নয়াদিল্লি: রাজ্য সরকারের একাধিক বিল আটকে রয়েছে রাজভবনে। সই করছেন না রাজ্যপাল। এমন অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টে ফের প্রশ্নের মুখে তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল আর এন রবি। বৃহস্পতিবার এবিষয়ে রীতিমতো উদ্বেগ প্রকাশ করে শীর্ষ আদালতের প্রশ্ন, বিলে ত্রুটি আছে বুঝতেই তিন বছর লেগে গেল? তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল কি নিজস্ব কোনও পদ্ধতি অনুসরণ করছেন?
Advertisement
তামিলনাড়ুর ডিএমকে সরকার ও রাজ্যপালের সংঘাত প্রথমবার সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছয় ২০২৩ সালে। সরকারের অভিযোগ ছিল, রাজ্যপালের ফেরত পাঠানো ১০টি বিল বিধানসভা দ্বিতীয়বার পাশ করে। তারপরও রাজ্যপাল সেগুলিতে সই না করে রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠিয়ে দিয়েছেন। এভাবে একের পর এক বিল ঝুলিয়ে রেখে উন্নয়নের কাজ ইচ্ছাকৃতভাবে ব্যাহত করছেন রাজ্যপাল। তাঁর এই ভূমিকা সংসদীয় গণতন্ত্রের নীতির পরিপন্থী। সেই সময়ই রাজ্যপালের ভূমিকা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল সুপ্রিম কোর্ট। বিধানসভায় অনুমোদিত বিল দীর্ঘদিন আটকে রাখার অভিযোগ ঘিরে ফের সুপ্রিম কোর্টের তোপের মুখে পড়লেন রাজ্যপাল। রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাতের প্রেক্ষিতে এবার একঝাঁক প্রশ্নও উত্থাপন করল বিচারপতি জে বি পারদিওয়ালা এবং আর মহাদেবনের বেঞ্চ। আগামী কাল এই প্রশ্নগুলিকে সামনে রেখেই শুনানির পালা চলবে বলে জানিয়েছে শীর্ষ আদালত। এদিনের শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টের প্রশ্ন, সই না করে কোনও বিল ফেরত পাঠাতে হলে রাজ্যপালের কি তার কারণ জানানো উচিত? কোনও বিল বিধানসভায় দ্বিতীয়বার পাশ হলেও সেটিতে সই না করে রাজ্যপাল কি তা রাষ্ট্রপতির বিবেচনার জন্য পাঠিয়ে দিতে পারেন? রাজ্যপাল কি সব ধরনের বিলই রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠাতে পারেন? রাজ্যপালের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে কি সময়সীমা বেঁধে দেওয়া সম্ভব? বিধানসভা দ্বিতীয়বার কোনও বিল পাশ করতে সেই বিলে রাজ্যপাল সম্মতি দিতে কি বাধ্য? রাষ্ট্রপতির প্রত্যাশিত ভূমিকা কি হওয়া উচিত?



