সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: করোনার পর থেকে বাঁকুড়ার ৪০টি ‘আশ্রম’ হস্টেলের আবাসিকদের বিশেষ কোচিং ক্লাস বন্ধ রয়েছে। প্রায় দু’হাজার আদিবাসী পড়ুয়া এই বিশেষ কোচিং থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এনিয়ে অভিভাবকমহলে ক্ষোভ দেখা দিয়েছিল। তাই অনগ্রসর শ্রেণিকল্যাণ দপ্তর ফের ওই কোচিং চালু করতে উদ্যোগী হল।
Advertisement
এই সমস্ত হোস্টেলে আদিবাসী পড়ুয়ারা থাকে। তারা স্থানীয় বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই হোস্টেলের আবাসিকদের জন্য সরকারিভাবে বিশেষ কোচিংয়ের ব্যবস্থা করেছিলেন। কিন্তু করোনার পর থেকে তা বন্ধ হয়ে যায়। এনিয়ে অভিভাবকমহলে ক্ষোভ দেখা দেওয়ায় সংশ্লিষ্ট দপ্তর তড়িঘড়ি ওই কোচিং চালুর সিদ্ধান্ত নেয়। ওই খাতে পড়ুয়াপিছু বার্ষিক ছ’হাজার টাকা বরাদ্দ করা হয়। দপ্তরের আধিকারিকরা জানান, আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকেই বিশেষ কোচিং ক্লাস চালু হয়ে যাবে।
জেলা অনগ্রসর শ্রেণিকল্যাণ দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক সন্টু দাস বলেন, আমি সবে দায়িত্ব নিয়েছি। আশ্রম হস্টেলে কোচিং ক্লাস কেন বন্ধ হয়েছিল-তা জানা নেই। তবে সেটা নতুন করে চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ব্লকস্তরের আধিকারিকদের বিষয়টি খতিয়ে দেখে ক্লাস চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জেলায় ৪২টি আশ্রম হস্টেল রয়েছে। তার মধ্যে শুধু দু’টিতে কোনও আবাসিক নেই। এই হস্টেলে গরিব আদিবাসী পরিবারের ছেলেমেয়েদের বিনামূল্যে থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। তারা স্থানীয় বিদ্যালয়েই পড়াশোনা করে। স্কুলের বাইরেও যাতে তাদের উপযুক্ত গাইড করা হয়, সেজন্য রাজ্য সরকারের তরফে বেশিরভাগ হোস্টেলে বিশেষ কোচিং ক্লাসের ব্যবস্থা করা হয়। ইংরেজি, অঙ্ক ও কম্পিউটার শেখানোর জন্য চুক্তিভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগ করা হয়। দপ্তরের তরফেই তাঁদের পারিশ্রমিক দেওয়া হতো। পড়ুয়াদের বিনামূল্যে খাতা-পেনও সরবরাহ করা হয়।
কিন্তু করোনার পর থেকে এই খাতে টাকা বরাদ্দ হয়নি। ফলে এই কোচিং বন্ধ হয়ে যায়। এতে ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা ফের কোচিং চালুর জন্য বারবার সংশ্লিষ্ট দপ্তরে দাবি জানিয়েছিলেন। কিন্তু এতদিনেও তা চালু করা হয়নি। সম্প্রতি দপ্তরের তরফে এনিয়ে সবুজ সঙ্কেত এসেছে। আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে ফের তা চালুর জন্য টাকা বরাদ্দ হয়েছে।
অনগ্রসর শ্রেণিকল্যাণ দপ্তরের বিষ্ণুপুর ব্লক আধিকারিক দেবাশিস সেনগুপ্ত বলেন, পিয়ারডোবায় একটি আশ্রম হস্টেল রয়েছে। ৫০জন আদিবাসী পড়ুয়া সেখানে থাকে। এখন কোচিং ক্লাস বন্ধ রয়েছে। আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে তা ফের চালুর নির্দেশ এসেছে। সেইমতো প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
অভিভাবকরা জানান, তাঁরা গরিব মানুষ। টাকা খরচ করে বাইরে টিউশন দেওয়ার ক্ষমতা নেই। সেজন্য আশ্রম হস্টেলে সন্তানদের রেখেছেন। স্কুলের পাশাপাশি কম্পিউটার ও অন্য বিষয়ে কোচিং ক্লাসে তাদের পড়াশোনার মানোন্নয়ন হচ্ছিল। সেটি আবার চালু হলে খুবই ভালো হবে।
জেলা অনগ্রসর শ্রেণিকল্যাণ দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক সন্টু দাস বলেন, আমি সবে দায়িত্ব নিয়েছি। আশ্রম হস্টেলে কোচিং ক্লাস কেন বন্ধ হয়েছিল-তা জানা নেই। তবে সেটা নতুন করে চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ব্লকস্তরের আধিকারিকদের বিষয়টি খতিয়ে দেখে ক্লাস চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জেলায় ৪২টি আশ্রম হস্টেল রয়েছে। তার মধ্যে শুধু দু’টিতে কোনও আবাসিক নেই। এই হস্টেলে গরিব আদিবাসী পরিবারের ছেলেমেয়েদের বিনামূল্যে থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। তারা স্থানীয় বিদ্যালয়েই পড়াশোনা করে। স্কুলের বাইরেও যাতে তাদের উপযুক্ত গাইড করা হয়, সেজন্য রাজ্য সরকারের তরফে বেশিরভাগ হোস্টেলে বিশেষ কোচিং ক্লাসের ব্যবস্থা করা হয়। ইংরেজি, অঙ্ক ও কম্পিউটার শেখানোর জন্য চুক্তিভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগ করা হয়। দপ্তরের তরফেই তাঁদের পারিশ্রমিক দেওয়া হতো। পড়ুয়াদের বিনামূল্যে খাতা-পেনও সরবরাহ করা হয়।
কিন্তু করোনার পর থেকে এই খাতে টাকা বরাদ্দ হয়নি। ফলে এই কোচিং বন্ধ হয়ে যায়। এতে ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা ফের কোচিং চালুর জন্য বারবার সংশ্লিষ্ট দপ্তরে দাবি জানিয়েছিলেন। কিন্তু এতদিনেও তা চালু করা হয়নি। সম্প্রতি দপ্তরের তরফে এনিয়ে সবুজ সঙ্কেত এসেছে। আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে ফের তা চালুর জন্য টাকা বরাদ্দ হয়েছে।
অনগ্রসর শ্রেণিকল্যাণ দপ্তরের বিষ্ণুপুর ব্লক আধিকারিক দেবাশিস সেনগুপ্ত বলেন, পিয়ারডোবায় একটি আশ্রম হস্টেল রয়েছে। ৫০জন আদিবাসী পড়ুয়া সেখানে থাকে। এখন কোচিং ক্লাস বন্ধ রয়েছে। আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে তা ফের চালুর নির্দেশ এসেছে। সেইমতো প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
অভিভাবকরা জানান, তাঁরা গরিব মানুষ। টাকা খরচ করে বাইরে টিউশন দেওয়ার ক্ষমতা নেই। সেজন্য আশ্রম হস্টেলে সন্তানদের রেখেছেন। স্কুলের পাশাপাশি কম্পিউটার ও অন্য বিষয়ে কোচিং ক্লাসে তাদের পড়াশোনার মানোন্নয়ন হচ্ছিল। সেটি আবার চালু হলে খুবই ভালো হবে।



