সংবাদদাতা, পতিরাম: বালি পাচার রুখতে গিয়ে মাফিয়াদের হাতে আক্রান্ত ভূমিদপ্তরের আধিকারিক। বালুরঘাটের চিঙ্গিসপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের কিসমত রামকৃষ্ণপুর এলাকার ঘটনা। রেভিনিউ ইন্সপেক্টরের মোবাইল কেড়ে তাঁর গায়ে হাত তোলার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার রাতের এই ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে বালুরঘাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন বিএলআরও রণেন্দ্রনাথ মণ্ডল।
Advertisement
পুলিস সূত্রে খবর, বালুরঘাট ব্লক ও ভূমি দপ্তরের রেভিনিউ ইন্সপেক্টর চিঙ্গিসপুর এলাকা দিয়ে আসছিলেন। সেসময় দেখতে পান, ব্রিজের নীচে ট্রাক্টর নামিয়ে অবাধে বালি পাচার চলছে। ওই আধিকারিক ট্রাক্টর আটকে চালান দেখতে চান।
এরপরই বালি তোলার সঙ্গে যুক্ত কর্মীরা ওই আধিকারিককে হুমকি দেয়। বিষয়টি রেকর্ড করে রাখতে আধিকারিক মোবাইল বের করলে তা কেড়ে নেওয়া হয়। এমনকী ওই আধিকারিককে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে ভূমিদপ্তরের অন্য আধিকারিক ও কর্মীরা আসতেই অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়।
বালুরঘাটের বিএলআরও বলেন, আমাদের এক আধিকারিক বালি পাচার রুখতে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন। মোবাইল কেড়ে নিয়ে তাঁর গায়ে হাত তোলা হয়েছে। আমরা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি। বালুরঘাট, কুমারগঞ্জ সহ জেলার বিভিন্ন জায়গায় বালি মাফিয়াদের দাপটে উদ্বিগ্ন জেলা প্রশাসন।
বালি পাচার রুখতে গিয়ে মাঝেমধ্যেই বালি মাফিয়াদের হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে বলে অভিযোগ। সম্প্রতি বালুরঘাটের বোয়ালদার গ্রাম পঞ্চায়েতের একটি গ্রামে বালি পাচার রুখতে গিয়ে মাফিয়াদের হুমকির মুখে পড়তে হয় আধিকারিকদের। ভূমিদপ্তরের গাড়িতে ধাক্কা মেরে একটি ট্রাক্টর পালিয়ে যায়। বালুরঘাট শহর থেকে আত্রেয়ী নদী- সব জায়গাতেই বালি মাফিয়াদের হুমকি অব্যাহত। থানায় অভিযোগ দায়ের হলেও বালি মাফিয়ারা এখনও পর্যন্ত গ্রেপ্তার হয়নি। এনিয়ে স্থানীয়দের মধ্যেও ক্ষোভ ছড়িয়েছে। বালুরঘাট সদর ডিএসপি হেডকোয়ার্টার বিক্রম প্রসাদ বলেন, চিঙ্গিসপুরের ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হবে। সব জায়গাতেই নজরদারি চলছে।
এরপরই বালি তোলার সঙ্গে যুক্ত কর্মীরা ওই আধিকারিককে হুমকি দেয়। বিষয়টি রেকর্ড করে রাখতে আধিকারিক মোবাইল বের করলে তা কেড়ে নেওয়া হয়। এমনকী ওই আধিকারিককে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে ভূমিদপ্তরের অন্য আধিকারিক ও কর্মীরা আসতেই অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়।
বালুরঘাটের বিএলআরও বলেন, আমাদের এক আধিকারিক বালি পাচার রুখতে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন। মোবাইল কেড়ে নিয়ে তাঁর গায়ে হাত তোলা হয়েছে। আমরা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি। বালুরঘাট, কুমারগঞ্জ সহ জেলার বিভিন্ন জায়গায় বালি মাফিয়াদের দাপটে উদ্বিগ্ন জেলা প্রশাসন।
বালি পাচার রুখতে গিয়ে মাঝেমধ্যেই বালি মাফিয়াদের হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে বলে অভিযোগ। সম্প্রতি বালুরঘাটের বোয়ালদার গ্রাম পঞ্চায়েতের একটি গ্রামে বালি পাচার রুখতে গিয়ে মাফিয়াদের হুমকির মুখে পড়তে হয় আধিকারিকদের। ভূমিদপ্তরের গাড়িতে ধাক্কা মেরে একটি ট্রাক্টর পালিয়ে যায়। বালুরঘাট শহর থেকে আত্রেয়ী নদী- সব জায়গাতেই বালি মাফিয়াদের হুমকি অব্যাহত। থানায় অভিযোগ দায়ের হলেও বালি মাফিয়ারা এখনও পর্যন্ত গ্রেপ্তার হয়নি। এনিয়ে স্থানীয়দের মধ্যেও ক্ষোভ ছড়িয়েছে। বালুরঘাট সদর ডিএসপি হেডকোয়ার্টার বিক্রম প্রসাদ বলেন, চিঙ্গিসপুরের ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হবে। সব জায়গাতেই নজরদারি চলছে।



