নিজস্ব প্রতিনিধি, সিউড়ি: বিল্ডিং প্ল্যানের অনুমোদন ফি একলাফে অনেকটাই বাড়ল। বসতবাড়ির ক্ষেত্রে সামান্য কিছু বাড়ানো হলেও বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে তা দ্বিগুণ করা হয়েছে। মূলত জেলা পরিষদের আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যেই কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কর্তৃপক্ষের দাবি, আয় বৃদ্ধি পেলে জেলা পরিষদ এলাকার উন্নয়নমূলক কাজের গতি তরান্বিত করতে পারবে। জেলা পরিষদের এই সিদ্ধান্তে অনেকেই সহমত পোষণ করেছেন। এমনকী বিজেপি নেতারাও এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেননি। নিজস্ব আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে জেলা পরিষদের এই সিদ্ধান্তে বিজেপি কার্যত কর্তৃপক্ষের পাশেই দাঁড়িয়েছে। জেলা পরিষদের তরফে জানা গিয়েছে, বর্ধিত হারে অনুমোদন ফি আদায় চলতি মাসের শুরু থেকেই কার্যকর হয়েছে। পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ নুরুল ইসলাম বলেন, পৃথক দু’টি ক্ষেত্রে বিল্ডিং প্ল্যানের অনুমোদন ফি কিছুটা বাড়ানো হয়েছে। এর মাধ্যমে জেলা পরিষদের আয়ের পথ আরও অনেকটাই প্রশস্ত হবে। উন্নয়নের কাজ কয়েকগুণ বৃদ্ধি পাবে।
Advertisement
জেলা পরিষদের তরফে জানা গিয়েছে, প্রতি বর্গ ফুটে বসতবাড়ির বিল্ডিং প্ল্যান অনুমোদন ফি ৫ টাকা ছিল। ২ টাকা ফি বৃদ্ধি হওয়ায় এবার থেকে প্রতি বর্গ ফুটের জন্য ৭ টাকা অনুমোদন ফি ধার্য করা হয়েছে। অন্যদিকে বাণিজ্যিক বিল্ডিং প্ল্যান অনুমোদন ফি দ্বিগুণ করা হয়েছে। প্রতি বর্গ ফুট ১০ টাকা থেকে একলাফে ২০ টাকা হয়েছে। গত বছর বসতবাড়ি ও বাণিজ্যিক বিল্ডিং প্ল্যান অনুমোদনের ফি বাবদ প্রায় ৩৪ লাখ টাকা আয় হয়েছিল। এবার ফি বৃদ্ধির পর আয়ের মাত্রা অনেকটাই বাড়তে চলেছে। জেলা প্রশাসনের কর্তাদের মতে, ফি বৃদ্ধির জেরে আয়ের অঙ্ক প্রায় ৫০ লাখ ছাপিয়ে যাবে। সেই অর্থ জরুরি ভিত্তিতে জেলার বিভিন্ন প্রান্তের উন্নয়নমূলক কাজে ব্যবহার করা হবে। সেই তালিকায় রাস্তা থেকে শুরু করে একাধিক বিষয় রয়েছে।
বিল্ডিং প্ল্যানের অনুমোদন ফি বৃদ্ধি ইস্যুতে বিজেপির জেলা সহ সভাপতি দীপক দাস বলেন, আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে আইনগতভাবে ফি বৃদ্ধি করা সম্ভব। দুবরাজপুর ব্লকের বাসিন্দা বাচ্চু ডোম বলেন, শুনেছি বিল্ডিং প্ল্যান অনুমোদনের ফি কিছুটা বাড়ানো হয়েছে। তবে খুব একটা সমস্যা হবে না। আখেরে সেই টাকা দিয়ে তো জেলার সার্বিক উন্নয়নের কাজই হবে। আমরাই উপকৃত হব।
বিল্ডিং প্ল্যানের অনুমোদন ফি বৃদ্ধি ইস্যুতে বিজেপির জেলা সহ সভাপতি দীপক দাস বলেন, আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে আইনগতভাবে ফি বৃদ্ধি করা সম্ভব। দুবরাজপুর ব্লকের বাসিন্দা বাচ্চু ডোম বলেন, শুনেছি বিল্ডিং প্ল্যান অনুমোদনের ফি কিছুটা বাড়ানো হয়েছে। তবে খুব একটা সমস্যা হবে না। আখেরে সেই টাকা দিয়ে তো জেলার সার্বিক উন্নয়নের কাজই হবে। আমরাই উপকৃত হব।



