Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বাঁকুড়ায় পেট্রল পাম্পের মিটারে কারচুপি, বিক্ষোভ

বাঁকুড়ায় পেট্রল পাম্পের মিটারে কারচুপি, বিক্ষোভ
  • ৪ মার্চ, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: মিটারে যে সংখ্যা দেখাচ্ছে, তার চেয়ে অন্তত ১০শতাংশ কম তেল দেওয়া হচ্ছে। এই অভিযোগে রবিবার রাতে বাঁকুড়া শহরের কাটজুরিডাঙ্গায় একটি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার পেট্রল পাম্পে গ্রাহকরা তুমুল বিক্ষোভ দেখালেন। তাঁদের দাবি, বহুদিন ধরেই বাঁকুড়া-ছাতনা রাজ্য সড়কের পাশে ওই পাম্পে এভাবে প্রতারণা চলছিল। রবিবার সন্ধ্যায় এক যুবক বাইকে তেল ভরতে গিয়ে বিষয়টি বুঝতে পারেন। এরপরই লোকজন জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। উত্তেজনা ছড়ালে বাঁকুড়া সদর থানা থেকে বিশাল পুলিসবাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। প্রথমে পুলিসের আশ্বাসে চিঁড়ে ভেজেনি। ভাঙচুরের আশঙ্কায় রাত ১০টা নাগাদ পুলিস পেট্রল পাম্পের শাটার নামিয়ে দেয়। সদর থানার এক আধিকারিক বলেন, ওই যুবকের অভিযোগ ঠিক ছিল। আমরা বাইকের ট্যাঙ্ক থেকে তেল বের করে দেখি, ১৫লিটার তেল ছিল। তবে বিষয়টি নিয়ে ক্রেতাসুরক্ষা দপ্তরেই অভিযোগ জানাতে হবে। এলাকায় উত্তেজনা থাকায় অনেক রাত পর্যন্ত সেখানে পুলিসের ভ্যান টহল দিয়েছে। বাঁকুড়ার পুলিস সুপার বৈভব তেওয়ারি বলেন, পেট্রল পাম্পে বিক্ষোভের খবর পেয়ে পুলিস গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে।
Advertisement
অভিযোগকারী যুবক বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে ওই পেট্রল পাম্পে কম তেল দেওয়া হচ্ছিল। আমার বাইকের ফুয়েল ট্যাঙ্কে ১৫ লিটার তেল ধরে। রবিবার সন্ধ্যার পর পাম্পকর্মীকে ট্যাঙ্কভর্তি পেট্রল দিতে বলি। সে দাবি করে, ট্যাঙ্কে সাড়ে ১৬লিটার তেল ধরেছে। তখনই আমি প্রতিবাদ করি। বচসা শুনে আশপাশের লোকজন জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। বিক্ষোভকারীদের মধ্যে আশিস কুণ্ডু, সন্তু রজক বলেন, এর আগেও শহরের একটি পেট্রল পাম্পে একই ধরনের ঘটনা ঘটেছিল। ছাতনা রোডের ওই পেট্রল পাম্প নিয়ে আমাদের মনে অনেকদিন ধরেই সন্দেহ ছিল। প্রমাণের অভাবে কিছু বলতে পারছিলাম না। যন্ত্রে কারচুপি করে ১০শতাংশ তেল কম দেওয়া হচ্ছিল। সেকারণে ১৫লিটার তেল দিয়ে সাড়ে ১৬ লিটারের দাম চাওয়া হয়েছিল। পুলিস তেল মেপে গরমিলের প্রমাণ পেয়েছে। পেট্রল পাম্প মালিকের বিরুদ্ধে ক্রেতাসুরক্ষা দপ্তরের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থার কাছেও অভিযোগ জানাব। ঘটনার পর পেট্রল পাম্প মালিক ক্ষোভের আঁচ পেয়ে সরে পড়েন। ফলে কারচুপির অভিযোগ নিয়ে তাঁর কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। পাম্পের কর্মীরাও কোনও মন্তব্য করতে চাননি।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ