সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২৯০০ ফুট উচ্চতায় আলিপুরদুয়ারের বক্সা পাহাড়। এখানকার ১৩টি পাহাড়ি জনপদের মানুষের দৈনন্দিন সমস্যা মোবাইল নেটওয়ার্ক না পাওয়া। যারজন্য অনলাইনে পড়াশোনার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে হচ্ছে পড়ুয়াদের।
Advertisement
বক্সা পাহাড়ে মোবাইল ফোনের টাওয়ার বসানোর জন্য অতীতে কয়েকবার সমীক্ষা হয়েছে। কিন্তু সেই সমীক্ষাই সার। কোনও কাজ হয়নি। এবার বিধানসভায় বক্সা পাহাড়ের মানুষের এই সমস্যার কথা তুলে ধরতে উদ্যোগী হলেন আলিপুরদুয়ারের তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক সুমন কাঞ্জিলাল। বিধায়ক বলেন, বক্সা পাহাড়ে রয়েছে আন্তর্জাতিক ভুটান ও চীন সীমান্তে। হতে পারে এ কারণে এতদিন সেখানে মোবাইল ফোনের টাওয়ার বসেনি। চলতি বিধানসভার অধিবেশনেই টাওয়ারের বিষয়টি তুলব। বিভাগীয় মন্ত্রীর সঙ্গেও এনিয়ে দ্রুত কথা বলব।
বক্সা পাহাড়ের ভিউ পয়েন্টের কথা সকলেরই জানা। কিন্তু মোবাইল পয়েন্টের কথা কেউ শোনেননি। বক্সা পাহাড়ে কিছু কিছু এলাকা আছে যেখানে মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্ক মেলে। স্থানীয়রা জরুরি কথা বলার সময় ওই মোবাইল পয়েন্টে যান। যেখানে মোবাইল নেটওয়ার্ক মেলে, স্থানীয়রা সেসব এলাকাকে চিহ্নিত করে ‘মোবাইল পয়েন্ট’ নাম দিয়েছেন।
বক্সা পাহাড়ের লেপচাখা গ্রামের বাসিন্দা পাশাং শেরিং বলেন, কিছু কিছু এলাকা আছে যেখানে কথা বলার জন্য নেটওয়ার্ক পাই। আমরা ওই এলাকাগুলিকে মোবাইল পয়েন্ট বলি। একসময় তাসিগাঁওয়ের বাসিন্দা ছিলেন জেমস ডুকপা। এখন সমতল সান্তলাবাড়িতে থাকেন তিনি। জেমস বলেন, নেটওয়ার্ক না থাকায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে হচ্ছে বক্সা পাহাড়ের পড়ুয়াদের। তারা অনলাইন ক্লাস করতে পারছে না।
তাসিগাঁওয়ের আরএক বাসিন্দা অবশ্য বলেন, আমাদের এলাকায় শুধু নির্দিষ্ট একটি কোম্পানির নেটওয়ার্ক মাঝেমধ্যে পাওয়া যায়। বাকিগুলির নেটওয়ার্ক পাওয়াই যায় না।
বক্সা পাহাড়ের ভিউ পয়েন্টের কথা সকলেরই জানা। কিন্তু মোবাইল পয়েন্টের কথা কেউ শোনেননি। বক্সা পাহাড়ে কিছু কিছু এলাকা আছে যেখানে মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্ক মেলে। স্থানীয়রা জরুরি কথা বলার সময় ওই মোবাইল পয়েন্টে যান। যেখানে মোবাইল নেটওয়ার্ক মেলে, স্থানীয়রা সেসব এলাকাকে চিহ্নিত করে ‘মোবাইল পয়েন্ট’ নাম দিয়েছেন।
বক্সা পাহাড়ের লেপচাখা গ্রামের বাসিন্দা পাশাং শেরিং বলেন, কিছু কিছু এলাকা আছে যেখানে কথা বলার জন্য নেটওয়ার্ক পাই। আমরা ওই এলাকাগুলিকে মোবাইল পয়েন্ট বলি। একসময় তাসিগাঁওয়ের বাসিন্দা ছিলেন জেমস ডুকপা। এখন সমতল সান্তলাবাড়িতে থাকেন তিনি। জেমস বলেন, নেটওয়ার্ক না থাকায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে হচ্ছে বক্সা পাহাড়ের পড়ুয়াদের। তারা অনলাইন ক্লাস করতে পারছে না।
তাসিগাঁওয়ের আরএক বাসিন্দা অবশ্য বলেন, আমাদের এলাকায় শুধু নির্দিষ্ট একটি কোম্পানির নেটওয়ার্ক মাঝেমধ্যে পাওয়া যায়। বাকিগুলির নেটওয়ার্ক পাওয়াই যায় না।



