সংবাদদাতা, তপন: টিউশন থেকে বাড়ি ফেরার পথে মর্মান্তিক পরিণতি তৃতীয় শ্রেণির খুদে পড়ুয়ার। বালিবোঝাই ট্রাক্টরের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হল বছর আটের ওই শিশুকন্যার। বুধবার দুর্ঘটনাটি ঘটেছে তপন ব্লকের ৯ নম্বর আউটিনা গ্রাম পঞ্চায়েতের কামদেববাটি গ্রামে। মৃত ওই স্কুল পড়ুয়ার বাড়ি তপন থানার কামদেববাটি গ্রামে।
Advertisement
স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে খবর, প্রতিদিনের মতো এদিন বাড়ি থেকে কিছুটা দূরেই টিউশন পড়তে গিয়েছিল শিশুটি। ফেরার পথে বাড়ি থেকে অল্প কিছুটা দূরেই ঘটে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। বালি বোঝাই একটি ট্রাক্টর পিছিয়ে আসার সময় পিষে দেয় শিশুটিকে। ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারায় শিশুটি।
এলাকাবাসীরা জানান, বাড়ি তৈরির জন্য বালি আনা হচ্ছিল। ট্রাক্টরে শুধু চালক থাকায় তাঁকে নির্দেশ দেওয়ার মতো কেউ ছিলেন না। এই অবস্থায় ট্র্যাক্টরকে সঠিক জায়গায় নিয়ে যাওয়ার জন্য পিছিয়ে আনা হচ্ছিল। তখনই দেখতে না পেয়ে দুর্ঘটনাটি ঘটে। খুদের পিঠে থাকা ব্যাগ ট্রাক্টরের ট্রলিতে আটকে যায়। ফলে সেখান থেকে সরে যেতেও পারেনি ওই খুদে। চাকায় পিষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় তপন থানার পুলিস। ট্রাক্টর এবং চালককে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি মৃতদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায় পুলিস। মৃতদেহ ময়নাতদন্তে পাঠিয়ে পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিস। মৃতের আত্মীয় বিরজু হেমরম বলেন, ট্রাক্টর চালকের গাফিলতির কারণে এই দুর্ঘটনা। আমরা দোষীর শাস্তি চাই। মেয়েকে হারিয়ে শোকস্তব্ধ বাবা মাস্টার সোরেন। খুদের মৃত্যুতে শোক এলাকাজুড়ে।
মৃতার আত্মীয়দের বক্তব্য, সরকারি নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে লাইসেন্স ছাড়াই যে কেউ ট্রাক্টর চালাচ্ছেন। কোনও কোনও ট্রাক্টরে চালকের সঙ্গে থাকছে না সহকারী চালক বা সহযোগী। পুলিসকে বিষয়টি খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছে মৃত শিশুর পরিবার।
এলাকাবাসীরা জানান, বাড়ি তৈরির জন্য বালি আনা হচ্ছিল। ট্রাক্টরে শুধু চালক থাকায় তাঁকে নির্দেশ দেওয়ার মতো কেউ ছিলেন না। এই অবস্থায় ট্র্যাক্টরকে সঠিক জায়গায় নিয়ে যাওয়ার জন্য পিছিয়ে আনা হচ্ছিল। তখনই দেখতে না পেয়ে দুর্ঘটনাটি ঘটে। খুদের পিঠে থাকা ব্যাগ ট্রাক্টরের ট্রলিতে আটকে যায়। ফলে সেখান থেকে সরে যেতেও পারেনি ওই খুদে। চাকায় পিষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় তপন থানার পুলিস। ট্রাক্টর এবং চালককে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি মৃতদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায় পুলিস। মৃতদেহ ময়নাতদন্তে পাঠিয়ে পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিস। মৃতের আত্মীয় বিরজু হেমরম বলেন, ট্রাক্টর চালকের গাফিলতির কারণে এই দুর্ঘটনা। আমরা দোষীর শাস্তি চাই। মেয়েকে হারিয়ে শোকস্তব্ধ বাবা মাস্টার সোরেন। খুদের মৃত্যুতে শোক এলাকাজুড়ে।
মৃতার আত্মীয়দের বক্তব্য, সরকারি নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে লাইসেন্স ছাড়াই যে কেউ ট্রাক্টর চালাচ্ছেন। কোনও কোনও ট্রাক্টরে চালকের সঙ্গে থাকছে না সহকারী চালক বা সহযোগী। পুলিসকে বিষয়টি খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছে মৃত শিশুর পরিবার।



