সংবাদদাতা বেলদা: নারায়ণগড় ব্লকের ক্রীড়াপ্রেমীদের জন্য সুখবর। বেলদাতে স্টেডিয়াম তৈরির জন্য ৬০ লক্ষ টাকা দেওয়ার কথা ঘোষণা করলেন মেদিনীপুরের সাংসদ জুন মালিয়া। আর এই খবরে খুশির হওয়া নারায়ণগড় জুড়ে। ২০২৬ সালের মধ্যে বেলদাতে স্টেডিয়ামের কাজ সম্পূর্ণ হয়ে যাবে বলে দাবি নারায়ণগড়ের বিধায়ক সূর্যকান্ত অট্টের। ২০০৪ সালে তৎকালীন বাম আমলে জাতীয় সড়কের পাশে প্রায় ১০ একর জায়গা নিয়ে বেলদায় শুরু হয়েছিল স্টেডিয়াম তৈরির কাজ। সেই কাজ কিছুটা এগনোর পর দীর্ঘ প্রায় দু’দশক ধরে থমকে ছিল। অভিযোগ স্টেডিয়ামের জমি একটি ক্লাবের নামে থাকায় সরকারিভাবে বরাদ্দ করা যাচ্ছিল না অর্থ। ফলে দীর্ঘদিন ধরে সেই জমি জটিলতায় আটকেছিল স্টেডিয়ামের উন্নয়নের কাজ। সম্প্রতি ওই ক্লাবের কাছ থেকে স্টেডিয়ামের জমি নারায়ণগড় পঞ্চায়েত সমিতির হাতে হস্তান্তর হয়। কাটে জমি জটিলতা। বিধায়ক সূর্যকান্ত অট্ট বলেন তৎকালীন বাম আমলে একটি ক্লাবের জমি দেখিয়ে স্টেডিয়ামের ভুয়ো প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বামফ্রন্ট সরকার। তার ফলে স্টেডিয়ামের জন্য সরকারিভাবে অর্থ বরাদ্দ করা যাচ্ছিল না। সম্প্রতি সেই জমি ওই ক্লাবের থেকে পঞ্চায়েত সমিতির নামে হস্তান্তরিত হয়। এরপর যুব কল্যাণ দপ্তরের থেকে ১০ লক্ষ টাকা দিয়ে জমি সমতল করার কাজ শুরু হয়েছে। এবার সাংসদ অর্থ বরাদ্দ করায় দ্রুত স্টেডিয়ামের কাজ সম্পূর্ণ করা যাবে। ২০২৬ সালের মধ্যে এলাকার মানুষ তা ব্যবহার করতে পারবে।রবিবার সন্ধ্যায় বেলদাতে নবীন প্রবীণ ক্লাবের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে আয়োজিত একটি ফুটবল প্রতিযোগিতার উদ্বোধনে এসেছিলেন মেদিনীপুরের সাংসদ জুন মালিয়া। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগড়ের বিধায়ক সূর্যকান্ত অট্ট, দাঁতনের বিধায়ক বিক্রমচন্দ্র প্রধান সহ অন্যান্যরা। সেই মঞ্চ থেকে বেলদাতে স্টেডিয়াম সংস্কারের জন্য ৬০ লক্ষ টাকা বরাদ্দের কথা ঘোষণা করলেন তিনি। বলেন বেলদাতে ক্রীড়াপ্রেমী মানুষজনদের জন্য স্টেডিয়াম খুবই প্রয়োজন। আর তাই ওই স্টেডিয়ামের জন্য আমার সাংসদ তহবিল থেকে ৬০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করলাম। আর সাংসদের এই ঘোষণায় খুশি বেলদার ক্রীড়া-প্রেমী মহল। বেলদার বাসিন্দা সুদীপ্ত মাইতি,উৎপল চৌধুরীরা বলেন বেলদাতে খেলার জন্য তেমন কোনও বড় মাঠ না থাকায় আমাদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছিল। বিধায়কের উদ্যোগে ওই মাঠের জমি জটিলতা কেটে যাওয়ার পর সাংসদ যেভাবে অর্থ বরাদ্দ করলেন তাতে আমরা খুব খুশি। আশা করছি খুব দ্রুত স্টেডিয়ামের কাজ সম্পূর্ণ হলে আমরা বিভিন্ন ধরনের ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করতে পারব।



