সংবাদদাতা, বহরমপুর: কালী, জগদ্ধাত্রী পুজো মিটতেই বেলডাঙাবাসী মজেছেন কার্তিক পুজোয়। বেলডাঙা সহ জেলার লক্ষ লক্ষ মানুষ কার্তিকের লড়াই দেখার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন। জোর কদমে চলছে কার্তিক লড়াইয়ের প্রস্তুতি। পুজোর পর কার্তিক লড়াইয়ে প্রায় দুই শতাধিক প্রতিমা রাস্তায় নামে। তবে কার্তিক লড়াই মানে শুধু শোভাযাত্রায় কার্তিক থাকে না। বিভিন্ন নামের কার্তিকের পাশাপাশি শিব, লক্ষ্মী, গণেশ, ভৈরব, বজরঙবলি, বিশ্বকর্মা, কমলে কামিনীও সেই শোভাযাত্রায় অংশ নেয়। কার্তিক লড়াই দেখতে রাস্তার দু’ধার, বাড়ির বারান্দা, ছাদে মানুষের ঢল নামে। উদ্যোক্তাদের পাশাপাশি কার্তিক লড়াইয়ের প্রস্তুতিতে ময়দানে ঝাঁপিয়েছে পুলিস ও বেলডাঙা পুর কর্তৃপক্ষ।
Advertisement
ইতিহাস বিশেষজ্ঞদের মতে, চুঁচুড়ার সোম বংশের বলভদ্র সোম কার্তিক পুজোর প্রবর্তক। ১৭৮০ বঙ্গাব্দে সোম পরিবারে প্রথম কার্তিক পুজো হয়। তারপর হুগলি, বাঁশবেড়িয়া হয়ে কাটোয়ায় ঐতিহ্যবাহী কার্তিক লড়াই হিসাবে বাংলায় খ্যাতি অর্জন করে। উনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগ থেকে বিংশ শতাব্দীর প্রথম ভাগে বেলডাঙায় হাতি কার্তিক দিয়েই কার্তিক পুজোর সূচনা হয়। ছুতোর পাড়ার এই কার্তিক ময়ুরে নয় হাতির পিঠে অধিষ্ঠিত। তারপর একের পর এক বাবু কার্তিক, হোড় বংশীয়দের রাজ কার্তিকের পুজো শুরু হয়। কাটোয়ার আদলে বেলডাঙার কার্তিক লড়াই শতাব্দী প্রাচীন বলেই স্থানীয় মানুষের দাবি।
কার্তিকের সঙ্গে বিভিন্ন পদে দেবীর বিসর্জনের শোভাযাত্রাই হল কার্তিক লড়াই। শোভাযাত্রায় কোন প্রতিমা কাকে পিছনে ফেলে এগিয়ে গেল, তা দেখতে বেলডাঙায় লক্ষ লক্ষ মানুষের ঢল নামে। প্রতিমার উচ্চতায় আকর্ষণ আনেন উদ্যোক্তারা। বুড়ো শিব, সিক্স প্যাক সহ বিভিন্ন আদলের ভৈরব, বজরঙবলির মতো প্রতিমা ১৫-২০ ফুট উচ্চতার হয়। নেতাজি পার্কের কমলে কামিনী, তাঁতিপাড়ার সরস্বতী, স্টেশন রোডের ভয়ঙ্করী বড়মা, হাঁড়িপাড়ার ‘পারলে আটকে নে’ নামের বিশ্বকর্মা শোভাযাত্রার অন্যতম আকর্ষণ। নেতাজি পার্কের কমলে কামিনী পুজোর উদ্যোক্তা সুনীত দে বলেন, দুর্গাপুজোর পর থেকেই কার্তিক পুজোর তোড়জোড় শুরু হয়ে যায়। দুর্গাপুজোর চাঁদার টাকাতেই আমরা কার্তিক পুজোয় কমলে কামিনীর মূর্তি দিয়ে শোভাযাত্রায় অংশ নিই। জেলা এবং জেলার বাইরের লক্ষ লক্ষ মানুষ কার্তিক লড়াই দেখতে অধীর আগ্রহে সারাবছর অপেক্ষা করে থাকেন।
এবার ১৬ নভেম্বর হচ্ছে কার্তিক পুজো। মূল আকর্ষণ পরদিন ১৭ নভেম্বর। সেদিন সকাল ৯টা থেকে উচ্চতায় ছোট প্রতিমাগুলি পথে নামতে শুরু করে। ‘ল্যাংটা কার্তিক’ দিয়ে শোভাযাত্রার সূচনা হয়। বেলা যত গড়ায়, প্রতিমার উচ্চতাও তত বাড়তে থাকে। তাঁতিপাড়ার বুড়ো শিবের উচ্চতা ২৫ ফুট ছাড়িয়ে যায়। রাত ১২টা পর্যন্ত শোভাযাত্রার উল্লাস আর আলোর বন্যায় ভাসে বেলডাঙা। ১২টার পর এক এক করে প্রতিমা নিরঞ্জন করা হয় পুলিস ও প্রশাসনের কড়া প্রহরায়। বেলডাঙা পুরসভার চেয়ারম্যান অনুরাধা হাজরা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, কার্তিক লড়াই বেলডাঙার ঐতিহ্য। উত্তরোত্তর এর শোভা আর আকর্ষণ বাড়ছে। তাই নিরাপত্তার দিকে নজর থাকে আমাদের।
কার্তিকের সঙ্গে বিভিন্ন পদে দেবীর বিসর্জনের শোভাযাত্রাই হল কার্তিক লড়াই। শোভাযাত্রায় কোন প্রতিমা কাকে পিছনে ফেলে এগিয়ে গেল, তা দেখতে বেলডাঙায় লক্ষ লক্ষ মানুষের ঢল নামে। প্রতিমার উচ্চতায় আকর্ষণ আনেন উদ্যোক্তারা। বুড়ো শিব, সিক্স প্যাক সহ বিভিন্ন আদলের ভৈরব, বজরঙবলির মতো প্রতিমা ১৫-২০ ফুট উচ্চতার হয়। নেতাজি পার্কের কমলে কামিনী, তাঁতিপাড়ার সরস্বতী, স্টেশন রোডের ভয়ঙ্করী বড়মা, হাঁড়িপাড়ার ‘পারলে আটকে নে’ নামের বিশ্বকর্মা শোভাযাত্রার অন্যতম আকর্ষণ। নেতাজি পার্কের কমলে কামিনী পুজোর উদ্যোক্তা সুনীত দে বলেন, দুর্গাপুজোর পর থেকেই কার্তিক পুজোর তোড়জোড় শুরু হয়ে যায়। দুর্গাপুজোর চাঁদার টাকাতেই আমরা কার্তিক পুজোয় কমলে কামিনীর মূর্তি দিয়ে শোভাযাত্রায় অংশ নিই। জেলা এবং জেলার বাইরের লক্ষ লক্ষ মানুষ কার্তিক লড়াই দেখতে অধীর আগ্রহে সারাবছর অপেক্ষা করে থাকেন।
এবার ১৬ নভেম্বর হচ্ছে কার্তিক পুজো। মূল আকর্ষণ পরদিন ১৭ নভেম্বর। সেদিন সকাল ৯টা থেকে উচ্চতায় ছোট প্রতিমাগুলি পথে নামতে শুরু করে। ‘ল্যাংটা কার্তিক’ দিয়ে শোভাযাত্রার সূচনা হয়। বেলা যত গড়ায়, প্রতিমার উচ্চতাও তত বাড়তে থাকে। তাঁতিপাড়ার বুড়ো শিবের উচ্চতা ২৫ ফুট ছাড়িয়ে যায়। রাত ১২টা পর্যন্ত শোভাযাত্রার উল্লাস আর আলোর বন্যায় ভাসে বেলডাঙা। ১২টার পর এক এক করে প্রতিমা নিরঞ্জন করা হয় পুলিস ও প্রশাসনের কড়া প্রহরায়। বেলডাঙা পুরসভার চেয়ারম্যান অনুরাধা হাজরা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, কার্তিক লড়াই বেলডাঙার ঐতিহ্য। উত্তরোত্তর এর শোভা আর আকর্ষণ বাড়ছে। তাই নিরাপত্তার দিকে নজর থাকে আমাদের।



