Bartaman Logo
২৯ জুলাই, ২০২৬
Advertisement
বর্তমান / কলকাতা

বাঁকড়ায় স্কুলের পাশে জমছে আবর্জনার স্তূপ, দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ পড়ুয়া ও শিক্ষিকারা

স্কুলের পাশে ডাঁই হয়ে পড়ে রয়েছে আবর্জনার স্তূপ। সেই আবর্জনা থেকে বাড়ছে মশার উপদ্রব। আবর্জনার দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে পড়ুয়ারা। ঘটনাটি হাওড়ার বাঁকড়ার বাদামতলা গার্লস স্কুলের স্কুলের। প্রধান শিক্ষিকার তরফে বিভিন্ন দপ্তরে সুরাহার জন্য চিঠি পাঠানো হলেও ফল কিছুই হয়নি।

বাঁকড়ায় স্কুলের পাশে জমছে আবর্জনার স্তূপ, দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ পড়ুয়া ও শিক্ষিকারা
  • ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: স্কুলের পাশে ডাঁই হয়ে পড়ে রয়েছে আবর্জনার স্তূপ। সেই আবর্জনা থেকে বাড়ছে মশার উপদ্রব। আবর্জনার দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে পড়ুয়ারা। ঘটনাটি হাওড়ার বাঁকড়ার বাদামতলা গার্লস স্কুলের স্কুলের। প্রধান শিক্ষিকার তরফে বিভিন্ন দপ্তরে সুরাহার জন্য চিঠি পাঠানো হলেও ফল কিছুই হয়নি। স্কুলের সুষ্ঠু পরিবেশ ফেরানোর দাবি জানিয়েছেন স্কুল কর্তৃপক্ষ থেকে অভিভাবকেরা।
Advertisement
হাওড়ার মাকড়দহ রোডের কাছেই রয়েছে বাদামতলা গার্লস হাইস্কুল। ২০১৮ সালে স্কুল উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে উন্নীত হওয়ার পর থেকে অনেকটাই বেড়েছে পড়ুয়ার সংখ্যা। বর্তমানে প্রায় ১৩০০ ছাত্রী রয়েছে এই স্কুলে। শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষাকর্মী মিলিয়ে রয়েছেন ৩০ জন। স্কুল সূত্রে জানা গিয়েছে, স্কুলের জায়গা সীমিত থাকায় পড়ুয়াদের খেলাধুলোর জন্য কোনও মাঠ নেই। স্কুলের পাশেই কয়েক বছর আগে একটি পুকুর বুজিয়ে ভরাট হওয়া সেই অংশে আশপাশের দোকান থেকে আবর্জনা এনে ফেলা হচ্ছে। এমনকী নির্মাণ কাজের জন্য ব্যবহার হওয়া বালি পাথর, ডেকোরেটর্সের বাঁশের স্তূপও রাখা হয় সেখানে। আবর্জনা জমতে জমতে স্কুলের চারপাশের পরিবেশ রীতিমতো অস্বাস্থ্যকর হয়ে উঠেছে। দুর্গন্ধে ক্লাস করাই দায় হয়ে উঠেছে পড়ুয়া ও শিক্ষকদের। জানা গিয়েছে, ইতিপূর্বে বেশ কয়েকবার স্থানীয় থানা পঞ্চায়েত থেকে শুরু করে বিডিও অফিস ও শিক্ষাদপ্তরে বিষয়টি নিয়ে চিঠি পাঠান স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা ডঃ মিনু পাল। কিন্তু কাজ কিছুই হয়নি বলে দাবি তাঁর।
প্রধান শিক্ষিকা বলেন, ‘বিভিন্ন ধরনের নোংরা আবর্জনা স্কুলের পাশে ফেলা হচ্ছে। গরম পড়ছে। দুর্গন্ধের পাশাপাশি মশা-মাছির উপদ্রব বাড়ছে। স্কুলের সুস্থ পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে বিষয়টি জানিয়েছি।’ অভিভাবকদের অনেকেই বলেন, ‘স্কুলের আশপাশে এই ধরনের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ কোনওভাবেই উপযুক্ত নয়। এতে পড়ুয়াদের স্বাস্থ্য ও মনের উপর প্রভাব পড়ছে।’ বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন জেলা শিক্ষা দপ্তরের এক কর্তা। - নিজস্ব চিত্র
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ