নিজস্ব প্রতিনিধি, তালডাংরা: ঘড়ির কাঁটা তখন সবে ৯টার ঘর ছুঁয়েছে। তালডাংরা উপ নির্বাচনে ভোটাররাও গুটি গুটি পায়ে বুথমুখী হচ্ছেন। তখন থেকেই বিজেপি শিবিরে ছন্নছাড়া ভাব। সিমলাপাল ব্লকের ভালাইডিহা গ্রামে গিয়ে বিজেপি-র ক্যাম্প অফিসের হতশ্রী চেহারা চোখে পড়ে। সেখানে বিজেপি কর্মীদের দেখা পাওয়া যায়নি। পরিবর্তে কচিকাঁচারা গেরুয়া শিবিরের ক্যাম্প অফিসের ‘দখল’ নিয়েছে। তারা চেয়ার, টেবিল নিয়ে নিজেদের মতো করে খেলা শুরু করে দিয়েছে। কর্মীদের একটা বড় অংশ রণেভঙ্গ দেওয়ার কারণে দিনভর গেরুয়া শিবিরকে ভুগতে হয়েছে। কর্মীদের মনোবল দেখেই উপ নির্বাচনের বিজেপি প্রার্থী অনন্যা রায় চক্রবর্তী এদিন আর বুথমুখো হননি বলে তৃণমূল কটাক্ষ করেছে। যদিও ক্যাম্প অফিস ফাঁকা হলেও দিনের শেষে কোনও বিজেপি কর্মী-সমর্থক ভোটদানে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তোলেননি বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।
Advertisement
তৃণমূল প্রার্থী ফাল্গুনী সিংহবাবু বলেন, কাল সন্ধ্যা পর্যন্ত জয়ের ব্যবধান নিয়ে কিছুটা চিন্তায় ছিলাম। কিন্তু, এদিন বুথে বুথে বিজেপি-র অবস্থা দেখে তা নিয়ে আশঙ্কার আর কিছু নেই। অন্তত ২০ হাজার ভোটে আমরা দুপুরের মধ্যে এগিয়ে গিয়েছি। লিড কোথায় গিয়ে থামবে তা এখনই বলা যাচ্ছে না।
অনন্যা বলেন, কোনও একটি নির্দিষ্ট বুথে গিয়ে সময় নষ্ট করার কোনও মানে হয় না। এদিন আমরা ‘ওয়ার রুমে’ বসেই ভোট পরিচালনা করেছি। সব ক্যাম্প অফিসেই আমাদের দলের লোকজন ছিল। হয়তো মাঝে কেউ খাবার খাওয়ার জন্য অন্যত্র গিয়েছিল। তখন শিশুরা সেখানে খেলা করেছে।
এদিন সকাল থেকে ভালাইডিহা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বুথে নির্বিঘ্নেই ভোটগ্রহণ চলছিল। ফলে সেখানকার বিজেপি ও তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে আগাগোড়া সদ্ভাব বজায় ছিল। গ্রামের মোড়ে রাস্তার দু’পাশে মাত্র কয়েক গজের ব্যবধানে দু’দলের বুথের ক্যাম্প অফিস তৈরি করা হয়। তৃণমূলের ক্যাম্প অফিস সকাল থেকেই লোকজনের ভিড়ে গমগম করছিল। অথচ বিজেপি-র কাউকে পাওয়া যায়নি। কয়েকটি চেয়ার, টেবিল সেখানে পাতা ছিল। তাতেই শিশুরা খেলা করছিল। তাদের কেউ কেউ আবার বিজেপি-র ঝান্ডা ধরে নাড়চাড়া করছিল। বেশ কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার পরেও কোনও বিজেপি নেতাকর্মীর দেখা মেলেনি। স্থানীয় তৃণমূল কর্মী পার্থ অধিকারী বলেন, আমাদের এলাকায় রাজনৈতিক গণ্ডগোল হয় না। ফলে বিজেপি-র ক্যাম্প অফিসে লোক না থাকলেও ওই দলের সমর্থকদের বুথে যেতে কোনও সমস্যা হয়নি।
অনন্যা বলেন, কোনও একটি নির্দিষ্ট বুথে গিয়ে সময় নষ্ট করার কোনও মানে হয় না। এদিন আমরা ‘ওয়ার রুমে’ বসেই ভোট পরিচালনা করেছি। সব ক্যাম্প অফিসেই আমাদের দলের লোকজন ছিল। হয়তো মাঝে কেউ খাবার খাওয়ার জন্য অন্যত্র গিয়েছিল। তখন শিশুরা সেখানে খেলা করেছে।
এদিন সকাল থেকে ভালাইডিহা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বুথে নির্বিঘ্নেই ভোটগ্রহণ চলছিল। ফলে সেখানকার বিজেপি ও তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে আগাগোড়া সদ্ভাব বজায় ছিল। গ্রামের মোড়ে রাস্তার দু’পাশে মাত্র কয়েক গজের ব্যবধানে দু’দলের বুথের ক্যাম্প অফিস তৈরি করা হয়। তৃণমূলের ক্যাম্প অফিস সকাল থেকেই লোকজনের ভিড়ে গমগম করছিল। অথচ বিজেপি-র কাউকে পাওয়া যায়নি। কয়েকটি চেয়ার, টেবিল সেখানে পাতা ছিল। তাতেই শিশুরা খেলা করছিল। তাদের কেউ কেউ আবার বিজেপি-র ঝান্ডা ধরে নাড়চাড়া করছিল। বেশ কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার পরেও কোনও বিজেপি নেতাকর্মীর দেখা মেলেনি। স্থানীয় তৃণমূল কর্মী পার্থ অধিকারী বলেন, আমাদের এলাকায় রাজনৈতিক গণ্ডগোল হয় না। ফলে বিজেপি-র ক্যাম্প অফিসে লোক না থাকলেও ওই দলের সমর্থকদের বুথে যেতে কোনও সমস্যা হয়নি।



