Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বাংলা শস্যবিমা যোজনার আওতায় জেলার এক লক্ষ ৪৫ হাজার কৃষক

বাংলা শস্যবিমা যোজনার আওতায় জেলার এক লক্ষ ৪৫ হাজার কৃষক
  • ৯ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, কোচবিহার: বাংলা শস্যবিমা যোজনায় কৃষকদের নাম নথিভুক্ত করার কাজ চলছে। কোচবিহার জেলায় চলতি ডিসেম্বর মাসের ৪ তারিখ পর্যন্ত আমন ধানের জন্য বাংলা শস্যবিমা যোজনার আওতায় আনা হয়েছে ১ লক্ষ ৪৫ হাজার কৃষককে। শস্যবিমায় নাম তোলার কাজ চলবে ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত। ফলে এই সংখ্যাটা আরও কিছুটা বৃদ্ধি পাবে। 
Advertisement
পাশাপাশি শুরু হয়েছে রবি ফসলের জন্যও বাংলা শস্যবিমা যোজনার কাজ। ধান, গম, আলু, সরষে, ভুট্টা সহ অন্যান্য রবি শস্যের জন্য বিমা করা হবে, সেই কাজও শুরু হয়েছে। অন্যদিকে কৃষিঋণের জন্য জায়গায় জায়গায় শিবির করা হচ্ছে। আগামী ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্লকে ব্লকে শিল্পের সমাধান ক্যাম্পের মাধ্যমে এই ঋণের বিষয়টি নিয়ে প্রচার করা হবে। 
কোচবিহার জেলা কৃষি আধিকারিক (প্রশাসন) অসিতবরণ মণ্ডল বলেন, চলতি বছরে আমন চাষে বাংলার শস্যবিমা যোজনার আওতায় ১ লক্ষ ৪৫ হাজার কৃষককে আমরা এখনও পর্যন্ত এনেছি। রবি শস্যের ক্ষেত্রেও বাংলা শস্যবিমা যোজনার কাজ শুরু হয়েছে। কৃষিজ যন্ত্রপাতি কেনার জন্য চাষিদের ঋণ পাইয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। 
গত প্রায় তিনমাস ধরে বাংলা শস্যবিমা যোজনায় নাম নথিভুক্তকরণের কাজ চলছে। আর এর মাধ্যমেই বিপুল সংখ্যক কৃষককে সংশ্লিষ্ট বিমার আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে। এই বিমার আওতায় নিজেদের ফসল নিয়ে আসার জন্য কৃষকদের কোনও টাকা দিতে হয় না। জমির নথিপত্র, ভোটার কার্ড, আধার কার্ড, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর ও প্রতিটি নথিতে নিজের স্বাক্ষর করতে হয়েছে কৃষককে। আবেদন করার পর চাষের সময় যদি প্রাকৃতিক কোনও কারণে ফসলের ক্ষতি হয় সেক্ষেত্রে পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখে ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করা হয়ে থাকে। এখনও পর্যন্ত যে পরিমাণ কৃষককে আমন ধানের চাষে এই বিমার আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে তাঁদের নাম সরকারি পোর্টালে নথিভুক্ত করা হয়েছে। রবি শস্যের ক্ষেত্রে বাংলার শস্যবিমা যোজনার প্রচারের কাজ শুরু করেছে জেলা কৃষিদপ্তর। 
কোচবিহার জেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় কৃষিকাজ হয়। ধান, পাট, আলুর পাশাপাশি সব্জির চাষ করেন একাংশ কৃষক। আলু, সরষে, ভুট্টা চাষের ক্ষেত্রে বিমা হওয়ায় খুশি চাষিরা। কারণ প্রতিবছরই প্রাকৃতিক কোনও না কোনও দুর্যোগ আসে। তাই বিমার আওতায় এলে কিছুটা নিশ্চিত হতে পারেন তাঁরা। ইতিমধ্যেই জমি তৈরি করে চাষিরা সরষে রোপণ করেছেন। কিছু জমিতে সরষে বীজ থেকে চারাও বেরিয়েছে। আলুর জন্য জমি তৈরির কাজ চলছে। এরপর ভুটা চাষের জমি প্রস্তুত করা হবে বলে জানিয়েছেন চাষিরা।
সম্পর্কিত সংবাদ