চণ্ডীগড়, ৪ মার্চ: ফসলের ন্যূনতম সহায়ক মূল্যের আইনি গ্যারান্টি সহ একাধিক ইস্যুতে সপ্তাহব্যাপী বিক্ষোভের ডাক দিয়েছেন পাঞ্জাবের কৃষকরা। বুধবার ‘চণ্ডীগড় চলো’ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। তার আগে ব্যাপক ধরপাকড় শুরু হল রাজ্যজুড়ে। সোমবার মধ্যরাত থেকে দু’শতাধিক কৃষক নেতাকে আটক করেছে পুলিস।
Advertisement
সোমবার সন্ধ্যায় সংযুক্ত কিষান মোর্চার (এসকেএম) নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান। কিন্তু মাঝপথেই বৈঠক থেকে বেরিয়ে যান মান। কৃষক নেতাদের দাবি, ‘বিনা প্ররোচনায়’ মুখ্যমন্ত্রী বৈঠক থেকে ওয়াক আউট করেন। এর কিছুক্ষণ পরেই শুরু হয় ধরপাকড়।
ক্রান্তিকারী কিষান ইউনিয়নের রাজ্যের সাধারণ সম্পাদক গুরমিত সিং মেহমার একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। যেখানে তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, ‘সন্ধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী বৈঠক থেকে ওয়াক আউট করলেন। এর পরে কৃষক নেতাদের বাড়িতে হানা দেওয়া শুরু করল পুলিস। রাত তিনটে নাগাদ পুলিস আমার ফিরোজপুরের বাড়িতে আসে। তারা আমাকে আটক করেছে।’ মেহমা ছাড়াও জগবিন্দর সিং চৌহান, মনজীৎ রাজ এবং সুরজিৎ সিংয়ের মতো প্রথমসারির কৃষক নেতাকেও পুলিশ আটক করেছে বলে জানা গিয়েছে।
কৃষক নেতাদের আটক করার তীব্র নিন্দা করেছেন শিরোমণি অকালি দল সভাপতি সুখবীর সিং বাদল। এক্স হ্যান্ডলে তিনি লিখেছেন, ‘কৃষক নেতাদের পুলিসি অভিযান কোনওভাবে মেনে নেওয়া যায় না। পঞ্জাবের দাম্ভিক মুখ্যমন্ত্রীর এমন আচরণের আমি তীব্র নিন্দা করছি। এভাবে গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ করছে আপ সরকার।’
ক্রান্তিকারী কিষান ইউনিয়নের রাজ্যের সাধারণ সম্পাদক গুরমিত সিং মেহমার একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। যেখানে তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, ‘সন্ধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী বৈঠক থেকে ওয়াক আউট করলেন। এর পরে কৃষক নেতাদের বাড়িতে হানা দেওয়া শুরু করল পুলিস। রাত তিনটে নাগাদ পুলিস আমার ফিরোজপুরের বাড়িতে আসে। তারা আমাকে আটক করেছে।’ মেহমা ছাড়াও জগবিন্দর সিং চৌহান, মনজীৎ রাজ এবং সুরজিৎ সিংয়ের মতো প্রথমসারির কৃষক নেতাকেও পুলিশ আটক করেছে বলে জানা গিয়েছে।
কৃষক নেতাদের আটক করার তীব্র নিন্দা করেছেন শিরোমণি অকালি দল সভাপতি সুখবীর সিং বাদল। এক্স হ্যান্ডলে তিনি লিখেছেন, ‘কৃষক নেতাদের পুলিসি অভিযান কোনওভাবে মেনে নেওয়া যায় না। পঞ্জাবের দাম্ভিক মুখ্যমন্ত্রীর এমন আচরণের আমি তীব্র নিন্দা করছি। এভাবে গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ করছে আপ সরকার।’



