সংবাদদাতা, সিউড়ি: শীতের মরশুমে বক্রেশ্বর উষ্ণ প্রস্রবণে পুণ্যার্থীদের ভিড় শুরু হয়েছে। রবিবার সেখানে পর্যটকদের ভিড় উপচে পড়ে। শনিবার বিকেলের পর থেকেই বক্রেশ্বরে ভিড় জমাতে শুরু করেন বিভিন্ন জেলা ও ভিনরাজ্য থেকে আসা পর্যটকরা। এদিন ভোর থেকেই উষ্ণ প্রস্রবণে স্নান করতে দেখা যায় পুণ্যার্থীদের। তারপর মন্দির প্রাঙ্গণে পুজো দিতে দেখা যায়। ভিড় সামাল দিতে পুলিস মোতায়েন করা হয়। মহিলাদের নিরাপত্তায় ছিল মহিলা পুলিসও।
Advertisement
বক্রেশ্বরের সেবাইতদের একাংশ জানান, প্রতি বছর ডিসেম্বর মাসের শুরু থেকেই ভিড় বাড়ে। রবিবার ছুটির দিনে সেখানে ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা যায়। সেবাইতদের একাংশের মতে এদিন প্রায় তিন হাজারেরও বেশি পর্যটক সেখানে এসেছিলেন। তবে এখনই বড় বাস তেমনভাবে দেখা যাচ্ছে না। কিছুদিন পরই কলকাতা, ঝড়খণ্ড, বিহার থেকে বড় যাত্রীবাহী বাসে করে পর্যটকরা আসবেন। সেবাইতদের আশা, আগামী কয়েকদিনের মধ্যে শীত আরও জাঁকিয়ে পড়লে পর্যটক সমাগম বাড়বে। উল্লেখ্য, ৫১পীঠের মধ্যে বক্রেশ্বর সতীপীঠ অন্যতম। এটি বীরভূমের গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্র। এই সতীপীঠ ঘিরে স্থানীয় ক্ষুদ্র, মাঝারি ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে হোটেল ও আবাসন ব্যবসায়ীরা রোজগার করেন। এই শীতের মরশুমের দিকেই সারা বছর তাকিয়ে থাকেন তাঁরা। শীতের মরশুমে এখানে উষ্ণ প্রস্রবণে অর্থাৎ গরম জলে স্নান করতে আসেন বহু মানুষ। পুণ্যস্নানের পর তাঁরা মন্দিরে পুজো দেন। রবিবার পর্যটক সমাগম হওয়ায় কিছুটা হাসি ফুটেছে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মুখে।
বক্রেশ্বর নদী সংলগ্ন বিভিন্ন জায়গায় পর্যটকরা পিকনিক করতেও এসেছিলেন। পিকনিক করার মাঝে পরিবার নিয়ে পীঠস্থান পরিদর্শন করেন। ফলে ডিসেম্বরের শুরু থেকে বক্রেশ্বর পর্যটন কেন্দ্র জমে উঠেছে। বিহার থেকে আসা মৌসুমি আগারওয়াল, বিশ্বজিৎ আগারওয়াল, বাঁকুড়া থেকে আসা বৈশাখী দাস, করবী দাস বলেন, শীতের মরশুমে প্রতি বছর একবার অন্তত বক্রেশ্বর উষ্ণ প্রস্রবণে স্নান করতে আসি। স্নান করে মন্দিরে পুজো দিলাম। পাশাপাশি একটা দিন ঘোরা হল। বক্রেশ্বর এলেই এখান থেকে একদিন তারাপীঠ তারপর একদিন বোলপুর হয়ে ফিরে যাই।
বক্রেশ্বর মন্দিরের সেবাইত রানা চৌধুরী বলেন, জাঁকিয়ে শীত না পড়ায় এতদিন তেমন ভিড় ছিল না। কিন্তু আজকে ব্যাপক ভিড় হয়েছে। আমরা আশা করছি শীত জাঁকিয়ে পড়লে পর্যটকদের ভিড় আরও বাড়বে। ছুটির দিনে বহু মানুষ এখানে পিকনিক করতে এসেছেন।
বক্রেশ্বর নদী সংলগ্ন বিভিন্ন জায়গায় পর্যটকরা পিকনিক করতেও এসেছিলেন। পিকনিক করার মাঝে পরিবার নিয়ে পীঠস্থান পরিদর্শন করেন। ফলে ডিসেম্বরের শুরু থেকে বক্রেশ্বর পর্যটন কেন্দ্র জমে উঠেছে। বিহার থেকে আসা মৌসুমি আগারওয়াল, বিশ্বজিৎ আগারওয়াল, বাঁকুড়া থেকে আসা বৈশাখী দাস, করবী দাস বলেন, শীতের মরশুমে প্রতি বছর একবার অন্তত বক্রেশ্বর উষ্ণ প্রস্রবণে স্নান করতে আসি। স্নান করে মন্দিরে পুজো দিলাম। পাশাপাশি একটা দিন ঘোরা হল। বক্রেশ্বর এলেই এখান থেকে একদিন তারাপীঠ তারপর একদিন বোলপুর হয়ে ফিরে যাই।
বক্রেশ্বর মন্দিরের সেবাইত রানা চৌধুরী বলেন, জাঁকিয়ে শীত না পড়ায় এতদিন তেমন ভিড় ছিল না। কিন্তু আজকে ব্যাপক ভিড় হয়েছে। আমরা আশা করছি শীত জাঁকিয়ে পড়লে পর্যটকদের ভিড় আরও বাড়বে। ছুটির দিনে বহু মানুষ এখানে পিকনিক করতে এসেছেন।



