Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বকেয়া রয়েছে ৬ কোটি টাকা, আদায় করতে অভিযানে নামছে জেলা প্রশাসন

বকেয়া রয়েছে ৬ কোটি টাকা, আদায় করতে অভিযানে নামছে জেলা প্রশাসন
  • ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদহ: মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পর এবার ইটভাটা ইস্যুতে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করতে চলেছে মালদহ জেলা প্রশাসন। বহু ইটভাটার রাজস্ব বয়েকা। রয়্যালটি ছাড়াই মাটি কাটার অভিযোগ সামনে আসছে। এদের মধ্যে অনেক ইটভাটাই রাজস্ব বকেয়া রেখেই ভাটা বন্ধ করে দিয়েছে। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, বকেয়ার পরিমাণ প্রায় ছ’কোটি টাকা। এবার বকেয়া রাজস্ব আদায় করতে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন জেলাশাসক নীতিন সিঙ্ঘানিয়া। প্রয়োজনে ইটভাটার কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে এফআইআর করা হতে পারে। এমনকী ইটভাটা সিল করে দেওয়া হতে পারে বলেও প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।  
Advertisement
মালদহের জেলাশাসক নীতিন সিঙ্ঘানিয়া বলেন, সমস্ত ইটভাটার নথি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কোথাও কোনও বেআইনি কিছু নজরে এলেই সংশ্লিষ্ট ইটভাটার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। প্রয়োজনে ইটভাটা সিল করে দেওয়া হবে। 
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, মালদহ জুড়ে প্রচুর ইটভাটা ছড়িয়ে আছে। চাঁচল থেকে শুরু করে কালিয়াচক পর্যন্ত প্রচুর অবৈধ ইটভাটা গজিয়ে উঠেছে। কোথাও আম বাগান দখল করে কোথাও আবার ধানের জমি দখল করে বেআইনি ইটভাটা চলছে। কোনও কোনও জায়গায় আবার বাড়িতেই ছোট চুল্লি দিয়ে অবৈধ ভাবে ইটভাটা চলছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, বেআইনি ভাবে গড়ে ওঠা ইটভাটাগুলি আম বাগান ও চাষের জমি নষ্ট করে তৈরি হয়েছে। পরিবেশেও দূষণ ছড়াচ্ছে। পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। এই ইটভাটাগুলি বেআইনি ভাবে মাটি কেটে জমির চরিত্র নষ্ট করে দিচ্ছে। 
নানা মহল থেকে ইতিমধ্যেই জেলা প্রশাসনের কাছে বহু অভিযোগ জমা পড়েছে। রাজ্য সরকার মাটির বেআইনি কারবার নিয়ে বহুবার প্রশাসনকে সতর্ক করেছে। এবার জেলা প্রশাসন এনিয়ে নড়েচড়ে বসেছে। গত সপ্তাহেই ভূমি সংক্রান্ত বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক ডাকেন জেলাশাসক। প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিক সহ জেলা পরিষদের সভাধিপতি সহকারী সভাধিপতি সহ অন্যান্যরা এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। সেই বৈঠকেই মালদহের ইটভাটাগুলি নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়। 
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় বকেয়া রাজস্ব আদায় করতে খুব শীঘ্রই অভিযানে নামবে প্রশাসন। মালদহে এই মুহুর্তে ২৬০টির বেশি ইটভাটা আছে। এদের মধ্যে অনেকেই সময়মতো রাজস্ব দিচ্ছে না। বেশ কয়েকটি ইটভাটা দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের অনুমোদন ছাড়াই চলছে। এছাড়াও রাজস্ব বকেয়া রাখা বেশকিছু ইটভাটা বন্ধ হয়ে গিয়েছে।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ