নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: বালি পাচার রুখতে গিয়ে সোনামুখীতে আক্রান্ত হল পুলিস। পুলিসের উপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে বালি মাফিয়া মদতপুষ্ট দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। ঘটনায় এক এএসআই সহ তিন পুলিসকর্মী জখম হয়েছেন। জখমদের সোনামুখী থানায় প্রাথমিক চিকিৎসা করা হয়। বৃহস্পতিবার রাতে সোনামুখী থানার আমশোল মোড়ের কাছে ঘটনাটি ঘটে। দামোদরের ডিহিপাড়া পলাশডাঙা ঘাট থেকে ট্রাক্টর আটক করে ফেরার পথে পুলিসের উপর চড়াও হওয়ার ঘটনা ঘটে। বালি পাচার ও পুলিসের উপর হামলা চালানোর অভিযোগে সোনামুখী থানার পুলিস চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিস জানিয়েছে, ধৃতদের নাম রাকেশ পাল, অমিত ঘোষ, রাহুল তাপসী ও সার্থক বাগদি। তাদের বাড়ি সোনামুখী থানার নবগ্রাম, বেলডাঙা ও বন্দিরামপুরে। ধৃতদের শুক্রবার বিষ্ণুপুর মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক চারজনকেই ১৪ দিনের জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
Advertisement
বাঁকুড়ার পুলিস সুপার বৈভব তেওয়ারি বলেন, বালি পাচারকারীদের মারে এক এএসআই ও দুই কনস্টেবল জখম হয়েছেন। পুলিস দু’টি পৃথক মামলা রুজু করেছে। ঘাট মালিকের অভিযোগের ভিত্তিতে জোর করে বালি পাচারের মামলা রুজু হয়। পাশাপাশি পুলিসকে মারধর ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে আমরা একটি স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করেছি।
পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতরা দীর্ঘদিন ধরেই ডিহিপাড়া এলাকায় দামোদর নদ থেকে বেআইনিভাবে বালি তুলত। পরে ওই ঘাট সরকার নিলামে তুলে লিজে দেয়। ফলে বালি মাফিয়াদের রোজগারে টান পড়ে। ঘটনার রাতে চারটি ট্রাক্টর নিয়ে মাফিয়া মদপুষ্ট দুষ্কৃতীরা ঘাটে যায়। আড়াআড়িভাবে খাদানের রাস্তায় তারা ট্রাক্টর দাঁড় করিয়ে বালিবোঝাই করে। অন্য কোনও যানবাহন যাতে ঘাটে যেতে না পারে তারজন্য তারা কার্যত পথ আগলে রাখে। বিয়ষটি ঘাট মালিক পুলিসকে জানান। খবর পেয়ে সোনামুখী থানার টহলদারি ভ্যান ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। পুলিস দেখে দু’টি ট্রাক্টর নিয়ে বেশিরভাগ দুষ্কৃতী পালিয়ে যায়। তবে বাকি দু’টি ট্রাক্টর ও দু’জনকে পুলিস আটক করে। ঘাট থেকে থানায় ফেরার সময় আমশোল মোড়ে দুষ্কৃতীরা দলবল নিয়ে পুলিসের উপর হামলা চালায়। ঘটনায় এক এএসআই ও দুই কনস্টেবল জখম হন। প্রাথমিকভাবে পুলিস পিছু হটে। দুষ্কৃতীরা একটি ট্রাক্টর ও দু’জনকে ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে সোনামুখী থানার আইসি বিশাল বাহিনী নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। পুলিস এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করে। ট্রাক্টরটিকে আটক করা হয়। জখম পুলিস কর্মী ও আধিকারিককে উদ্ধার করে সোনামুখী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসা করানো হয়। জেলা পুলিসের এক আধিকারিক বলেন, দুষ্কৃতীদের পিছনে বড় ‘মাথা’ রয়েছে। সেইই পুলিসের উপর হামলা চালানোর জন্য প্ররোচনা দেয়। তার ব্যাপারে আমার বেশকিছু তথ্য পেয়েছি। তাকেও প্রয়োজনে গ্রেপ্তার করা হবে।
পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতরা দীর্ঘদিন ধরেই ডিহিপাড়া এলাকায় দামোদর নদ থেকে বেআইনিভাবে বালি তুলত। পরে ওই ঘাট সরকার নিলামে তুলে লিজে দেয়। ফলে বালি মাফিয়াদের রোজগারে টান পড়ে। ঘটনার রাতে চারটি ট্রাক্টর নিয়ে মাফিয়া মদপুষ্ট দুষ্কৃতীরা ঘাটে যায়। আড়াআড়িভাবে খাদানের রাস্তায় তারা ট্রাক্টর দাঁড় করিয়ে বালিবোঝাই করে। অন্য কোনও যানবাহন যাতে ঘাটে যেতে না পারে তারজন্য তারা কার্যত পথ আগলে রাখে। বিয়ষটি ঘাট মালিক পুলিসকে জানান। খবর পেয়ে সোনামুখী থানার টহলদারি ভ্যান ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। পুলিস দেখে দু’টি ট্রাক্টর নিয়ে বেশিরভাগ দুষ্কৃতী পালিয়ে যায়। তবে বাকি দু’টি ট্রাক্টর ও দু’জনকে পুলিস আটক করে। ঘাট থেকে থানায় ফেরার সময় আমশোল মোড়ে দুষ্কৃতীরা দলবল নিয়ে পুলিসের উপর হামলা চালায়। ঘটনায় এক এএসআই ও দুই কনস্টেবল জখম হন। প্রাথমিকভাবে পুলিস পিছু হটে। দুষ্কৃতীরা একটি ট্রাক্টর ও দু’জনকে ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে সোনামুখী থানার আইসি বিশাল বাহিনী নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। পুলিস এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করে। ট্রাক্টরটিকে আটক করা হয়। জখম পুলিস কর্মী ও আধিকারিককে উদ্ধার করে সোনামুখী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসা করানো হয়। জেলা পুলিসের এক আধিকারিক বলেন, দুষ্কৃতীদের পিছনে বড় ‘মাথা’ রয়েছে। সেইই পুলিসের উপর হামলা চালানোর জন্য প্ররোচনা দেয়। তার ব্যাপারে আমার বেশকিছু তথ্য পেয়েছি। তাকেও প্রয়োজনে গ্রেপ্তার করা হবে।



