নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: রবিবার সকালে ঘন কুয়াশার দাপটে মুর্শিদাবাদ জেলার জনজীবন বিপর্যস্ত হল। ভোর থেকেই ঘন কুয়াশায় ঢেকে ছিল পথঘাট। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াশা কেটে গিয়ে রোদ উঠলেও সকাল দশটা পর্যন্ত আকাশ মেঘাচ্ছন্ন ছিল। দৃশ্যমানতা কম থাকায় যান চলাচলে তার ব্যাপক প্রভাব পড়ে। পাশাপাশি নৌ-পরিবহণেও সমস্যা দেখা দেয়। ছুটির দিন হওয়া সত্ত্বেও সকালের দিকে বাজারহাটেও লোক ছিল বেশ কম। বহরমপুর, ডোমকল, কান্দি, লালবাগ ও জঙ্গিপুর মহকুমা এলাকায় সর্বত্রই কুয়াশার দাপট লক্ষ্য করা গিয়েছে। এদিন বেশ কিছু ট্রেন নির্দিষ্ট সময়ের থেকে দেরিতে ছেড়েছে। জেলার বিভিন্ন রুটের বেশ কিছু সরকারি বাসও নির্ধারিত সময়ের পরে ছেড়েছে।
Advertisement
এদিন ১২ নম্বর জাতীয় সড়কে ভোর থেকে তুলনামূলক কম গাড়ি যাতায়াত করেছে। যান চলাচলের প্রভাব পড়ে রাজ্য সড়কগুলিতেও। সেখানেও অন্যান্য দিনের তুলনায় এ দিন সকালে খুব অল্প গাড়ি যাতায়াত করেছে। পণ্য সামগ্রী বোঝাই একাধিক ট্রাককে কুয়াশার জন্য রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে থাকে। বেলা বাড়লে তারা গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। বহরমপুর- জলঙ্গি রাজ্য সড়কে বেলা বাড়তেই গাড়ির ভিড় লক্ষ্য করা যায়। ফরাক্কা- হলদিয়া বাদশাহী সড়কেও এদিন একটু বেলার পর থেকে গাড়ি চলাচল শুরু হয়।
গাড়ি চালক নিয়ামত হোসেন বলেন, ভোররাত থেকেই খুব কুয়াশা ছিল। আমি তিনটের সময়ে গাড়ি নিয়ে ফিরছিলাম। রাস্তায় কিছুই দেখা যাচ্ছিল না। ন’টা পর্যন্ত ভালো কুয়াশা ছিল।
জাতীয় সড়কে এক ট্রাকচালক রতন শেখ বলেন, সকালে এত কুয়াশা ছিল যে লরি চালাতে পারছিলাম না। হেডলাইট ডিপার করে করে কিছুটা এগিয়ে এসে নবগ্রামের কাছে একটি ধাবায় দাঁড়িয়ে গিয়েছি। ন’টা নাগাদও কুয়াশা কমেনি। তবে বেলা বাড়তেই রোদ ওঠে। তারপর আমরা গাড়ি চালানো শুরু করি। বহরমপুরের টোটো চালক রমেশ মণ্ডল বলেন, এত কুয়াশা এর আগে দেখিনি। সকাল হয়েছে তো বুঝতেই পারিনি। তিন-চার হাত দূরত্বে রাস্তায় কিছু দেখা যাচ্ছিল না। টোটো চালাতে খুব সমস্যা হয়েছে।
লালবাগে ভাগীরথীর ঘাটের এক মাঝি স্বপন হালদার বলেন, নদীর বুকে কুয়াশা আরও বেশি ছিল। একটি নৌকা পারে না আসা পর্যন্ত অন্য কোনও নৌকা ছাড়া হয়নি। যে কারণে অন্যান্য দিনের তুলনায় ফেরি চলাচলে কিছুটা দেরি হয়েছে। নওদার বাসিন্দা দিব্যেন্দু দাস বলেন, সকালে কুয়াশার দাপটে রাস্তাঘাট পুরো ভিজে ছিল। স্কুটি চালিয়ে আসতে খুব সমস্যা হয়েছে। বহরমপুরের রাধারঘাটের এক মাঝি মনিরুল শেখ বলেন, ভাগীরথীতে নৌকা পারাপারের সমস্যা হয়েছে। সকালের দিকে চার-পাঁচ মিনিট অপেক্ষা করে করে নৌকা ছেড়েছি। একটি নৌকা এলে তবেই উল্টো দিকে আর একটি নৌকা গিয়েছে।
গাড়ি চালক নিয়ামত হোসেন বলেন, ভোররাত থেকেই খুব কুয়াশা ছিল। আমি তিনটের সময়ে গাড়ি নিয়ে ফিরছিলাম। রাস্তায় কিছুই দেখা যাচ্ছিল না। ন’টা পর্যন্ত ভালো কুয়াশা ছিল।
জাতীয় সড়কে এক ট্রাকচালক রতন শেখ বলেন, সকালে এত কুয়াশা ছিল যে লরি চালাতে পারছিলাম না। হেডলাইট ডিপার করে করে কিছুটা এগিয়ে এসে নবগ্রামের কাছে একটি ধাবায় দাঁড়িয়ে গিয়েছি। ন’টা নাগাদও কুয়াশা কমেনি। তবে বেলা বাড়তেই রোদ ওঠে। তারপর আমরা গাড়ি চালানো শুরু করি। বহরমপুরের টোটো চালক রমেশ মণ্ডল বলেন, এত কুয়াশা এর আগে দেখিনি। সকাল হয়েছে তো বুঝতেই পারিনি। তিন-চার হাত দূরত্বে রাস্তায় কিছু দেখা যাচ্ছিল না। টোটো চালাতে খুব সমস্যা হয়েছে।
লালবাগে ভাগীরথীর ঘাটের এক মাঝি স্বপন হালদার বলেন, নদীর বুকে কুয়াশা আরও বেশি ছিল। একটি নৌকা পারে না আসা পর্যন্ত অন্য কোনও নৌকা ছাড়া হয়নি। যে কারণে অন্যান্য দিনের তুলনায় ফেরি চলাচলে কিছুটা দেরি হয়েছে। নওদার বাসিন্দা দিব্যেন্দু দাস বলেন, সকালে কুয়াশার দাপটে রাস্তাঘাট পুরো ভিজে ছিল। স্কুটি চালিয়ে আসতে খুব সমস্যা হয়েছে। বহরমপুরের রাধারঘাটের এক মাঝি মনিরুল শেখ বলেন, ভাগীরথীতে নৌকা পারাপারের সমস্যা হয়েছে। সকালের দিকে চার-পাঁচ মিনিট অপেক্ষা করে করে নৌকা ছেড়েছি। একটি নৌকা এলে তবেই উল্টো দিকে আর একটি নৌকা গিয়েছে।



