Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বিকল্প রাস্তা নেই, যানজটে নাকাল হন এলাকাবাসী

বিকল্প রাস্তা নেই, যানজটে নাকাল হন এলাকাবাসী
  • ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, জঙ্গিপুর: রঘুনাথগঞ্জে প্রতিদিনই যানজটের কবলে পড়ে নাকাল হতে হচ্ছে পথচারীদের। শহরে প্রবেশের বিকল্প রাস্তা নাথাকায় এপথ দিয়েই চলাচল করতে হয় সাধারণ মানুষকে। সকাল থেকেই ছোট বড় যানবাহন ও  মানুষের আনাগোনা শুরু হয়। যত বেলা বাড়ে পাল্লা দিয়ে বাড়ে যানজটও। দশ মিনিটের পথ অতিক্রম করতে কখনও আধ ঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টা লাগে। সেই যানজট থেকে শীঘ্রই মুক্তি মিলবে বলে জনপ্রতিনিধিদের দাবি। রঘুনাথগঞ্জ থেকে উমরপুর পর্যন্ত প্রায় পাঁচ কিমি রাস্তা ফোর লেন হবে। খুব শীঘ্রই এই ফোন লেনের কাজ শুরু হবে বলে জানা গিয়েছে। শহরের মূল রাস্তাটি ফোর লেন হলে যাতায়াতের পথ আরও সুগম হবে বলে এলাকাবাসীর অভিমত। দীর্ঘদিন থেকে রাস্তাটি ফোর লেনের দাবি জানিয়ে আসছিলেন এলাকাবাসী।
Advertisement
জাকির হোসেন বলেন, শহরে যানজট একটি নতুন সমস্যা রূপে দেখা দিয়েছে, রাস্তাটি ফোরলেন হলে যানজট সমস্যা মিটে যাবে। 
জানা গিয়েছে, উমরপুর ১২নম্বর জাতীয় সড়ক থেকে রঘুনাথগঞ্জ ফুতলতা পর্যন্ত প্রায় পাঁচ কিমি রাজ্য সড়কটিকে ফোর লেনের দাবি বহুদিনের। উমরপুর জাতীয় সড়ক থেকে রঘুনাথগঞ্জ হয়ে রাস্তাটি লালগোলা পর্যন্ত চলে গিয়েছে। এটিই জঙ্গিপুরে প্রবেশের মূল রাস্তা হওয়ায় প্রতিদিন বহু যানবাহন ও প্রায় লক্ষাধিক মানুষ এই পথে যাতায়াত করে থাকে। এছাড়া লালগোলা থেকে বহু বড়ো ও পণ্যবাহি ভাড়ি যানবাহন জাতীয় সড়কে ওঠে। এছাড়াও সাগরদিঘি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রেও বহু মালবাহী ট্রাক, লরি ও যানবাহন চলাচল করে থাকে। ফলে সকাল থেকেই যানজটের সৃষ্টি হয়। অফিস টাইমে জঙ্গিপুর ভাগীরথী ব্রিজ থেকে ফুলতলায় ছুঁচো গেলার মতো পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। যানজটে অ্যাম্বুলেন্স সহ জরুরি পরিষেবার গাড়ি থেকে অফিস, স্কুল ও কলেজ পড়ুয়ারা আটকে পড়েন। 
শহরে যাওয়ার অন্য কোনও বিকল্প রাস্তা নাথাকায় এই পথেই সকলকে চলতে হয়। রাস্তাটি সম্প্রসারণের দাবি জানিয়ে আসছিলেন এলাকাবাসী। জঙ্গিপুরের বাসিন্দা রিঙ্কু শেখ বলেন, রঘুনাথগঞ্জ শহরেই কাজ প্রতিদিন যেতে হয় যানজটের কারণে অনেক সময় নষ্ট হয়ে। রাস্তাটি ফোর লেন হলে মানুষের উপকার হবে। এটি শহরের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা হলেও নেই কোনও স্ট্রিট লাইট। ফলে সূর্য ডুবতেই অন্ধকারে ঢেকে যায় গোটা এলাকা। রাস্তায় আলো লাগানোরও দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
এ প্রসঙ্গে জরুর গ্রামপঞ্চায়েতের প্রধান ইয়াকুব আলি বলেন, এই রাস্তায় স্ট্রিট লাইটের যে খরচ তা বহন করা পঞ্চায়েতের পক্ষে সম্ভব নয়। সোলার লাইট লাগিয়েও তা বেশিদিন টিকছেনা। এটা যাতে অন্য কোন দপ্তর দেখে তারজন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলব।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ