সংবাদদাতা, বহরমপুর: ঘর থেকে এক ব্যক্তির পচাগলা দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল বেলডাঙায়। বেলডাঙার বুড়িমাতলা এলাকায় বুধবার সকালে পচা গন্ধ ছড়ানোয় প্রতিবেশীরা পুলিসে খবর দেন। বেলডাঙা থানার পুলিস এসে পচাগলা দেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়। মেঝেয় পড়েছিল মৃতদেহ। মাথার নীচে চাপ চাপ রক্ত লেগেছিল। মৃতের নাম সমরেন্দ্র দাস (৪৭)। কালীপুজোর দিন থেকে বাড়িতে একা ছিলেন। পুলিসের অনুমান খাট থেকে পড়ে গিয়েই মৃত্যু হয়েছে। অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করা হয়েছে।
Advertisement
মৃতের পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, সমরেন্দ্রবাবুর দুই মেয়ের বিয়ে হয়ে গিয়েছে। স্বামী স্ত্রী থাকতেন। সম্প্রতি কোন কাজ করতেন না তিনি। প্রায় সারাদিন মদের নেশায় চুর হয়ে থাকতেন। এই নিয়ে পরিবারে অশান্তি লেগেই ছিল। মৃতের স্ত্রী কাকলি দাস বলেন, আমার সঙ্গে অশান্তি হওয়ায় কালীপুজোর দিন আমি বেলডাঙাতেই বাপের বাড়ি চলে যাই। ওর মোবাইল রিচার্জ না করায় আমার সঙ্গে কথা হয়নি। কেউ যোগাযোগও করতে পারেনি।
সেদিন থেকেই বাড়িতে একলা থাকতেন সমরেন্দ্রবাবু। গত শনিবার বিকেলে তাঁকে প্রতিবেশী এক মহিলা শেষ দেখেছেন। তখন তিনি মদ্যপ অবস্থাতেই ছিলেন। পরিবার ও প্রতিবেশীদের অনুমান, সেদিনই মদের নেশায় খাট থেকে পড়ে গিয়েই মৃত্যু হয়েছে। মোবাইল রিচার্জ না করায় ফোনেও যোগাযোগ হয়নি। মৃতের দাদা রাজেন্দ্র দাস বলেন, আমরা কাউকে সন্দেহ করছি না। মদের নেশায় উঁচু খাট থেকে পড়েই দাদার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। মাথার পিছনে ক্ষতস্থানের চিহ্ন রয়েছে।
সেদিন থেকেই বাড়িতে একলা থাকতেন সমরেন্দ্রবাবু। গত শনিবার বিকেলে তাঁকে প্রতিবেশী এক মহিলা শেষ দেখেছেন। তখন তিনি মদ্যপ অবস্থাতেই ছিলেন। পরিবার ও প্রতিবেশীদের অনুমান, সেদিনই মদের নেশায় খাট থেকে পড়ে গিয়েই মৃত্যু হয়েছে। মোবাইল রিচার্জ না করায় ফোনেও যোগাযোগ হয়নি। মৃতের দাদা রাজেন্দ্র দাস বলেন, আমরা কাউকে সন্দেহ করছি না। মদের নেশায় উঁচু খাট থেকে পড়েই দাদার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। মাথার পিছনে ক্ষতস্থানের চিহ্ন রয়েছে।



