নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মঙ্গলবার হায়দরাবাদে সন্তোষ ট্রফির ফাইনালে কেরলের মুখোমুখি হচ্ছে বাংলা। মহাম্যাচের আগে কোচ সঞ্জয় সেন ও ফুটবলারদের শুভেচ্ছা জানালেন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। তারজন্য সোমবার নব মহাকরণে সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছিল। উপস্থিত ছিলেন আইএফএ-র কর্তারাও। ক্রীড়ামন্ত্রী বলেন, ‘এবার সন্তোষ ট্রফিতে বাংলা দুরন্ত পারফরম্যান্স মেলে ধরেছে। দীর্ঘ আট বছর পর ফের ট্রফি জেতার ব্যাপারে আশাবাদী। দলের প্রত্যেকের জন্য শুভকামনা রইল।’ পাশাপাশি ফোনে তিনি কোচ সঞ্জয় সেন ও বাংলা দলের ক্যাপ্টেন চাকু মান্ডিকে উজ্জীবিতও করেন।
Advertisement
এদিকে, আগামী ১১ জানুয়ারি ডার্বি নিয়ে জট অব্যাহত। এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে ক্রীড়ামন্ত্রী জানান, ‘ওই সময় গঙ্গাসাগর মেলা চলবে। তাই ২৫ দিন আগেই পুলিসের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ডার্বির জন্য নিরাপত্তা দেওয়া সম্ভব নয়।’ তাহলে কি ডার্বির তারিখ পিছিয়ে যাচ্ছে? না ভেন্যু পরিবর্তন হবে? ক্রীড়ামন্ত্রীর জবাব, ‘এটা আয়োজকরা ঠিক করবে।’ আইএসএলের ফিরতি ডার্বির আয়োজক মোহন বাগান। ম্যাচটি কলকাতায় না হলে প্রায় দেড় কোটি টাকা ক্ষতি হবে। তাই পুরো বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত কর্তৃপক্ষ। তবে যা পরিস্থিতি তাতে ভেন্যু পরিবর্তনের সম্ভাবনাই বেশি। সূত্রের খবর, সবুজ-মেরুন ম্যানেজমেন্টের থেকে বিকল্প দু’টি ভেন্যুর নাম চেয়েছে এফএসডিএল। মোহন বাগান সচিব দেবাশিস দত্তের কথায়, ‘পুলিস না পেলে তো ডার্বি আয়োজন সম্ভব নয়। এফএসডিএলকে চিঠি দিয়ে পুরো বিষয়টি জানানো হয়েছে। উত্তরের অপেক্ষায় রয়েছি।’
ইস্ট বেঙ্গলের শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকারের মন্তব্য, ‘প্রশাসনের দিকটাও দেখতে হবে। পুজোর সময় আমরাও গোয়ার বিরুদ্ধে অন্য ভেন্যুতে খেলেছিলাম। তখন ম্যাচ পিছতে চায়নি আইএসএল। তাই সূচি মেনে ১১ জানুয়ারিতেই হোক ডার্বি। প্রয়োজনে অন্য ভেন্যুতে ম্যাচ স্থানান্তরিত করুক। এখন আইএসএল কী সিদ্ধান্ত নেয়, তার অপেক্ষায় রয়েছি।’ উল্লেখ্য, আগামী ৮-১৭ জানুয়ারি গঙ্গাসাগর মেলা চলবে। পুণ্যার্থীদের যাতে কোনওরকম সমস্যা না হয়, তার জন্য প্রতিবছরই অতিরিক্ত পুলিস মোতায়েন থাকে। সম্প্রতি রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে একাধিক জঙ্গী ধরা পড়ায় এবার নিরাপত্তা আরও আঁটোসাঁটো করা হয়েছে।
ইস্ট বেঙ্গলের শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকারের মন্তব্য, ‘প্রশাসনের দিকটাও দেখতে হবে। পুজোর সময় আমরাও গোয়ার বিরুদ্ধে অন্য ভেন্যুতে খেলেছিলাম। তখন ম্যাচ পিছতে চায়নি আইএসএল। তাই সূচি মেনে ১১ জানুয়ারিতেই হোক ডার্বি। প্রয়োজনে অন্য ভেন্যুতে ম্যাচ স্থানান্তরিত করুক। এখন আইএসএল কী সিদ্ধান্ত নেয়, তার অপেক্ষায় রয়েছি।’ উল্লেখ্য, আগামী ৮-১৭ জানুয়ারি গঙ্গাসাগর মেলা চলবে। পুণ্যার্থীদের যাতে কোনওরকম সমস্যা না হয়, তার জন্য প্রতিবছরই অতিরিক্ত পুলিস মোতায়েন থাকে। সম্প্রতি রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে একাধিক জঙ্গী ধরা পড়ায় এবার নিরাপত্তা আরও আঁটোসাঁটো করা হয়েছে।



