সংবাদদাতা, নকশালবাড়ি: বিল বকেয়া, তাই নকশালবাড়ি ব্লকের ত্রিহানা চা বাগানের জাবরা ডিভিশনের ক্রেশ হাউসে বন্ধ খাবার বিলি। এতে বিপাকে পড়েছেন চা বাগানের মহিলা শ্রমিকরা। অভিযোগ, বাগানের ক্রেশ হাউসে দু’দিন ধরে খাবার পাচ্ছে না শিশুরা। যা নিয়ে শ্রমিক মহলে ক্ষোভ বাড়ছে।
Advertisement
প্রসঙ্গত, মাস পাঁচেক আগে এই ক্রেশটি চালু হয়। বর্তমানে শ্রমিক মহল্লার ৩০ জন শিশুকে দেখাশোনা করা হয়। প্রতিদিন সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত এই ক্রেশে শিশুদের দেখভালের দায়িত্বে রয়েছে স্থানীয় মহিলা স্বনির্ভর গোষ্ঠী। তাদের অভিযোগ, ক্রেশ চালু হওয়ার পর পাঁচ মাস ধরে খাবারের বিল পায়নি তারা। এমনকী এই কাজের জন্য যে ভাতা পাওয়ার কথা, সেটাও দেওয়া হয়নি।
স্থানীয় শ্রমিক হেমাচিক বরাইক বলেন, আমার ১০ মাসের সন্তানকে ক্রেশ হাউসে রেখে বাগানের কাজে যাই। অথচ দু’দিন ধরে খাবার দেওয়া হচ্ছে না। এমনটা হলে ক্রেশে কেন রাখব। সন্তানকে পিঠে নিয়েই বাগানে কাজ করব। একই সমস্যা ললিতাচিক বরাইকের। তিনি বলেন, ক্রেশে বাচ্চাদের দুধ, বিস্কুট, ডিম-ভাত, খিচুরি দেওয়া হতো। প্রতিদিন তিনবার শিশুরা খাবার পেত। ফলে আমরা নিশ্চিন্তে বাগানে কাজ করতাম। কিন্তু সেটা এখন মিলছে না।
ক্রেশের দায়িত্বে থাকা মহিলা স্বনির্ভর দলের পক্ষে উর্মিলা কয়া বলেন, ক্রেশ চালু হওয়ার পাঁচ মাস হল। গত পাঁচ মাস ধরে নিজেদের পকেট থেকে টাকা খরচ করে শিশুদের খাবার দিচ্ছি। ওদের সারাদিন দেখভাল করছি। অথচ আমরা ভাতা পাইনি, খাবারের বিলও পেলাম না।
এনিয়ে ডিস্ট্রিক্ট রুরাল ডেভেলপমেন্ট সেলের শিলিগুড়ি বিভাগের প্রজেক্ট ডিরেক্টর মৌসুমি পাত্র বলেন, ওই স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা ঠিকমতো বিল তৈরি করে অফিসে জমা দেয়নি। যারজন্যই বিল আটকে গিয়েছে। ঠিকমতো বিল পাঠালে বিল দিয়ে দেব।
স্থানীয় শ্রমিক হেমাচিক বরাইক বলেন, আমার ১০ মাসের সন্তানকে ক্রেশ হাউসে রেখে বাগানের কাজে যাই। অথচ দু’দিন ধরে খাবার দেওয়া হচ্ছে না। এমনটা হলে ক্রেশে কেন রাখব। সন্তানকে পিঠে নিয়েই বাগানে কাজ করব। একই সমস্যা ললিতাচিক বরাইকের। তিনি বলেন, ক্রেশে বাচ্চাদের দুধ, বিস্কুট, ডিম-ভাত, খিচুরি দেওয়া হতো। প্রতিদিন তিনবার শিশুরা খাবার পেত। ফলে আমরা নিশ্চিন্তে বাগানে কাজ করতাম। কিন্তু সেটা এখন মিলছে না।
ক্রেশের দায়িত্বে থাকা মহিলা স্বনির্ভর দলের পক্ষে উর্মিলা কয়া বলেন, ক্রেশ চালু হওয়ার পাঁচ মাস হল। গত পাঁচ মাস ধরে নিজেদের পকেট থেকে টাকা খরচ করে শিশুদের খাবার দিচ্ছি। ওদের সারাদিন দেখভাল করছি। অথচ আমরা ভাতা পাইনি, খাবারের বিলও পেলাম না।
এনিয়ে ডিস্ট্রিক্ট রুরাল ডেভেলপমেন্ট সেলের শিলিগুড়ি বিভাগের প্রজেক্ট ডিরেক্টর মৌসুমি পাত্র বলেন, ওই স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা ঠিকমতো বিল তৈরি করে অফিসে জমা দেয়নি। যারজন্যই বিল আটকে গিয়েছে। ঠিকমতো বিল পাঠালে বিল দিয়ে দেব।



