাকাউন্টে ২ লক্ষ ৬৪হাজার ৫ টাকা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ওই সময় বিদ্যালয়ে ২৯ হাজার ৯৫৩টি মিড ডে মিলের বিল হয়। সরকারি পোর্টালের তথ্য অনুযায়ী, এই সংখ্যক পড়ুয়াদের খাওয়াতে ১ লক্ষ ৬৩হাজার ২৪৪ টাকা খরচ হওয়া উচিত। কিন্তু ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তরুণ বন্দ্যোপাধ্যায় ১ লক্ষ ৭৬১ টাকা বেশি তুলে নিয়েছেন বলে অভিযোগ। বিষয়টি জানার পর জুলাই মাসে নারায়ণগড়ের বিডিও তাঁকে কারণ দর্শানোর নোটিস দেন।
বিডিও কৌশিক প্রামাণিক বলেন, ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে মিড-ডে মিলের অ্যাকাউন্ট থেকে অতিরিক্ত টাকা তুলে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। তদন্তে আরও অসঙ্গতি ধরা পড়ে। তাঁকে দু’দুবার কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়া হয়েছিল। সঠিক উত্তর না পাওয়ায় বিষয়টি জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদকে জানানো হয়। চেয়ারম্যানের অনুমতিক্রমে ওই প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বেলদা থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের খোঁজে জানকী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও তাঁর বাসভবনে গিয়েছিল বেলদা থানার পুলিস। কিন্তু কোথাও তাঁর হদিস পাওয়া যায়নি।সূত্রের খবর, জুলাই মাসে প্রশাসনের শোকজ নোটিসের জবাবে তিনি জানিয়েছিলেন, মিড-ডে মিল প্রকল্পে পড়ুয়া প্রতি যে পরিমাণ টাকা বরাদ্দ থাকে, তাতে ঠিকমতো খাওয়ানো সম্ভব নয়। পড়ুয়াদের সঠিকভাবে মিড-ডে মিল খাওয়াতে তিনি এই অতিরিক্ত টাকা খরচ করে ফেলেছেন। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের চেয়ারম্যান অনিমেষ দে বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার মিড-ডে মিলের জন্য যে টাকা বরাদ্দ করেছে, তা পর্যাপ্ত নয়। মুখ্যমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী বরাদ্দ বাড়ানোর জন্য কেন্দ্রের কাছে দাবি জানিয়েছেন। কিন্তু কোনও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিয়মের বাইরে গিয়ে সরকারি টাকা খরচ করতে পারেন না। যদি তিনি এরকম করে থাকেন, তবে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিডিও কৌশিক প্রামাণিক বলেন, ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে মিড-ডে মিলের অ্যাকাউন্ট থেকে অতিরিক্ত টাকা তুলে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। তদন্তে আরও অসঙ্গতি ধরা পড়ে। তাঁকে দু’দুবার কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়া হয়েছিল। সঠিক উত্তর না পাওয়ায় বিষয়টি জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদকে জানানো হয়। চেয়ারম্যানের অনুমতিক্রমে ওই প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বেলদা থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের খোঁজে জানকী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও তাঁর বাসভবনে গিয়েছিল বেলদা থানার পুলিস। কিন্তু কোথাও তাঁর হদিস পাওয়া যায়নি।সূত্রের খবর, জুলাই মাসে প্রশাসনের শোকজ নোটিসের জবাবে তিনি জানিয়েছিলেন, মিড-ডে মিল প্রকল্পে পড়ুয়া প্রতি যে পরিমাণ টাকা বরাদ্দ থাকে, তাতে ঠিকমতো খাওয়ানো সম্ভব নয়। পড়ুয়াদের সঠিকভাবে মিড-ডে মিল খাওয়াতে তিনি এই অতিরিক্ত টাকা খরচ করে ফেলেছেন। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের চেয়ারম্যান অনিমেষ দে বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার মিড-ডে মিলের জন্য যে টাকা বরাদ্দ করেছে, তা পর্যাপ্ত নয়। মুখ্যমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী বরাদ্দ বাড়ানোর জন্য কেন্দ্রের কাছে দাবি জানিয়েছেন। কিন্তু কোনও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিয়মের বাইরে গিয়ে সরকারি টাকা খরচ করতে পারেন না। যদি তিনি এরকম করে থাকেন, তবে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



