সংবাদদাতা, হবিবপুর: ১১টি গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে ১০টিতে সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্টের কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। হবিবপুর ব্লকের বুলবুলচণ্ডী গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় জায়গা না পাওয়ার কারণে থমকে ছিল এই কঠিন বর্জ্য প্রকল্প। অবশেষে পঞ্চায়েতের হাঁপানিয়া মোড় এলাকায় প্রায় ১৫ কাঠা জায়গায় শুরু হয়েছে প্রকল্পের কাজ। হবিবপুর পঞ্চায়েত সমিতির মাধ্যমে কাজ শুরু হওয়ায় খুশি স্থানীয় বাসিন্দারা।
Advertisement
ব্লক প্রশাসন সূত্রে খবর, বাকি ১০টি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় এই প্রকল্পের কাজ ইতিমধ্যে শেষ হয়ে গিয়েছে। বুলবুলচণ্ডীর প্রকল্প হয়ে গেলে ব্লকে সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্টের কাজ জোরকদমে শুরু হয়ে যাবে। প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বাড়ি থেকে নোংরা, আবর্জনা সংগ্রহ করে নির্দিষ্ট কেন্দ্রগুলিতে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে প্লাস্টিক জাতীয় সামগ্রী আলাদা করে সংগ্রহ করে সেগুলি বিক্রয় করা হবে। অবশিষ্ট আবর্জনা পচিয়ে জমিতে সার হিসেবে ব্যবহার করার যোগ্য করা হবে।
বুলবুলচণ্ডী এলাকার বাসিন্দা সুভাষ বর্মন বলেন, প্রকল্প হলে আমাদের অনেক সুবিধা হবে। বাড়ির ফেলে দেওয়া আবর্জনা বাইরে না ফেলে সংগ্রহ করে ব্যবহারযোগ্য করে তুলতে পারলে এলাকা পরিষ্কার, পরিচ্ছন্ন থাকবে। এছাড়া সার বেচে আর্থিক লাভও হবে। পঞ্চায়েত সমিতির বিরোধী দলনেতা বিরাজ মণ্ডল বলেন, প্রকল্পের জায়গা নিয়ে প্রথম দিকে একটু সমস্যা ছিল। পরবর্তীতে হাঁপানিয়া মোড়ে সরকারি একটি জায়গায় কাজ শুরু করা হয়েছে। হবিবপুর পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি সুনীল সরেনের কথায়, প্রায় তিন লক্ষ টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটির বাস্তবায়ন হলে পঞ্চায়েতগুলি আর্থিকভাবে লাভবান হবে।
বুলবুলচণ্ডী এলাকার বাসিন্দা সুভাষ বর্মন বলেন, প্রকল্প হলে আমাদের অনেক সুবিধা হবে। বাড়ির ফেলে দেওয়া আবর্জনা বাইরে না ফেলে সংগ্রহ করে ব্যবহারযোগ্য করে তুলতে পারলে এলাকা পরিষ্কার, পরিচ্ছন্ন থাকবে। এছাড়া সার বেচে আর্থিক লাভও হবে। পঞ্চায়েত সমিতির বিরোধী দলনেতা বিরাজ মণ্ডল বলেন, প্রকল্পের জায়গা নিয়ে প্রথম দিকে একটু সমস্যা ছিল। পরবর্তীতে হাঁপানিয়া মোড়ে সরকারি একটি জায়গায় কাজ শুরু করা হয়েছে। হবিবপুর পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি সুনীল সরেনের কথায়, প্রায় তিন লক্ষ টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটির বাস্তবায়ন হলে পঞ্চায়েতগুলি আর্থিকভাবে লাভবান হবে।



