Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বিল বকেয়া, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করল বিদ্যুৎ দপ্তর

বিল বকেয়া, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করল বিদ্যুৎ দপ্তর
  • ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, পতিরাম: দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থার কমিটি নিয়ে বিতর্কের মাঝেই এবার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করল বিদ্যুৎ দপ্তর। সংস্থা প্রায় চার মাস বকেয়া ৪০ হাজার ৫৪৮ টাকা বিল মেটায়নি বলে অভিযোগ। সেজন্য বৃহস্পতিবার সকালে বিদ্যুৎ দপ্তর সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ায় বালুরঘাট স্টেডিয়ামে চলা ক্রিকেট লিগ থমকে যাওয়ার মুখে। শুধু তাই নয়, স্টেডিয়ামে পানীয় জল সরসবরাহ থেকে অফিসের কাজকর্ম বন্ধ হয়ে পড়েছে। এদিকে বর্তমান কমিটি এর দায় চাপিয়েছে আগের কমিটির ঘাড়ে। অভিযোগ, পুরনো কমিটির সম্পাদক এখনও দায়িত্ব হস্তান্তর করেননি। কাজেই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে ওই বিল মেটানো যায়নি।  
Advertisement
বিদ্যুৎ দপ্তর সূত্রে খবর,বকেয়া নিয়ে চলতি মাসেই ডিএসএকে সতর্ক করা হয়েছিল। টাকা না দেওয়ায় সেখানকার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। বিদুৎ বণ্টন কোম্পানির বালুরঘাট স্টেশন ম্যানেজার বিশ্বজিৎ মণ্ডল বলেন, বকেয়া না দেওয়ার জন্যই সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। টাকা দিলে ফের বিদ্যুত্ সরবরাহ করা হবে। এপ্রসঙ্গে বর্তমান কমিটির সম্পাদক সুজয় ঘোষের মন্তব্য, এখনও প্রাক্তন সম্পাদক আমাদের দায়িত্ব হস্তান্তর করেননি। ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট তিনি নিজের দায়িত্বে রেখেছেন। কেন বিদ্যুৎ বিল মেটাননি, তিনিই বলতে পারবেন। পুরনো কমিটির সম্পাদক অমিতাভ ঘোষ বলেন, আগের সব বিল মেটানো হয়েছে। এই বিলের কথা আমাকে অফিস সম্পাদক সহ কেউ কিছু জানাননি। দায়িত্ব কার হাতে হস্তান্তর করব? বিভিন্ন জায়গা থেকে নোটিস আসছে এই কমিটি অবৈধ। কেউ বসে বিষয়টি মেটাচ্ছে না। অফিস সম্পাদক সরোজ কুণ্ডু বলেন, বিলের কথা সবাইকে মৌখিকভাবে জানিয়েছি। জেলা ক্রীড়া সংস্থার ক্রিকেট সচিব অরিন্দম চন্দ বলেন, নতুন কমিটিকে দায়িত্ব হস্তান্তর না করা পর্যন্ত টাকা মেটানো সম্ভব নয়। এসবের মধ্যেও আমরা ক্রিকেট লিগ শুরু করেছি। তবে বিদ্যুৎ না থাকায়  মাঠের রক্ষণাবেক্ষণ থমকে গেল। অন্যদিকে অফিস সম্পাদক সরোজ কুন্ডুর দাবি, বিদ্যুত্ বিলের পাশাপাশি সংস্থার কর্মীদের বেতন পর্যন্ত দেওয়া যাচ্ছে না। জেলা ক্রীড়া সংস্থার কমিটি নিয়ে গত সেপ্টেম্বর মাস থেকে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। গত ২৬ নভেম্বর পুরনো কমিটির সম্পাদক অমিতাভ ঘোষের অনুপস্থিতে নতুন কমিটি তৈরি হয়। সেক্ষেত্রে পুরনো ও নতুন কমিটির মধ্যে তীব্র কোন্দল শুরু হয়েছে। অমিতাভ ঘোষ নতুন কমিটিকে অবৈধ বলে আদালত ও প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন। বিষয়টি এখন বিচারাধীন। তবে নতুন কমিটির দাবি, সমস্ত নিয়ম মেনেই কাজ হয়েছে।
সম্পর্কিত সংবাদ