সংবাদদাতা, বেলদা: বেলদা কলেজের পরিকাঠামোর আরও উন্নতি হতে চলেছে। এবার কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের ল্যাবরেটরি সহ অন্য পরিকাঠামোর উন্নতির জন্য ৮৬লক্ষ টাকা অনুমোদন করা হয়েছে।
Advertisement
কলেজের অধ্যক্ষ চন্দ্রশেখর হাজরা বলেন, ভারতবর্ষের হাতে গোনা বেশ কয়েকটি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় এধরনের অনুদান পেয়ে থাকে। ন্যাকের বিচারে ‘এ’ প্লাস গ্রেড পাওয়ার পর আমাদের কলেজ এধরনের অনুদান পাওয়ায় আগামী দিনে এলাকার পড়ুয়ারা অনেক বেশি সুবিধা পাবে।
গত বছর বেলদা কলেজ ন্যাকের গ্রেডেশনের বিচারে ‘এ’ প্লাস গ্রেড পেয়েছে। কলেজের নানা পরিকাঠামোর উন্নয়ন হয়েছে। এই কলেজে বিজ্ঞান গবেষণা থেকে স্নাতকোত্তরের পঠনপাঠন এগিয়ে চলেছে। সম্প্রতি কলেজের সেই সাফল্যের মুকুটে আরও একটি পালক জুড়ল। সম্প্রতি কলেজের বিজ্ঞান গবেষণাগারের উন্নতির জন্য দিল্লিতে কেন্দ্রের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের কাছে আবেদন জানানো হয়েছিল। কলেজের একটি প্রতিনিধিদল সেই আবেদন নিয়ে দিল্লিতে গিয়েছিল। তাঁরা কলেজের গবেষণা-সংক্রান্ত নানা রিপোর্ট জমাও দিয়েছিলেন। সম্প্রতি সেই রিপোর্টের ভিত্তিতে কেন্দ্রের ‘ফান্ড ফর ইমপ্রুভমেন্ট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি’র(এফআইএসটি) তরফে প্রাথমিকভাবে ৮৬ লক্ষ টাকা অনুমোদন করা হয়। কলেজের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক তথা এফআইএসটি প্রোজেক্টের প্রিন্সিপাল ইনভেস্টিগেটর মিলন শ্যামল বলেন, আমাদের কলেজে এই মুহূর্তে প্রায় ৫০-এর কাছাকাছি অধ্যাপক নানা গবেষণার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। আগামী দিনে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির নানাধরনের গবেষণায় উন্নতির জন্য কলেজের তরফে দেড় কোটি টাকার অনুদানের আবেদন জানানো হয়েছিল। প্রাথমিকভাবে ৮৬ লক্ষ টাকা অনুমোদিত হয়েছে। এই অনুদান কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের উন্নতিসাধনে কাজে দেবে। আমাদের বিভিন্ন গবেষণাগারে অত্যাধুনিক যন্ত্রাংশ আনা যাবে। এজন্য কলেজ কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি আমার সহকর্মী পদার্থবিদ্যার অধ্যাপক অর্ণব ঘোষকেও ধন্যবাদ জানাই।কলেজ পরিচালন সমিতির সভাপতি তথা নারায়ণগড়ের বিধায়ক সূর্যকান্ত অট্ট বলেন, কঠোর অনুশাসনের মধ্যে দিয়ে আমাদের এই কলেজ সাফল্যের চূড়ার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।
গত বছর বেলদা কলেজ ন্যাকের গ্রেডেশনের বিচারে ‘এ’ প্লাস গ্রেড পেয়েছে। কলেজের নানা পরিকাঠামোর উন্নয়ন হয়েছে। এই কলেজে বিজ্ঞান গবেষণা থেকে স্নাতকোত্তরের পঠনপাঠন এগিয়ে চলেছে। সম্প্রতি কলেজের সেই সাফল্যের মুকুটে আরও একটি পালক জুড়ল। সম্প্রতি কলেজের বিজ্ঞান গবেষণাগারের উন্নতির জন্য দিল্লিতে কেন্দ্রের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের কাছে আবেদন জানানো হয়েছিল। কলেজের একটি প্রতিনিধিদল সেই আবেদন নিয়ে দিল্লিতে গিয়েছিল। তাঁরা কলেজের গবেষণা-সংক্রান্ত নানা রিপোর্ট জমাও দিয়েছিলেন। সম্প্রতি সেই রিপোর্টের ভিত্তিতে কেন্দ্রের ‘ফান্ড ফর ইমপ্রুভমেন্ট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি’র(এফআইএসটি) তরফে প্রাথমিকভাবে ৮৬ লক্ষ টাকা অনুমোদন করা হয়। কলেজের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক তথা এফআইএসটি প্রোজেক্টের প্রিন্সিপাল ইনভেস্টিগেটর মিলন শ্যামল বলেন, আমাদের কলেজে এই মুহূর্তে প্রায় ৫০-এর কাছাকাছি অধ্যাপক নানা গবেষণার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। আগামী দিনে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির নানাধরনের গবেষণায় উন্নতির জন্য কলেজের তরফে দেড় কোটি টাকার অনুদানের আবেদন জানানো হয়েছিল। প্রাথমিকভাবে ৮৬ লক্ষ টাকা অনুমোদিত হয়েছে। এই অনুদান কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের উন্নতিসাধনে কাজে দেবে। আমাদের বিভিন্ন গবেষণাগারে অত্যাধুনিক যন্ত্রাংশ আনা যাবে। এজন্য কলেজ কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি আমার সহকর্মী পদার্থবিদ্যার অধ্যাপক অর্ণব ঘোষকেও ধন্যবাদ জানাই।কলেজ পরিচালন সমিতির সভাপতি তথা নারায়ণগড়ের বিধায়ক সূর্যকান্ত অট্ট বলেন, কঠোর অনুশাসনের মধ্যে দিয়ে আমাদের এই কলেজ সাফল্যের চূড়ার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।



