সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: বাঁকুড়ায় পথ দুর্ঘটনা বেড়েই চলেছে। তাই নিরাপত্তার বিষয়ে জেলা পরিষদ ও বিভিন্ন পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষদের প্রশিক্ষণ দিতে উদ্যোগী হয়েছে খড়্গপুর আইআইটি। ১৫ ও ১৬ জানুয়ারি দু’দিন ধরে এই প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
Advertisement
বাঁকুড়া জেলাপরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ অর্চিতা বিদ বলেন, পথনিরাপত্তার বিষয়ে খড়্গপুর আইআইটিতে দু’দিনের আবাসিক প্রশিক্ষণের আয়োজন হয়েছে। সেখানে জেলাপরিষদ, ২২টি পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষদের উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি, সেখানে পথ নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার কিছু নতুন পদ্ধতি জানানো হবে।
‘সেফ ড্রাইভ, সেভ লাইফ’ কর্মসূচির মাধ্যমে লাগাতার সচেতনতা প্রচার হয়েছে। তা সত্ত্বেও বাঁকুড়ায় কয়েকবছর ধরে দুর্ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। বিশেষত জেলার কিছু নির্দিষ্ট রাস্তায় বারবার দুর্ঘটনা ঘটছে। তার কারণ খুঁজতে বিশেষজ্ঞদের আনা হয়েছে। তাঁদের পরামর্শে দুর্ঘটনার ‘ব্ল্যাক স্পট’ চিহ্নিত করে বিশেষ পদক্ষেপ করা হয়েছে। তা সত্ত্বেও দুর্ঘটনার হার কমেনি। বরং বেড়েই চলেছে। বিশেষত বিষ্ণুপুর, কোতুলপুর, বড়জোড়া, তালডাংরা প্রভৃতি বেশ কয়েকটি থানা এলাকায় পরপর দুর্ঘটনায় পুলিস ও প্রশাসন উদ্বিগ্ন।
বিশেষজ্ঞদের পর্যবেক্ষণের পর বিভিন্ন ব্ল্যাক স্পট এলাকায় স্পিড ব্রেকার, সতর্কতামূলক বোর্ড বসানো, গাড়ির গতি নিয়ন্ত্রণ, বেশ কিছু বাঁকে বড় আয়না লাগানো সহ নানা পদক্ষেপ করা হয়েছে। তারপরও দুর্ঘটনার হার কমেনি। কোতুলপুরে রাজ্য সড়ক ও বিষ্ণুপুরের চূড়ামণিপুরে ৬০নম্বর জাতীয় সড়কে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। পুলিস, জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ ও বিশেষজ্ঞরা একসঙ্গে ওই সমস্ত জায়গা পরিদর্শন করেছেন। ওই সমস্ত রাস্তায় স্পিড ব্রেকার বসেছে। গ্রামীণ রাস্তাতেও বাঁকের মুখে সতর্কতামূলক বোর্ড লাগানো হয়েছে। এবার খড়্গপুর আইআইটির তরফে পথনিরাপত্তা নিয়ে কর্মাধ্যক্ষদের দু’দিনের প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে তাঁরা নতুন কী বার্তা দেন-সেদিকে তাকিয়ে রয়েছেন প্রশাসনের কর্তারা।
‘সেফ ড্রাইভ, সেভ লাইফ’ কর্মসূচির মাধ্যমে লাগাতার সচেতনতা প্রচার হয়েছে। তা সত্ত্বেও বাঁকুড়ায় কয়েকবছর ধরে দুর্ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। বিশেষত জেলার কিছু নির্দিষ্ট রাস্তায় বারবার দুর্ঘটনা ঘটছে। তার কারণ খুঁজতে বিশেষজ্ঞদের আনা হয়েছে। তাঁদের পরামর্শে দুর্ঘটনার ‘ব্ল্যাক স্পট’ চিহ্নিত করে বিশেষ পদক্ষেপ করা হয়েছে। তা সত্ত্বেও দুর্ঘটনার হার কমেনি। বরং বেড়েই চলেছে। বিশেষত বিষ্ণুপুর, কোতুলপুর, বড়জোড়া, তালডাংরা প্রভৃতি বেশ কয়েকটি থানা এলাকায় পরপর দুর্ঘটনায় পুলিস ও প্রশাসন উদ্বিগ্ন।
বিশেষজ্ঞদের পর্যবেক্ষণের পর বিভিন্ন ব্ল্যাক স্পট এলাকায় স্পিড ব্রেকার, সতর্কতামূলক বোর্ড বসানো, গাড়ির গতি নিয়ন্ত্রণ, বেশ কিছু বাঁকে বড় আয়না লাগানো সহ নানা পদক্ষেপ করা হয়েছে। তারপরও দুর্ঘটনার হার কমেনি। কোতুলপুরে রাজ্য সড়ক ও বিষ্ণুপুরের চূড়ামণিপুরে ৬০নম্বর জাতীয় সড়কে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। পুলিস, জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ ও বিশেষজ্ঞরা একসঙ্গে ওই সমস্ত জায়গা পরিদর্শন করেছেন। ওই সমস্ত রাস্তায় স্পিড ব্রেকার বসেছে। গ্রামীণ রাস্তাতেও বাঁকের মুখে সতর্কতামূলক বোর্ড লাগানো হয়েছে। এবার খড়্গপুর আইআইটির তরফে পথনিরাপত্তা নিয়ে কর্মাধ্যক্ষদের দু’দিনের প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে তাঁরা নতুন কী বার্তা দেন-সেদিকে তাকিয়ে রয়েছেন প্রশাসনের কর্তারা।



