নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: বাংলা বই পড়ুন। ভাষাকে বাঁচিয়ে রাখার দায়িত্ব আমাদের। রাজ্য সরকার খরচ করে শুধু জনগণকে বই পড়াতে চায়। বইমেলায় রাজ্যস্তরে মোট ১০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে বলেই দাবি জানালেন রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। তিনি বলেন, গত মরশুমে গোটা রাজ্যে বইমেলা থেকে সাড়ে বারো কোটি টাকার বই বিক্রি হয়েছে। বাম জামানায় যা বাজেট ছিল, তার থেকে সাতগুণ বাজেট বেড়েছে আমাদের দপ্তরে। বইমেলার বরাদ্দ আমরা বরাবর বাড়িয়ে চলেছি। বইমেলায় সরকারের কোনও আয় নেই। সরকার শুধু খরচ করে জনগণকে শিক্ষার সঙ্গে, বইয়ের সাথে সমৃদ্ধ করতে চাইছে। এই রাজ্য ছাড়া জেলাওয়াড়ি বইমেলা এভাবে কোথাও হয় না। গতবার রাজ্যের সব বইমেলা থেকে ৭৭ লক্ষ বই বিক্রি হয়েছে। দর্শক হয়েছে প্রায় এক কোটি।
Advertisement
বুধবার বহরমপুরের বারাক স্কোয়ার ময়দানে ৪৪তম মুর্শিদাবাদ জেলা বইমেলার শুভ উদ্বোধন করেন মন্ত্রী। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলাশাসক রাজর্ষি মিত্র, জেলার পুলিস সুপার সূর্যপ্রতাপ যাদব, জেলা পরিষদের সভাধিপতি রুবিয়া সুলতানা সহ বিশিষ্টরা। উদ্বোধন মঞ্চ থেকে প্রত্যেকেই দাবি করেন, বই পড়ুন এবং বই পড়ান। পড়ার অভ্যাস বাঁচিয়ে রাখতে হবে। ১৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে এই বইমেলা। প্রতিদিন দুপুর ১২টা থেকে রাত ন’টা পর্যন্ত। দূরদূরান্ত থেকে যাতে মানুষের যাতায়াতের সমস্যা না হয়, সেজন্য রাতের দিকে বাড়তি বাস চালানোর পরিকল্পনা করেছে জেলা প্রশাসন।
এদিন মন্ত্রী আরও বলেন, গত বছর এই মেলায় বই বিক্রি হয়েছে এক কোটি ৪০ লক্ষ টাকার। রাজ্যের মধ্যে জেলা হিসেবে বাঁকুড়া, মালদা আর মুর্শিদাবাদ জেলা বইমেলা সবথেকে বেশি বই বিক্রি করেছে। আমরা চাইছি উচ্চ শিক্ষায় যারা শিক্ষিত হতে চায়, তারা লাইব্রেরিতে আসুক, বিনা পয়সায় আমরা তাদের বই দেব। বই একটা ব্রিজের কাজ করে। পশ্চিমবঙ্গে গ্রন্থাগারগুলিতে মোট ২ কোটি ৬০ লক্ষ বই আছে।
জেলাশাসক বলেন, পড়ার অভ্যাস চলে যাচ্ছে। যেটুকু ইচ্ছা এখনও বেঁচে আছে, সেটুকুই যথেষ্ট মানুষকে মানুষের মতো রাখতে। আমাদের জেলার মতো অন্য কোনও জেলায় এত সুসংগঠিত ভাবে বইমেলা হয় কি না, আমি জানি না। আমার ভালো লাগে, প্রতিবছর প্রচুর সংখ্যক পাঠককে এখানে দেখতে পাই। আমাদের জেলা গ্রন্থাগারে যখনই যাই, কখনও খালি দেখিনি। বই বিক্রির নিরিখে এই বইমেলা রাজ্যের মধ্যে অন্যতম। বই বিক্রেতারা এখানে আসতে আগ্রহী, এটা একটা বড় সাফল্য। আমরা সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করে বেশ কিছু বাস সন্ধ্যার পরে অতিরিক্ত চালাব।
সভাধিপতি বলেন, বইয়ের দ্বারা অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা জীবনে থেকে যায়। তাই বই পড়তে হবে। বইমেলায় এসে বই কিনতে হবে। বই সকলের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে হবে।
জেলা বইমেলার কার্যকরী সভাপতি তথা অতিরিক্ত জেলাশাসক (উন্নয়ন) চিরন্তন প্রামাণিক বলেন, জেলার গ্রন্থাগারগুলিতে আনুমানিক ১০ লক্ষ বই রয়েছে। তবে পাঠক মাত্র এক লক্ষ। মুর্শিদাবাদ জেলার জনসংখ্যার তুলনায় পাঠক সংখ্যা কম। এটা আমাদের চিন্তার বিষয়। গতবারের তুলনায় এবার মেলায় স্টল বাড়ানো হয়েছে। রাজ্যের আরও দুই-তিনটি জেলার সঙ্গে বই বিক্রির নিরিখে আমাদের একটা সার্বিক লড়াই চলে। আমরা যেন ভালো স্থানে থাকতে পারি, সেটা দেখতে হবে।
এদিন মন্ত্রী আরও বলেন, গত বছর এই মেলায় বই বিক্রি হয়েছে এক কোটি ৪০ লক্ষ টাকার। রাজ্যের মধ্যে জেলা হিসেবে বাঁকুড়া, মালদা আর মুর্শিদাবাদ জেলা বইমেলা সবথেকে বেশি বই বিক্রি করেছে। আমরা চাইছি উচ্চ শিক্ষায় যারা শিক্ষিত হতে চায়, তারা লাইব্রেরিতে আসুক, বিনা পয়সায় আমরা তাদের বই দেব। বই একটা ব্রিজের কাজ করে। পশ্চিমবঙ্গে গ্রন্থাগারগুলিতে মোট ২ কোটি ৬০ লক্ষ বই আছে।
জেলাশাসক বলেন, পড়ার অভ্যাস চলে যাচ্ছে। যেটুকু ইচ্ছা এখনও বেঁচে আছে, সেটুকুই যথেষ্ট মানুষকে মানুষের মতো রাখতে। আমাদের জেলার মতো অন্য কোনও জেলায় এত সুসংগঠিত ভাবে বইমেলা হয় কি না, আমি জানি না। আমার ভালো লাগে, প্রতিবছর প্রচুর সংখ্যক পাঠককে এখানে দেখতে পাই। আমাদের জেলা গ্রন্থাগারে যখনই যাই, কখনও খালি দেখিনি। বই বিক্রির নিরিখে এই বইমেলা রাজ্যের মধ্যে অন্যতম। বই বিক্রেতারা এখানে আসতে আগ্রহী, এটা একটা বড় সাফল্য। আমরা সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করে বেশ কিছু বাস সন্ধ্যার পরে অতিরিক্ত চালাব।
সভাধিপতি বলেন, বইয়ের দ্বারা অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা জীবনে থেকে যায়। তাই বই পড়তে হবে। বইমেলায় এসে বই কিনতে হবে। বই সকলের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে হবে।
জেলা বইমেলার কার্যকরী সভাপতি তথা অতিরিক্ত জেলাশাসক (উন্নয়ন) চিরন্তন প্রামাণিক বলেন, জেলার গ্রন্থাগারগুলিতে আনুমানিক ১০ লক্ষ বই রয়েছে। তবে পাঠক মাত্র এক লক্ষ। মুর্শিদাবাদ জেলার জনসংখ্যার তুলনায় পাঠক সংখ্যা কম। এটা আমাদের চিন্তার বিষয়। গতবারের তুলনায় এবার মেলায় স্টল বাড়ানো হয়েছে। রাজ্যের আরও দুই-তিনটি জেলার সঙ্গে বই বিক্রির নিরিখে আমাদের একটা সার্বিক লড়াই চলে। আমরা যেন ভালো স্থানে থাকতে পারি, সেটা দেখতে হবে।



