নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বক্সা ব্যাঘ্রপ্রকল্পের কোর এলাকায় কোনও হোটেল, রিসর্ট, হোম স্টে রাখা যাবে না। শুক্রবার পর্যবেক্ষণে এমনটাই জানিয়ে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। সেইসঙ্গে ব্যাঘ্র প্রকল্পের আওতাভুক্ত এলাকাকে বাণিজ্যিক চত্বরে পরিণত করা যায় কি না? সেই বিষয়টিও জানতে চেয়েছে আদালত।
Advertisement
পরিবেশ কর্মী সুভাষ দত্তের দায়ের করা মামলায় গ্রিন ট্রাইব্যুনালের রায় অনুযায়ী, বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্প এলাকায় হোটেল, হোম স্টে বন্ধের নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামলা হয়। শুক্রবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু স্পষ্ট জানিয়েছেন, কোর এলাকায় কোনও হোটেল, হোম স্টে, রিসর্ট রাখা যাবে না। এছাড়াও তিনি জানতে চান, ‘বাঘ সংরক্ষণের জন্য নির্ধারিত জঙ্গলে কীভাবে পর্যটন ভিলেজ তৈরি করা হয়েছে? সেখানে পাথর ভাঙা বা স্টোন ক্রাশার ইউনিট কীভাবে তৈরি হল?’ একই সঙ্গে বক্সা সংলগ্ন এলাকায় কেন স্টোন ক্রাশার ইউনিট গুলিকে এখন পুরোপুরি তুলে দেওয়া যায়নি, সে বিষয়ে রাজ্যের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিচারপতি।
রাজ্যের তরফে জানানো হয়, ওই ব্যাঘ্র প্রকল্পের আশপাশের অংশ পর্যটনে ও অন্যান্য কাজে ব্যবহার হলেও কোর এলাকা বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার হয়নি। ২০১৩ সালে কেন্দ্রের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ‘রেভিনিউ ভিলেজ’ তৈরি করা যায় বলেও রাজ্যের তরফে উল্লেখ করা হয়েছে। আপাতত গ্রিন ট্রাইব্যুনালে এই মামলা সংক্রান্ত সমস্ত নথি তলব করেছে আদালত। উল্লেখ্য, ২০১২ সালে সুপ্রিম কোর্ট দেশের সমস্ত ব্যাঘ্রপ্রকল্পের ‘কোর’ এলাকায় পর্যটন নিষিদ্ধ করেছিল। পাশাপাশি ওই সব এলাকায় হোটেল, রিসর্ট নির্মাণের ক্ষেত্রেও কিছু শর্ত প্রয়োগ করেছিল।
রাজ্যের তরফে জানানো হয়, ওই ব্যাঘ্র প্রকল্পের আশপাশের অংশ পর্যটনে ও অন্যান্য কাজে ব্যবহার হলেও কোর এলাকা বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার হয়নি। ২০১৩ সালে কেন্দ্রের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ‘রেভিনিউ ভিলেজ’ তৈরি করা যায় বলেও রাজ্যের তরফে উল্লেখ করা হয়েছে। আপাতত গ্রিন ট্রাইব্যুনালে এই মামলা সংক্রান্ত সমস্ত নথি তলব করেছে আদালত। উল্লেখ্য, ২০১২ সালে সুপ্রিম কোর্ট দেশের সমস্ত ব্যাঘ্রপ্রকল্পের ‘কোর’ এলাকায় পর্যটন নিষিদ্ধ করেছিল। পাশাপাশি ওই সব এলাকায় হোটেল, রিসর্ট নির্মাণের ক্ষেত্রেও কিছু শর্ত প্রয়োগ করেছিল।



