সংবাদদাতা, বহরমপুর: পরপর দুই কন্যা সন্তানের জন্ম দেওয়ায় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়ে আত্মঘাতী হলেন এক গৃহবধূ। সোমবার সকালে বাপের বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী হন ওই গৃহবধূ। ঘটনায় স্বামী, শ্বশুর, শাশুড়ির বিরুদ্ধে আত্মহত্যার প্ররোচনা সহ শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ তুলেছেন মৃতের পরিবার। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তরা পলাতক বলে জানা গিয়েছে। মৃতের নাম বীথিকা মণ্ডল(৩৪)। বাড়ি বেলডাঙা থানার কুমারপুর স্কুলপাড়ায়। বাপের বাড়ি বেলডাঙা থানার সারগাছিতে আত্মঘাতী হয়েছেন। বেলডাঙা থানার পুলিস জানিয়েছে, অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে মৃতদেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।
Advertisement
বছর চোদ্দ আগে বীথিকাদেবীর সঙ্গে কুমারপুরের বাসিন্দা পেশায় কৃষিজীবী পরাণ মণ্ডলের বিয়ে হয়। পরিবারের অভিযোগ, প্রথম কন্যা সন্তানের জন্মের পর থেকেই শারীরিক নির্যাতন শুরু হয়। দ্বিতীয় কন্যা সন্তানের জন্মের পর নির্যাতনের মাত্রা বেড়ে যায়। স্ত্রী পরকীয়ায় জড়িত বলে পরাণ মণ্ডল সন্দেহ করতে শুরু করেন বলে পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে।
গত শনিবার রাতে একটি ভিডিও কল নিয়ে দাম্পত্য কলহ শুরু হয়। মৃতের মা প্রতিমা রায় বলেন, শনিবার রাতে মেয়েকে প্রচুর মারধর করে। জানতে পেরে আমরা রাত ১টা নাগাদ মেয়ে ও বড় নাতনিকে নিয়ে চলে আসি। মেয়ে নাতনির সঙ্গে আমি শুতাম। সোমবার ভোর ৫টা নাগাদ প্রতিমাদেবী বাথরুমে যান। সেই সময় বীথিকা মণ্ডল মেয়ের মাথায় হাত বুলিয়ে আদর করেন। কপালে চুমু খেয়ে বলেন, ভালো থাকিস। এরপর ছাদে গিয়ে গলায় ফাঁস দেন। প্রতিবেশী এক মহিলা ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়েই বাড়িতে এসে বলেন।
মৃতের অষ্টম শ্রেণিতে পাঠরতা মেয়ে তৃষা মণ্ডল বলে, বাবা মায়ের সঙ্গে আমাকে বোনকে খুব মারধর করত। একবার আমার গলায় পা দিয়ে মারার চেষ্টা করেছিল। ঘটনার পর সোমবার সকালে বেলডাঙা থানায় তিনজনের নামে লিখিত অভিযোগ করেন মৃতের বাবা গয়ানাথ রায়। গয়ানাথবাবু বলেন, দুই কন্যাসন্তানের জন্ম দেওয়ার পর থেকে মেয়ে চরম অত্যাচার সহ্য করে বেঁচেছিল। চার পাঁচ বার মেয়েকে নিয়ে চলে এসেছিলাম। আমরা ওই তিনজনের কঠোর শাস্তি চাই। পরাণ মণ্ডলের কাকা সাক্ষীগোপাল মণ্ডল বলেন, বউমা পরকীয়ায় জড়িয়েছিল। রোজ রাতে ভিডিও কল করত। ভাইপো বাধা দিয়ে সরে আসতে বলায় অশান্তির সূত্রপাত।
গত শনিবার রাতে একটি ভিডিও কল নিয়ে দাম্পত্য কলহ শুরু হয়। মৃতের মা প্রতিমা রায় বলেন, শনিবার রাতে মেয়েকে প্রচুর মারধর করে। জানতে পেরে আমরা রাত ১টা নাগাদ মেয়ে ও বড় নাতনিকে নিয়ে চলে আসি। মেয়ে নাতনির সঙ্গে আমি শুতাম। সোমবার ভোর ৫টা নাগাদ প্রতিমাদেবী বাথরুমে যান। সেই সময় বীথিকা মণ্ডল মেয়ের মাথায় হাত বুলিয়ে আদর করেন। কপালে চুমু খেয়ে বলেন, ভালো থাকিস। এরপর ছাদে গিয়ে গলায় ফাঁস দেন। প্রতিবেশী এক মহিলা ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়েই বাড়িতে এসে বলেন।
মৃতের অষ্টম শ্রেণিতে পাঠরতা মেয়ে তৃষা মণ্ডল বলে, বাবা মায়ের সঙ্গে আমাকে বোনকে খুব মারধর করত। একবার আমার গলায় পা দিয়ে মারার চেষ্টা করেছিল। ঘটনার পর সোমবার সকালে বেলডাঙা থানায় তিনজনের নামে লিখিত অভিযোগ করেন মৃতের বাবা গয়ানাথ রায়। গয়ানাথবাবু বলেন, দুই কন্যাসন্তানের জন্ম দেওয়ার পর থেকে মেয়ে চরম অত্যাচার সহ্য করে বেঁচেছিল। চার পাঁচ বার মেয়েকে নিয়ে চলে এসেছিলাম। আমরা ওই তিনজনের কঠোর শাস্তি চাই। পরাণ মণ্ডলের কাকা সাক্ষীগোপাল মণ্ডল বলেন, বউমা পরকীয়ায় জড়িয়েছিল। রোজ রাতে ভিডিও কল করত। ভাইপো বাধা দিয়ে সরে আসতে বলায় অশান্তির সূত্রপাত।



