নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: তাহলে কি সর্ষের মধ্যেই ভূত? সম্প্রতি নদীয়া-মুর্শিদাবাদ জেলা থেকে বিপুল পরিমাণ চোরাই কাঠ বাজেয়াপ্ত হওয়ার পর এমনই প্রশ্ন উঠেছে। বেশ কয়েকসপ্তাহ ধরেই বনদপ্তরের নাকের ডগায় দামি গাছ চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে ‘বেলডাঙা গ্যাং’। মুর্শিদাবাদ থেকে পরিচালনা করা হচ্ছে এই অপরাধচক্র। বিশ্বস্ত সূত্রের খবর, ঝড়ে পড়ে যাওয়া গাছ বনদপ্তর নিলামে তোলার আগেই তার কিছু গুঁড়ি সরিয়ে পাচার হয়ে যাচ্ছে। কীভাবে এটা সম্ভব হচ্ছে-সেই প্রশ্ন উঠেছে।
Advertisement
নদীয়া জেলার বহু মূল্যবান গাছ মুর্শিদাবাদ জেলায় পাচার করা হচ্ছে। তারপর সেই গাছের গুঁড়ি ওই জেলার নানা শ মিলে পৌঁছে যাচ্ছে। সেখানে ওই কাঠ দিয়ে আসবাবপত্র তৈরি হচ্ছে। বিষয়টি সামনে আসতেই জেলাজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
গত কয়েক সপ্তাহে নদীয়া ও মুর্শিদাবাদ জেলা থেকে ২০০০ সিএফটি চোরাই কাঠ বাজেয়াপ্ত করেছে বনদপ্তর। যার মধ্যে ২০০সিফটির বেশি চোরাই কাঠ নদীয়া জেলার বেথুয়াডহরি লাগোয়া ধুবুলিয়া থানার সিংহাটি মোড়ের কাছ থেকে বাজেয়াপ্ত হয়েছে। বাকিটা মুর্শিদাবাদ জেলার বেলডাঙা থেকে বাজেয়াপ্ত করা হয়। সেগুলি রানাঘাটের শঙ্করপুর বনাঞ্চলের গাছ। অর্জুন, সেগুন, খয়রা, বাবলা সহ বিভিন্ন দামি গাছ বাজেয়াপ্ত হয়েছিল। খাতায়-কলমে যার বাজারমূল্য ৬০ লক্ষ টাকার বেশি। ২১ ফেব্রুয়ারি নাকাশিপাড়ার বেথুয়াডহরি ফরেস্ট লাগোয়া চকগোবিন্দপুর থেকে আরও ৭০ সিএফটি চোরাই কাঠ বাজেয়াপ্ত করেছে বনদপ্তর। নাকাশিপাড়া কাষ্ঠ ব্যবসায়ী সমিতির সদস্যরাই বনদপ্তরকে এই চোরাই কাঠের হদিশ দেন। দেখা যায়, বাজেয়াপ্ত হওয়া চোরাই কাঠ রানাঘাটের শঙ্করপুর বনাঞ্চল থেকে আনা হয়েছিল।
জানা গিয়েছে, চোরাকারবারিরা শঙ্করপুর বনাঞ্চল থেকে গাছ কেটে বেথুয়াডহরি সহ বিভিন্ন ফাঁকা এলাকায় জড়ো করে। তারপর সুযোগ বুঝে তা রাতের অন্ধকারে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় নিয়ে যাওয়া হয়।
বনদপ্তরের বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছে, বিভিন্ন বনাঞ্চলে ঝড়ে কিংবা প্রাকৃতিক দুর্যোগে অনেক গাছ পড়ে যায়। নিয়ম অনুযায়ী, সেই গাছ সরকারের তরফে নিলামে তোলার কথা। সেজন্য ঝড়ে পড়ে যাওয়া গাছ বেশ কিছু টুকরোয় ভাগ করা হয়। নিলামে যে ব্যক্তি সবচেয়ে বেশি দাম দেয়, তাঁকেই কাঠ দেওয়া হয়। এক আধিকারিক বলেন, ‘নিলামে ওঠার আগেই গাছের কিছু গুঁড়ি সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তারপর তা লরিতে করে পাচার করে দেওয়া হচ্ছে।’
কিন্তু প্রত্যেক বনাঞ্চলের দায়িত্বে নির্দিষ্ট আধিকারিক ও বনকর্মীরা থাকে। তাঁদের চোখের সামনে সরকারের নিলামে ওঠা কাঠ কীভাবে পাচার হচ্ছে? প্রশ্ন উঠছে বনদপ্তরের সদিচ্ছা নিয়ে। যদিও বনদপ্তর মনে করছে, বিপুল পরিমাণ চোরাই কাঠ বাজেয়াপ্ত করে বেলডাঙা গ্যাংকে বড় ধাক্কা দেওয়া গিয়েছে।
গত কয়েক সপ্তাহে নদীয়া ও মুর্শিদাবাদ জেলা থেকে ২০০০ সিএফটি চোরাই কাঠ বাজেয়াপ্ত করেছে বনদপ্তর। যার মধ্যে ২০০সিফটির বেশি চোরাই কাঠ নদীয়া জেলার বেথুয়াডহরি লাগোয়া ধুবুলিয়া থানার সিংহাটি মোড়ের কাছ থেকে বাজেয়াপ্ত হয়েছে। বাকিটা মুর্শিদাবাদ জেলার বেলডাঙা থেকে বাজেয়াপ্ত করা হয়। সেগুলি রানাঘাটের শঙ্করপুর বনাঞ্চলের গাছ। অর্জুন, সেগুন, খয়রা, বাবলা সহ বিভিন্ন দামি গাছ বাজেয়াপ্ত হয়েছিল। খাতায়-কলমে যার বাজারমূল্য ৬০ লক্ষ টাকার বেশি। ২১ ফেব্রুয়ারি নাকাশিপাড়ার বেথুয়াডহরি ফরেস্ট লাগোয়া চকগোবিন্দপুর থেকে আরও ৭০ সিএফটি চোরাই কাঠ বাজেয়াপ্ত করেছে বনদপ্তর। নাকাশিপাড়া কাষ্ঠ ব্যবসায়ী সমিতির সদস্যরাই বনদপ্তরকে এই চোরাই কাঠের হদিশ দেন। দেখা যায়, বাজেয়াপ্ত হওয়া চোরাই কাঠ রানাঘাটের শঙ্করপুর বনাঞ্চল থেকে আনা হয়েছিল।
জানা গিয়েছে, চোরাকারবারিরা শঙ্করপুর বনাঞ্চল থেকে গাছ কেটে বেথুয়াডহরি সহ বিভিন্ন ফাঁকা এলাকায় জড়ো করে। তারপর সুযোগ বুঝে তা রাতের অন্ধকারে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় নিয়ে যাওয়া হয়।
বনদপ্তরের বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছে, বিভিন্ন বনাঞ্চলে ঝড়ে কিংবা প্রাকৃতিক দুর্যোগে অনেক গাছ পড়ে যায়। নিয়ম অনুযায়ী, সেই গাছ সরকারের তরফে নিলামে তোলার কথা। সেজন্য ঝড়ে পড়ে যাওয়া গাছ বেশ কিছু টুকরোয় ভাগ করা হয়। নিলামে যে ব্যক্তি সবচেয়ে বেশি দাম দেয়, তাঁকেই কাঠ দেওয়া হয়। এক আধিকারিক বলেন, ‘নিলামে ওঠার আগেই গাছের কিছু গুঁড়ি সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তারপর তা লরিতে করে পাচার করে দেওয়া হচ্ছে।’
কিন্তু প্রত্যেক বনাঞ্চলের দায়িত্বে নির্দিষ্ট আধিকারিক ও বনকর্মীরা থাকে। তাঁদের চোখের সামনে সরকারের নিলামে ওঠা কাঠ কীভাবে পাচার হচ্ছে? প্রশ্ন উঠছে বনদপ্তরের সদিচ্ছা নিয়ে। যদিও বনদপ্তর মনে করছে, বিপুল পরিমাণ চোরাই কাঠ বাজেয়াপ্ত করে বেলডাঙা গ্যাংকে বড় ধাক্কা দেওয়া গিয়েছে।



