সংবাদদাতা, বহরমপুর: আজ, রবিবার কড়া পুলিসি নিরাপত্তায় শুরু হচ্ছে বেলডাঙার প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী কার্তিক লড়াই। নিরাপত্তা সুরক্ষিত রাখতে প্রায় এক হাজার পুলিস কর্মী মোতায়েন করা হচ্ছে। সঙ্গে থাকছে প্রচুর সিভিক ভলান্টিয়ারও। বিশেষ করে মহিলাদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে প্রচুর সাদা পোশাকের মহিলা পুলিসও নজরদারি চালাবে বলে পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে।। একইসঙ্গে বেলডাঙা থানার পুলিস বিশেষ কন্ট্রোল রুম খুলে সিসিটিভিতে পুরো পরিস্থিতির উপর নজর রাখবে। বেলডাঙা থানার আইসি জামাল মণ্ডল বলেন, কোনওরকম অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই পুজো সম্পন্ন হয়েছে। ঐতিহ্যবাহী কার্তিক লড়াইও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা আমাদের কাছে চ্যালেঞ্জ। বিগত বছরের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে কার্যত সুপরিকল্পিতভাবেই মাঠে নামছে পুলিস। পুলিসি ঘেরাটোপে কোথাও কোনও অপ্রীতিকর ঘটনার সম্ভাবনা থাকছে না।
Advertisement
কয়েকশো বছরের প্রাচীন বেলডাঙার কার্তিক লড়াই। কার্তিক লড়াই দেখতে বিভিন্ন জেলা সহ অন্য রাজ্য থেকেও লক্ষ লক্ষ মানুষ বেলডাঙায় ভিড় জমান। বেলডাঙা শহরের প্রতিটি বাড়ি আত্মীয়রা চলে আসেন। কার্তিক লড়াইয়ের দিন সকাল থেকে শহরের রাস্তার দু’পাশে দর্শনার্থীদের ঢল নামে। আজ সকাল ৯টা-১০টার মধ্যেই শোভাযাত্রা রাস্তায় নামতে শুরু করবে। শুরুতে ছোট আকৃতির কার্তিক ঠাকুর শোভাযাত্রায় অংশ নেয়। সময় যত গড়াবে ১৫, ২০, ২৫ ফুট উচ্চতার ঠাকুরগুলি শোভাযাত্রায় অংশ নেবে। ২০-২৫ ফুট উচ্চতার কার্তিকের জন্য শহরের বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয়। এরফলে শহরের মানুষ সমস্যায় পড়েন। এবার কার্তিক লড়াইয়ের আগে বিদ্যুতের তার ২৫-৩০ ফুট উঁচুতে তুলে দেওয়া হয়েছে। কথা ছিল এবার কার্তিক লড়াইয়ের দিন শহরের বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করা হবে না। প্রশাসন সূত্রে খবর, এবার পরীক্ষামূলকভাবে দেখে নেওয়া হবে। পরের বছর থেকে সেটা কার্যকর করা হবে। এবার প্রয়োজনে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করা হবে।
এবার প্রায় দুশোর বেশি প্রতিমা পথে নামবে। রাত ১২টা পর্যন্ত নিরঞ্জনের শোভাযাত্রা চলবে। এরজন্য শহরের বিস্তীর্ণ এলাকা এবং বিসর্জনের ঘাটগুলি জেনারেটর দিয়ে আলোকিত করে রাখা হবে।
বেলডাঙা পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, যে রাস্তা দিয়ে কার্তিক লড়াইয়ের শোভাযাত্রা যাবে, সেই রাস্তার পাশে খোলা নিকাশি নালাগুলি কাঠের পাটাতন দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। যাতে প্রতিমা নিয়ে যেতে শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারী কারও কোনও বিপদ না ঘটে। বেলডাঙা পুরসভার চেয়ারম্যান অনুরাধা হাজরা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, কোথাও নিরাপত্তা বিঘ্নিত হবে না। সুষ্ঠু কার্তিক লড়াই সম্পন্ন করতে সব রকমের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পুলিস প্রশাসন ও বেলডাঙা পুরসভা একত্রিতভাবে সব দিকেই নজর রাখছে।
এবার প্রায় দুশোর বেশি প্রতিমা পথে নামবে। রাত ১২টা পর্যন্ত নিরঞ্জনের শোভাযাত্রা চলবে। এরজন্য শহরের বিস্তীর্ণ এলাকা এবং বিসর্জনের ঘাটগুলি জেনারেটর দিয়ে আলোকিত করে রাখা হবে।
বেলডাঙা পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, যে রাস্তা দিয়ে কার্তিক লড়াইয়ের শোভাযাত্রা যাবে, সেই রাস্তার পাশে খোলা নিকাশি নালাগুলি কাঠের পাটাতন দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। যাতে প্রতিমা নিয়ে যেতে শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারী কারও কোনও বিপদ না ঘটে। বেলডাঙা পুরসভার চেয়ারম্যান অনুরাধা হাজরা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, কোথাও নিরাপত্তা বিঘ্নিত হবে না। সুষ্ঠু কার্তিক লড়াই সম্পন্ন করতে সব রকমের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পুলিস প্রশাসন ও বেলডাঙা পুরসভা একত্রিতভাবে সব দিকেই নজর রাখছে।



