নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: প্রতিবছর শীতের শুরুতেই তাদের আনাগোনা শুরু হয়। নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে নদনদী ও জলাশয়ে তারা ভিড় করে। কিন্তু এবার বাঁকুড়ার জলাধারগুলিতে তাদের সেভাবে দেখা মিলছে না। নাড়া পোড়ানোর ফলে বাঁকুড়ায় দূষণ মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। তার ফলেই পরিযায়ী পাখির সংখ্যা কমছে বলে কৃষিদপ্তরের আধিকারিকরা তাঁদের পর্যবেক্ষণে জানিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে পরিবেশপ্রেমীরা উদ্বিগ্ন। অবিলম্বে নাড়া পোড়ানো বন্ধের দাবিতে পরিবেশবিদরা সরব হয়েছেন।
Advertisement
বাঁকুড়ার উপ কৃষি অধিকর্তা(প্রশাসন) দেবকুমার সরকার বলেন, নাড়া পোড়ানোর ফলে জেলায় বায়ুদূষণ বাড়ছে। খেতখামার সংলগ্ন নদনদী ও জলাশয়ের জলও দূষিত হয়ে পড়ছে। ফলে সেখানে পরিযায়ী পাখির থাকার মতো অনুকুল পরিবেশ থাকছে না। সেই কারণে তাদের আনাগোনা কমে যাচ্ছে। বিষয়টি আমরা লক্ষ্য করেছি। তিনি আরও বলেন, নাড়া পোড়ানোর বিরুদ্ধে আমরা একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। জেলাজুড়ে সচেতনতামূলক প্রচার করা হচ্ছে। পাশাপাশি বিষয়টি বেআইনি জানিয়ে ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হচ্ছে।
বাঁকুড়া উত্তরের বিভাগীয় বনাধিকারিক দেবাশিস মহিমাপ্রসাদ প্রধান বলেন, আমাদের ডিভিশনের মধ্যে বড়জোড়া ব্যারেজে সবচেয়ে বেশি পরিযায়ী পাখি আসে। তাছাড়াও বিভিন্ন নদনদী, জোরবাঁধ ও বড় জলাশয়ে পরিযায়ী পাখির আনাগোনা লক্ষ্য করা যায়। এবার সেভাবে পরিযায়ী পাখি দেখা যাচ্ছে না। বিষয়টির উপর আমরা নজর রেখেছি।
বাঁকুড়া-১ ব্লকের পুয়াবাগান এলাকার একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের চেয়ারম্যান শশাঙ্ক দত্ত বলেন, শহরের আশপাশের মধ্যে আমাদের কলেজের জলাশয়েই সবচেয়ে বেশি পরিযায়ী পাখি আসে। অন্যান্যবার নভেম্বর মাসের শেষেই পাখির ঝাঁক জলাশয়ে আসত। এবার এখনও পর্যন্ত পাখি আসেনি বললেই চলে। বিশ্ব উষ্ণায়নের কারণে পাখি আসা কমে যাচ্ছে বলে আমাদের অনুমান।
বন ও কৃষিদপ্তরের আবহাওয়া বিভাগ সূত্রে জানা গিয়েছে, কর্কটক্রান্তি রেখার দু’পাশে ভারত থাকার ফলে জলবায়ু নাতিশীতোষ্ণ প্রকৃতির। এরাজ্যের উপর দিয়েও ওই রেখা গিয়েছে। ফলে শীতকালে রাজ্যে সহনীয় তাপমাত্রা থাকে। অন্যদিকে, রাশিয়া, চিনের বিস্তীর্ণ এলাকা ও মরু অঞ্চলের আশপাশ অঞ্চল শীতকালে তুষারাবৃত থাকে। ফলে সেখানে তখন পশুপাখিদের থাকার মতো পরিস্থিতি থাকে না। শীতে বহু পাখি আবার ডিম পাড়ে। ফলে প্রবল ঠাণ্ডার মধ্যে ডিমে তা দিয়ে বাচ্চা ফোটানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। সেসবের কথা মাথায় রেখে সুদূর সাইবেরিয়া থেকে পাখির দল ঝাঁকে ঝাঁকে মধ্য ও দক্ষিণ ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে চলে আসে। তারা স্থির জলে পানা, লতাপাতায় বাসা বাঁধে। সেখানে ডিম পেড়ে বাচ্চা মানুষ করে ফের নিজেদের দেশে ফিরে যায়। অন্য দেশ থেকে ক্ষণিকের অতিথি হয়ে আসার কারণেই তাদের ‘পরিযায়ী’ বলা হয়। বড়জোড়া ব্যারেজ ছাড়াও বাঁকুড়ার মুকুটমণিপুর জলাধার, বিষ্ণুপুর মহকুমার একাধিক জলাশয়ে আগে প্রচুর পরিযায়ী পাখি আসত। দিনদিন তা কমে যাওয়ায় কৃষি ও বনদপ্তরের আধিকারিকরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
বাঁকুড়া উত্তরের বিভাগীয় বনাধিকারিক দেবাশিস মহিমাপ্রসাদ প্রধান বলেন, আমাদের ডিভিশনের মধ্যে বড়জোড়া ব্যারেজে সবচেয়ে বেশি পরিযায়ী পাখি আসে। তাছাড়াও বিভিন্ন নদনদী, জোরবাঁধ ও বড় জলাশয়ে পরিযায়ী পাখির আনাগোনা লক্ষ্য করা যায়। এবার সেভাবে পরিযায়ী পাখি দেখা যাচ্ছে না। বিষয়টির উপর আমরা নজর রেখেছি।
বাঁকুড়া-১ ব্লকের পুয়াবাগান এলাকার একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের চেয়ারম্যান শশাঙ্ক দত্ত বলেন, শহরের আশপাশের মধ্যে আমাদের কলেজের জলাশয়েই সবচেয়ে বেশি পরিযায়ী পাখি আসে। অন্যান্যবার নভেম্বর মাসের শেষেই পাখির ঝাঁক জলাশয়ে আসত। এবার এখনও পর্যন্ত পাখি আসেনি বললেই চলে। বিশ্ব উষ্ণায়নের কারণে পাখি আসা কমে যাচ্ছে বলে আমাদের অনুমান।
বন ও কৃষিদপ্তরের আবহাওয়া বিভাগ সূত্রে জানা গিয়েছে, কর্কটক্রান্তি রেখার দু’পাশে ভারত থাকার ফলে জলবায়ু নাতিশীতোষ্ণ প্রকৃতির। এরাজ্যের উপর দিয়েও ওই রেখা গিয়েছে। ফলে শীতকালে রাজ্যে সহনীয় তাপমাত্রা থাকে। অন্যদিকে, রাশিয়া, চিনের বিস্তীর্ণ এলাকা ও মরু অঞ্চলের আশপাশ অঞ্চল শীতকালে তুষারাবৃত থাকে। ফলে সেখানে তখন পশুপাখিদের থাকার মতো পরিস্থিতি থাকে না। শীতে বহু পাখি আবার ডিম পাড়ে। ফলে প্রবল ঠাণ্ডার মধ্যে ডিমে তা দিয়ে বাচ্চা ফোটানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। সেসবের কথা মাথায় রেখে সুদূর সাইবেরিয়া থেকে পাখির দল ঝাঁকে ঝাঁকে মধ্য ও দক্ষিণ ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে চলে আসে। তারা স্থির জলে পানা, লতাপাতায় বাসা বাঁধে। সেখানে ডিম পেড়ে বাচ্চা মানুষ করে ফের নিজেদের দেশে ফিরে যায়। অন্য দেশ থেকে ক্ষণিকের অতিথি হয়ে আসার কারণেই তাদের ‘পরিযায়ী’ বলা হয়। বড়জোড়া ব্যারেজ ছাড়াও বাঁকুড়ার মুকুটমণিপুর জলাধার, বিষ্ণুপুর মহকুমার একাধিক জলাশয়ে আগে প্রচুর পরিযায়ী পাখি আসত। দিনদিন তা কমে যাওয়ায় কৃষি ও বনদপ্তরের আধিকারিকরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।



