সংবাদদাতা, ফালাকাটা: প্রায় দেড় বছর আগে ফালাকাটা ব্লকের কালীপুর গ্রামে কাজ শুরু হয়েছিল একটি সুস্বাস্থ্যকেন্দ্রের। বিল্ডিংয়ের অধিকাংশ কাজ একবছর আগে সম্পন্ন হলেও এখনও পরিষেবা না মেলায় ক্ষোভে ফুঁসছেন এলাকাবাসী। তাঁরা দ্রুত সুস্বাস্থ্যকেন্দ্রটি চালু করার দাবি তুলেছেন।
Advertisement
বাসিন্দাদের অভিযোগ, পরিষেবা চালু না হওয়ায় সামান্য অসুস্থতার জন্য বেহাল মহাসড়ক ধরে ১০-১১ কিমি দূরে ফালাকাটা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে যেতে হচ্ছে তাঁদের। সুস্বাস্থ্যকেন্দ্রে পরিষেবা চালু হলে বয়স্কদের সর্দি-কাশি কিংবা জ্বরের জন্যও দূরবর্তী কোথাও যেতে হবে না। প্রসূতিরা নিয়মিত তাঁদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে গ্রাম থেকে ছ’কিমি দূরে শিয়ালের হাটখোলার উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে যান।
এ বিষয়ে ফালাকাটার বিএমওএইচ ডাঃ অতনু ভট্টাচার্য বলেন, ওই বিল্ডিংটি তৈরি হলেও এখনও আমাদের কাছে হস্তান্তর হয়নি। বিল্ডিংটি হস্তান্তর হলেই সেখানে দুই-তিন দিনের মধ্যে পরিষেবা চালু করে দিতে পারব। তবে এজন্য স্বাস্থ্য পরিষেবা বন্ধ থাকার কথা নয়। বিকল্প হিসেবে ওই এলাকায় পরিষেবা চালু আছে।
আলিপুরদুয়ার জেলা স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, কালীপুরের ওই নতুন ঘরের বদলে এখন শিয়ালের হাটখোলায় উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে পরিষেবা চলছে। তবে শিশাগোড়, কালীপুর, বংশীধরপুর এলাকা থেকে শিয়ালের হাটখোলার দূরত্ব প্রায় ছ’কিমি। এজন্য প্রতিমাসে একবার করে কালীপুরের চর তোর্সার স্কুল চত্বরে স্বাস্থ্যশিবির করা হয়। সেখানে নবজাতক, গর্ভবতী মহিলাদের স্বাস্থ্য পরিষেবার পাশাপাশি বয়স্কদের রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস পরীক্ষাও হয়।
ফালাকাটার বিডিও অনীক রায় জানিয়েছেন, বিল্ডিংটি কী অবস্থায় আছে জানা নেই। খোঁজ নিয়ে দেখছি। তবে স্বাস্থ্যদপ্তরের এই অস্থায়ী পরিষেবা বদলে প্রতিদিন এবং স্থায়ী পরিষেবা চালুর দাবি উঠেছে। গ্রামবাসীদের কথায়, সর্দি-কাশি, কিংবা পেটের কোনও রোগ হলে শিবির কবে হবে তার জন্য কী বসে থাকা যায়। বাধ্য হয়ে ছ’কিমি দূরের শিয়ালের হাটখোলায় যেতে হয়। দ্রুত স্থায়ী বিল্ডিংয়ে পরিষেবা চালুর দাবি উঠেছে।
এ বিষয়ে ফালাকাটার বিএমওএইচ ডাঃ অতনু ভট্টাচার্য বলেন, ওই বিল্ডিংটি তৈরি হলেও এখনও আমাদের কাছে হস্তান্তর হয়নি। বিল্ডিংটি হস্তান্তর হলেই সেখানে দুই-তিন দিনের মধ্যে পরিষেবা চালু করে দিতে পারব। তবে এজন্য স্বাস্থ্য পরিষেবা বন্ধ থাকার কথা নয়। বিকল্প হিসেবে ওই এলাকায় পরিষেবা চালু আছে।
আলিপুরদুয়ার জেলা স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, কালীপুরের ওই নতুন ঘরের বদলে এখন শিয়ালের হাটখোলায় উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে পরিষেবা চলছে। তবে শিশাগোড়, কালীপুর, বংশীধরপুর এলাকা থেকে শিয়ালের হাটখোলার দূরত্ব প্রায় ছ’কিমি। এজন্য প্রতিমাসে একবার করে কালীপুরের চর তোর্সার স্কুল চত্বরে স্বাস্থ্যশিবির করা হয়। সেখানে নবজাতক, গর্ভবতী মহিলাদের স্বাস্থ্য পরিষেবার পাশাপাশি বয়স্কদের রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস পরীক্ষাও হয়।
ফালাকাটার বিডিও অনীক রায় জানিয়েছেন, বিল্ডিংটি কী অবস্থায় আছে জানা নেই। খোঁজ নিয়ে দেখছি। তবে স্বাস্থ্যদপ্তরের এই অস্থায়ী পরিষেবা বদলে প্রতিদিন এবং স্থায়ী পরিষেবা চালুর দাবি উঠেছে। গ্রামবাসীদের কথায়, সর্দি-কাশি, কিংবা পেটের কোনও রোগ হলে শিবির কবে হবে তার জন্য কী বসে থাকা যায়। বাধ্য হয়ে ছ’কিমি দূরের শিয়ালের হাটখোলায় যেতে হয়। দ্রুত স্থায়ী বিল্ডিংয়ে পরিষেবা চালুর দাবি উঠেছে।



