সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: ২০১৮ ও ২০১৯ সাল। পরপর দু’বছরে মাদারিহাটের গ্যারগেন্দা চা বাগানের তিনটি শিশুকে চিতাবাঘ টেনে নিয়ে গিয়েছিল। মানুষের পাল্টা হামলায় মারা গিয়েছিল দু’টি চিতাবাঘও। এই বেদনাদায়ক স্মৃতি এখনও তাড়া করে বেরায় গ্যারগেন্দা বাগানের শ্রমিকদের। এবার বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকায় বাগানের সংযোগ কেটে দিয়েছে বিদ্যুৎ বণ্টন কোম্পানি। ফলে এক মাস ধরে অন্ধকারে ডুবে আছে গ্যারগেন্দা চা বাগান। আর ছ’বছর আগে চিতাবাঘের ওই ঘটনায় রীতিমতো আতঙ্ক তৈরি হয়েছে মাদারিহাটের ওই বাগানের শ্রমিকদের মধ্যে।
Advertisement
শ্রমিকরা জানান, বিদ্যুৎ না থাকায় বিকেলের মধ্যেই কাজকর্ম ফেলে দরজা জানালা বন্ধ করে দিয়ে ঘরে থাকতে হচ্ছে। চিতাবাঘের ভয়ে পালা করে রাত জেগে পাহারাও দিতে হচ্ছে আমাদের। বাড়ির শিশুদের দিকে তো বাড়তি নজরও দিতে হচ্ছে। বিদ্যুৎ না থাকায় বনদপ্তরও বাগানে নজরদারি বাড়িয়েছে।
গ্যারগেন্দা বাগানের স্টাফ নারায়ণ খোঁড়া বলেন, রাতে ঘন কুয়াশায় কিছুই দেখা যায় না। শৌচকাজ করতেও বাইরে বের হতে ভয় লাগে। অতর্কিতে চিতাবাঘের হামলার ভয়ে সিঁটিয়ে থাকি।
বাগানের শ্রমিক মিলন লামা বলেন, চিতাবাঘের হামলার জন্য খুব ভয়ে ভয়ে আছি। আমাদের একটাই অনুরোধ দ্রুত বকেয়া বিল মিটিয়ে বাগানে বিদ্যুৎ সংযোগ চালু করা হোক।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, লিজ ছাড়াই গত সাত বছর ধরে গ্যারগেন্দা চা বাগানটি চালাচ্ছে মেরিকো ইন্ডাস্ট্রি। বাগান কর্তৃপক্ষের ব্যাঙ্ক ঋণও মিলছে না। ফলে সমস্যা আরও বেড়েছে। সংশ্লিষ্ট কোম্পানির অন্যতম কর্ণধার সুরজিৎ বক্সি বলেন, লিজ না পাওয়ায় ব্যাঙ্ক ঋণ মিলছে না। তাই সাত বছর ধরে ধার দেনা করে বাগান চালাতে হচ্ছে। শ্রমিকদের মজুরি ও বিদ্যুৎ মিলিয়ে প্রতি মাসে খরচ হচ্ছে দুই কোটি টাকা। তবুও শ্রমিকদের ফেলে বাগান ছেড়ে আমরা কোথাও যাব না। আশা করছি, দ্রুত সমস্যা মিটবে। বাগানের লিজও পাব। বিদ্যুৎ দপ্তরের আলিপুরদুয়ারের রিজিওনাল ম্যানেজার পার্থপ্রতীম মণ্ডল বলেন, গ্যারগেন্দা চা বাগানের ৫০ লক্ষ টাকার বিদ্যুৎ বিল বকেয়া। সেজন্যই ওই বাগানের সংযোগ কেটে দেওয়া হয়েছে।
গ্যারগেন্দা বাগানের স্টাফ নারায়ণ খোঁড়া বলেন, রাতে ঘন কুয়াশায় কিছুই দেখা যায় না। শৌচকাজ করতেও বাইরে বের হতে ভয় লাগে। অতর্কিতে চিতাবাঘের হামলার ভয়ে সিঁটিয়ে থাকি।
বাগানের শ্রমিক মিলন লামা বলেন, চিতাবাঘের হামলার জন্য খুব ভয়ে ভয়ে আছি। আমাদের একটাই অনুরোধ দ্রুত বকেয়া বিল মিটিয়ে বাগানে বিদ্যুৎ সংযোগ চালু করা হোক।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, লিজ ছাড়াই গত সাত বছর ধরে গ্যারগেন্দা চা বাগানটি চালাচ্ছে মেরিকো ইন্ডাস্ট্রি। বাগান কর্তৃপক্ষের ব্যাঙ্ক ঋণও মিলছে না। ফলে সমস্যা আরও বেড়েছে। সংশ্লিষ্ট কোম্পানির অন্যতম কর্ণধার সুরজিৎ বক্সি বলেন, লিজ না পাওয়ায় ব্যাঙ্ক ঋণ মিলছে না। তাই সাত বছর ধরে ধার দেনা করে বাগান চালাতে হচ্ছে। শ্রমিকদের মজুরি ও বিদ্যুৎ মিলিয়ে প্রতি মাসে খরচ হচ্ছে দুই কোটি টাকা। তবুও শ্রমিকদের ফেলে বাগান ছেড়ে আমরা কোথাও যাব না। আশা করছি, দ্রুত সমস্যা মিটবে। বাগানের লিজও পাব। বিদ্যুৎ দপ্তরের আলিপুরদুয়ারের রিজিওনাল ম্যানেজার পার্থপ্রতীম মণ্ডল বলেন, গ্যারগেন্দা চা বাগানের ৫০ লক্ষ টাকার বিদ্যুৎ বিল বকেয়া। সেজন্যই ওই বাগানের সংযোগ কেটে দেওয়া হয়েছে।



