সংবাদদাতা,বিষ্ণুপুর: শুধু বালি,কয়লা বা অন্যান্য খনিজই নয়। জঙ্গলমহলের প্রাকৃতিক সম্পদের উপরেও স্থানীয়দের অধিকার রয়েছে। সরকার প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণ করলে সেই সব এলাকারও উন্নয়নও করতে হবে। জঙ্গলমহলের মানুষের কথা ভেবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এমনইসিদ্ধান্ত নেন। তার ফলস্বরূপ সম্প্রতি ওয়েষ্ট বেঙ্গল ডিস্ট্রিক্ট মিনারেল ফাউন্ডেশন বাঁকুড়ার জঙ্গলমহলের আট ব্লকে বিভিন্ন প্রকল্পে দেড় কোটি টাকা বরাদ্দ করল। ওই টাকায় স্কুলে স্মার্ট ক্লাসরুম, শ্রেণিকক্ষ, পানীয় জল, রাস্তায় কালভার্ট, স্পোর্টস কমপ্লেক্স, জিম, আলো, হাসপাতালের বেড, আউটডোর বিভাগ, রোগীদের বিশ্রামকক্ষ, নাইট শেল্টার, পাঁচিল প্রভৃতি তৈরি হবে। এতে খুশি স্থানীয় বাসিন্দারা।
Advertisement
প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, চলতি বছরে বাঁকুড়ার খাতড়া, ইন্দপুর, সারেঙ্গা, রাইপুর, তালডাংরা, সিমলাপাল, রানিবাঁধ ও হিড়বাঁধ ব্লকে মোট ২০টি উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য মোট ১কোটি ৫০লক্ষ ৭৮হাজার ৩৩২টাকা বরাদ্দ হয়েছে। চারমাসের মধ্যে কাজ শেষ করতে বলা হয়েছে।
প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বাঁকুড়ায় খনি থেকে কয়লা, পাথর এবং বিভিন্ন নদনদী থেকে বালি তোলা হয়। তাতে রাজ্য সরকারের কোষাগারে মোটা টাকা জমা পড়ে। কিন্তু তার জন্য বাঁকুড়া কী পাচ্ছে? হাটেবাজারে সমালোচকদের মুখে এমন প্রশ্ন শোনা যায়। তবে সংশ্লিষ্ট এলাকার উন্নয়নের জন্য মুখ্যমন্ত্রী ২০১৬সালে ওয়েস্ট বেঙ্গল ডিস্ট্রিক্ট মাইনিং ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন তৈরি করেছেন সেটা বোধহয় অনেকেরই অজানা। ওই ফাউন্ডেশন থেকে এলাকায় নানা উন্নয়নমূলক কাজ করা হয়।তবে সবচেয়ে বড় বিষয় হল, এতদিন পর্যন্ত ওই ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে কেবলমাত্র খনিজ উত্তোলনের ক্ষেত্রেই এলাকার উন্নয়নে অর্থ বরাদ্দের কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী মনে করেন, শুধু খনিজই নয়, জঙ্গলমহলের প্রাকৃতিক সম্পদের অধিকারও স্থানীয় মানুষের, তাই সেখানেও ফাউন্ডেশন থেকে উন্নয়নমূলক কাজ করা প্রয়োজন।জেলাশাসকের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট ব্লকের বিডিওদের কাছে বরাদ্দ টাকা পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৬সালের ওয়েস্টট বেঙ্গল ডিস্ট্রিক্ট মিনারেল ফাউন্ডেশন আইনে বলা হয়, এটি একটি অলাভজনক সংস্থা হিসেবে স্থানীয় মানুষদের কল্যাণে কাজ করবে। সংস্থার চেয়ারপার্সন হবেন বিভাগীয় রাজস্ব কমিশনার অথবা কালেক্টর।এছাড়া সদস্য হিসাবে থাকবেন, অতিরিক্ত জেলাশাসক এবং ইস্পাত ও খনি, বন ও পরিবেশ, পল্লি উন্নয়ন, তফসিলি জাতি ও উপজাতি উন্নয়ন, স্বাস্থ্য বিভাগের জেলার কর্মকর্তা। সংস্থার ম্যানেজার হন জেলা কালেক্টর। এছাড়াও একাধিক জনপ্রতিনিধি কমিটিতে রয়েছেন। খনিজ সম্পদের ইজারাদারদের কাছ থেকে নির্দিষ্ট হারে অর্থ সংগ্রহ করে তা ফাউন্ডেশনে জমা হয়। ওই অর্থ থেকেই এলাকার উন্নয়ন হয়।
প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বাঁকুড়ায় খনি থেকে কয়লা, পাথর এবং বিভিন্ন নদনদী থেকে বালি তোলা হয়। তাতে রাজ্য সরকারের কোষাগারে মোটা টাকা জমা পড়ে। কিন্তু তার জন্য বাঁকুড়া কী পাচ্ছে? হাটেবাজারে সমালোচকদের মুখে এমন প্রশ্ন শোনা যায়। তবে সংশ্লিষ্ট এলাকার উন্নয়নের জন্য মুখ্যমন্ত্রী ২০১৬সালে ওয়েস্ট বেঙ্গল ডিস্ট্রিক্ট মাইনিং ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন তৈরি করেছেন সেটা বোধহয় অনেকেরই অজানা। ওই ফাউন্ডেশন থেকে এলাকায় নানা উন্নয়নমূলক কাজ করা হয়।তবে সবচেয়ে বড় বিষয় হল, এতদিন পর্যন্ত ওই ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে কেবলমাত্র খনিজ উত্তোলনের ক্ষেত্রেই এলাকার উন্নয়নে অর্থ বরাদ্দের কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী মনে করেন, শুধু খনিজই নয়, জঙ্গলমহলের প্রাকৃতিক সম্পদের অধিকারও স্থানীয় মানুষের, তাই সেখানেও ফাউন্ডেশন থেকে উন্নয়নমূলক কাজ করা প্রয়োজন।জেলাশাসকের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট ব্লকের বিডিওদের কাছে বরাদ্দ টাকা পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৬সালের ওয়েস্টট বেঙ্গল ডিস্ট্রিক্ট মিনারেল ফাউন্ডেশন আইনে বলা হয়, এটি একটি অলাভজনক সংস্থা হিসেবে স্থানীয় মানুষদের কল্যাণে কাজ করবে। সংস্থার চেয়ারপার্সন হবেন বিভাগীয় রাজস্ব কমিশনার অথবা কালেক্টর।এছাড়া সদস্য হিসাবে থাকবেন, অতিরিক্ত জেলাশাসক এবং ইস্পাত ও খনি, বন ও পরিবেশ, পল্লি উন্নয়ন, তফসিলি জাতি ও উপজাতি উন্নয়ন, স্বাস্থ্য বিভাগের জেলার কর্মকর্তা। সংস্থার ম্যানেজার হন জেলা কালেক্টর। এছাড়াও একাধিক জনপ্রতিনিধি কমিটিতে রয়েছেন। খনিজ সম্পদের ইজারাদারদের কাছ থেকে নির্দিষ্ট হারে অর্থ সংগ্রহ করে তা ফাউন্ডেশনে জমা হয়। ওই অর্থ থেকেই এলাকার উন্নয়ন হয়।



