সংবাদদাতা, পতিরাম: রবিশস্যে বাংলা শস্যবিমা যোজনায় গতবার ব্যাপক সাফল্য মিলেছে। তাই এবার আরও কিছুটা টার্গেট বাড়াল দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা কৃষিদপ্তর। এবার টার্গেট ২ লক্ষ ৭০ হাজার। গতবার ২ লক্ষ ৬৩ হাজার কৃষক শস্যবিমা যোজনায় নাম লিখিয়েছিলেন। তাই এবারে আরও ৭ হাজার কৃষককে প্রকল্পে নথিভুক্ত করার টার্গেট নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার প্রকল্পের প্রচারের জন্য ট্যাবলো উদ্বোধন করা হয়েছে। ওই ট্যাবলো জেলাজুড়ে ঘুরে ঘুরে প্রচার চালাবে।
Advertisement
দক্ষিণ দিনাজপুরের অতিরিক্ত জেলাশাসক (সাধারণ) রবি প্রকাশ মিনা বলেন, বাংলা শস্যবিমা যোজনার জন্য কৃষকদের নাম নথিভুক্ত করার কাজ শুরু হয়েছে। কৃষকদের মধ্যে প্রচারের জন্য এদিন একটি ট্যাবলো উদ্বোধন করা হল। এই মরশুমে শস্যবিমা যোজনায় পাঁচটি ফসল রয়েছে। ২ লক্ষ ৭০ হাজার কৃষককে এই বিমা যোজনার আওতায় আনার টার্গেট নেওয়া হয়েছে।
দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা কৃষিদপ্তরের মুখ্য অধিকর্তা প্রণব কুমার মুখোপাধ্যায় বলেন, রবিশস্যে পাঁচটি ফসল রয়েছে। এবছর পাঁচটি ফসলেই প্রিমিয়াম তুলে দেওয়া হয়েছে। তাই আরও বেশি কৃষককে এই প্রকল্পের আওতায় আনার চেষ্টা করছি। ফসল ক্ষতি হলে সাধারণ মানুষ এই শস্যবিমা যোজনার মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ পাবে। বালুরঘাটের বোয়ালদারের এক কৃষক ধীরেন সরকার বলেন, গতবার সর্ষের চাষ করতে গিয়ে ক্ষতির মুখে পড়েছিলাম। গতবারও আমরা শস্য বিমাতে নাম নথিভুক্ত করেছিলাম। এবারও নাম নথিভুক্ত করব।
জেলা কৃষিদপ্তর সূত্রে খবর, চলতি মাসের শুরুতেই বাংলা শস্যবিমা যোজনায় পোর্টাল খুলে গিয়েছে। তবে এখনও আবেদনের গতি নেই। তাই এদিন থেকেই প্রচার শুরু হয়ে গিয়েছে। জেলা কৃষিদপ্তর, ব্লক কৃষিদপ্তর ও ৬৪টি গ্রাম পঞ্চায়েতে এই প্রকল্পের আবেদন করা যাবে। বোরো ধান, গম, মসুর, আলু ও সর্ষের ক্ষেত্রে এই আবেদন শুরু হয়েছে। জেলায় সর্ষের আবাদ এবার বেশি হয়েছে। ৭৩ হাজার ৪৬০ হেক্টর জমিতে সর্ষের চাষ হচ্ছে। মুসুর ডাল ৫২৪৫ হেক্টর, গম ৫০ হাজার হেক্টর, বোরো ধান ৫১ হাজার ৪০০ এবং ২০ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে আলু চাষ হচ্ছে।
প্রতি বছর আবহাওয়ার খামখেয়ালির কারণে বোরো ধান, সর্ষে সহ নানা ফসলের ক্ষতি হয়। অনেক চাষিই ক্ষতিপূরণ পান। তাই কৃষিদপ্তরের তরফে গ্রামে গ্রামে ট্যাবলো ও শিবিরের মাধ্যমে বাংলা শস্যবিমা যোজনায় প্রচার ও আবেদনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তবে এবার সব ফসলের ক্ষেত্রে আবেদনের সময়ে প্রিমিয়াম তুলে নেওয়ায় খুশি চাষিরা।
দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা কৃষিদপ্তরের মুখ্য অধিকর্তা প্রণব কুমার মুখোপাধ্যায় বলেন, রবিশস্যে পাঁচটি ফসল রয়েছে। এবছর পাঁচটি ফসলেই প্রিমিয়াম তুলে দেওয়া হয়েছে। তাই আরও বেশি কৃষককে এই প্রকল্পের আওতায় আনার চেষ্টা করছি। ফসল ক্ষতি হলে সাধারণ মানুষ এই শস্যবিমা যোজনার মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ পাবে। বালুরঘাটের বোয়ালদারের এক কৃষক ধীরেন সরকার বলেন, গতবার সর্ষের চাষ করতে গিয়ে ক্ষতির মুখে পড়েছিলাম। গতবারও আমরা শস্য বিমাতে নাম নথিভুক্ত করেছিলাম। এবারও নাম নথিভুক্ত করব।
জেলা কৃষিদপ্তর সূত্রে খবর, চলতি মাসের শুরুতেই বাংলা শস্যবিমা যোজনায় পোর্টাল খুলে গিয়েছে। তবে এখনও আবেদনের গতি নেই। তাই এদিন থেকেই প্রচার শুরু হয়ে গিয়েছে। জেলা কৃষিদপ্তর, ব্লক কৃষিদপ্তর ও ৬৪টি গ্রাম পঞ্চায়েতে এই প্রকল্পের আবেদন করা যাবে। বোরো ধান, গম, মসুর, আলু ও সর্ষের ক্ষেত্রে এই আবেদন শুরু হয়েছে। জেলায় সর্ষের আবাদ এবার বেশি হয়েছে। ৭৩ হাজার ৪৬০ হেক্টর জমিতে সর্ষের চাষ হচ্ছে। মুসুর ডাল ৫২৪৫ হেক্টর, গম ৫০ হাজার হেক্টর, বোরো ধান ৫১ হাজার ৪০০ এবং ২০ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে আলু চাষ হচ্ছে।
প্রতি বছর আবহাওয়ার খামখেয়ালির কারণে বোরো ধান, সর্ষে সহ নানা ফসলের ক্ষতি হয়। অনেক চাষিই ক্ষতিপূরণ পান। তাই কৃষিদপ্তরের তরফে গ্রামে গ্রামে ট্যাবলো ও শিবিরের মাধ্যমে বাংলা শস্যবিমা যোজনায় প্রচার ও আবেদনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তবে এবার সব ফসলের ক্ষেত্রে আবেদনের সময়ে প্রিমিয়াম তুলে নেওয়ায় খুশি চাষিরা।



