Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বাঁকুড়া-রানিগঞ্জকে রেলপথে যুক্ত করার দাবিতে সরব সাংসদ

বাঁকুড়া-রানিগঞ্জকে রেলপথে যুক্ত করার দাবিতে সরব সাংসদ
  • ১০ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: রেলপথে বাঁকুড়াকে রানিগঞ্জের সঙ্গে যুক্ত করার দাবিতে সরব হলেন সাংসদ অরূপ চক্রবর্তী। বৃহস্পতিবার কলকাতায় সাংসদদের সঙ্গে দক্ষিণ-পূর্ব রেল কর্তৃপক্ষ বৈঠক করে। ওই বৈঠকে অরূপবাবু অন্যান্য দাবির সঙ্গে বাঁকুড়া-রানিগঞ্জ রেলপথের দাবি তোলেন। পাশাপাশি বাঁকুড়া তথা জঙ্গলমহলের পর্যটনের উন্নতির জন্য ছাতনা-মুকুটমণিপুর রেলপথের বকেয়া কাজ শেষ করার দাবিও জানান। রেলের আধিকারিকরা তাঁর দাবিদাওয়া খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন বলে অরূপবাবু জানিয়েছেন। অরূপবাবু বলেন, বাঁকুড়া স্টেশনে চলমান সিঁড়ি খুব শীঘ্রই বসতে চলেছে। আদ্র ডিভিশনের অন্তর্গত বাঁকুড়া ও পুরুলিয়ার স্টেশনগুলির যাবতীয় পরিকাঠামো উন্নয়নের কাজও দ্রুততার সঙ্গে করা হবে। চাষি, ছাত্রছাত্রী সহ সকলের সুবিধার জন্য সময়ে ট্রেন চালানোর ব্যাপারেও রেল কর্তৃপক্ষ নজর দেবে বলে এদিন আধিকারিকরা আমাদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এদিনের বৈঠকে আমার দাবিগুলিকে রেল কর্তৃপক্ষ মান্যতা দিয়েছে। অন্যান্য দাবির সঙ্গে বাঁকুড়া-রানিগঞ্জ ও ছাতনা-মুকুটমণিপুর রেলপথ নিয়েও আমি কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করি। কয়লা পরিবহণের জন্য রানিগঞ্জ থেকে মেজিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র পর্যন্ত রেল লাইন রয়েছে। তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বাঁকুড়া স্টেশনের দূরত্ব মাত্র ২০ কিলোমিটার। ফলে দু’জায়গা জুড়ে দিলে আমাদের আর রেলপথে আদ্রা হয়ে ১০০ কিলোমিটার ঘুরে আসানসোল, রানিগঞ্জ, দুর্গাপুর যেতে হবে না। তাছাড়া ওই লাইন পূর্ব রেলকে দক্ষিণ-পূর্ব রেলের সঙ্গে যুক্ত করবে। বাঁকুড়ার সঙ্গে দুই বর্ধমান, কলকাতা সহ দেশের অন্যান্য জায়গা সহজেই ট্রেনে চেপে পৌঁছে যাওয়া যাবে। তিনি আরও বলেন, আমাদের দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেলমন্ত্রী থাকাকালীন ছাতনা-মুকুটমণিপুর রেলপথ স্থাপনে উদ্যোগী হয়েছিলেন। জমি অধিগ্রহণেরর কাজও শুরু হয়েছিল। কিন্তু, পরবর্তীকালে বাজেটে ওই রেলপথের জন্য আর অর্থ বরাদ্দ করা হয়নি। ছাতনা থেকে মুকুটমণিপুর হয়ে ঝাড়গ্রাম পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণ হলে জঙ্গলমহলের অর্থনীতির ভোল বদলে যাবে। তাছাড়া বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম ও পশ্চিম মেদিনীপুরের পর্যটন কেন্দ্রগুলিতেও দূর-দূরান্ত থেকে ভ্রমণপিপাসুরা সহ঩জেই পৌঁছতে পারবেন। আদ্রার ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজার (ডিআরএম) সুমিত নারুলা বলেন, বাঁকুড়ার সাংসদের প্রস্তাব আমরা পেয়েছি। ছাতনা-মুকুটমণিপুর বা বাঁকুড়া-রানিগঞ্জ রেল পথের ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নেবে। আমরা প্রস্তাব যথাস্থানে পৌঁছে দেব।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ