নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: আগামী বিধানসভা নির্বাচনে বাঁকুড়া কেন্দ্রে ‘যোগ্য’ প্রার্থী দাঁড় করানো হোক। এনিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব বিজেপি কর্মীরাই। তালডাংরা বিধানসভা উপ নির্বাচনের বিজেপি প্রার্থী অনন্যা রায় চক্রবর্তীর প্রচারের দায়িত্বে থাকা এক কর্মী শুক্রবার হোয়াটসঅ্যাপ স্ট্যাটাসে লেখেন, ‘আগামী ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে বাঁকুড়া বিধানসভায় যোগ্য ব্যক্তি দরকার। এবার যুবশক্তি দরকার।’ যদিও বিষয়টি নিয়ে সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা খোঁজ নিতেই দলের চাপে ওই বিজেপি কর্মী স্ট্যাটাস মুছে দেন।
Advertisement
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মী বলেন, বাঁকুড়ার বিধায়ক নীলাদ্রি শেখর দানার সঙ্গে সাধারণ মানুষের তেমন যোগাযোগ নেই। উনি জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন। ওই কেন্দ্রে প্রার্থী পরিবর্তন করা প্রয়োজন। বিধায়ককে ফের দল প্রার্থী করলে পরাজয় হতে পারে। সেই বিষয়টিই আমি এদিন হোয়াটসঅ্যাপ স্ট্যাটাসে লিখেছিলাম। আমার মতো অন্যান্যরাও সোশ্যাল মিডিয়ায় বাঁকুড়া কেন্দ্রে প্রার্থী পরিবর্তনের পক্ষে সওয়াল করেছেন। অনেকেই মহিলা প্রার্থী দেওয়ার দাবি তুলছেন। সেক্ষেত্রে তালডাংরায় লড়াই করা অন্যান্য রায় চক্রবর্তীকে বাঁকুড়া আসনে প্রার্থী করা যেতে পারে।
অনন্যাদেবী বলেন, জনপ্রতিনিধি হিসেবে আমি দীর্ঘদিন ধরেই মানুষের সেবা করছি। বাঁকুড়া আসনে কে প্রার্থী হবে, তা দল ঠিক করবে। তা নিয়ে আমার কিছু বলার নেই। তবে যেই প্রার্থী হোক না বিজেপিকে জেতানোর জন্য আমি পথে নেমে লড়াই করব। নীলাদ্রিবাবু বলেন, এসব বিরোধীদের অপপ্রচার। এব্যাপারে আমি কোনও মন্তব্য করব না।
বিজেপি-র বাঁকুড়া সাংগঠনিক জেলার সভাপতি সুনীলরুদ্র মণ্ডল বলেন, মণ্ডল সভাপতিস্তরের কেউ কিছু লিখলেও কথা ছিল। সাধারণ কর্মীদের কে কী বলল, তাতে কিছু যায় আসে না। আমরা ওসব গুরুত্ব দিচ্ছি না।
উল্লেখ্য, বাঁকুড়ার বিজেপি বিধায়ক বিভিন্ন ইস্যুতে বারবার বিতর্কে জড়িয়েছেন। সম্প্রতি সদস্য সংগ্রহ অভিযানে লক্ষ্যপূরণ করতে পারলে নগদ পুরস্কার দেওয়া হবে বলে নীলাদ্রিবাবু ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক দানা বাঁধে। তার আগে বিধায়কের বিরুদ্ধে দলের নেতাকর্মীদের একাংশ সরব হয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই তোপ দাগেন। নীলাদ্রিবাবু নিচুতলার কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন না। বিপদে পাশে দাঁড়ান না বলে অভিযোগ তোলা হয়। দলের জেলা কমিটির এক সদস্য বিষয়টি নিয়ে সোচ্চার হয়েছিলেন। কয়েকজন বুথ সভাপতি ও প্রাক্তন মণ্ডল সভাপতিদের একাংশও বিধায়কের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ হন। পরে জেলা নেতৃত্বের হস্তক্ষেপ ক্ষোভ প্রশমিত হয়। তবে বিধানসভা ভোট এগিয়ে আসতেই ফের নীলাদ্রিবাবুর বিরুদ্ধে কর্মীদের একাংশ সরব হওয়ায় গেরুয়া শিবিরের অস্বস্তি বাড়বে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।
অনন্যাদেবী বলেন, জনপ্রতিনিধি হিসেবে আমি দীর্ঘদিন ধরেই মানুষের সেবা করছি। বাঁকুড়া আসনে কে প্রার্থী হবে, তা দল ঠিক করবে। তা নিয়ে আমার কিছু বলার নেই। তবে যেই প্রার্থী হোক না বিজেপিকে জেতানোর জন্য আমি পথে নেমে লড়াই করব। নীলাদ্রিবাবু বলেন, এসব বিরোধীদের অপপ্রচার। এব্যাপারে আমি কোনও মন্তব্য করব না।
বিজেপি-র বাঁকুড়া সাংগঠনিক জেলার সভাপতি সুনীলরুদ্র মণ্ডল বলেন, মণ্ডল সভাপতিস্তরের কেউ কিছু লিখলেও কথা ছিল। সাধারণ কর্মীদের কে কী বলল, তাতে কিছু যায় আসে না। আমরা ওসব গুরুত্ব দিচ্ছি না।
উল্লেখ্য, বাঁকুড়ার বিজেপি বিধায়ক বিভিন্ন ইস্যুতে বারবার বিতর্কে জড়িয়েছেন। সম্প্রতি সদস্য সংগ্রহ অভিযানে লক্ষ্যপূরণ করতে পারলে নগদ পুরস্কার দেওয়া হবে বলে নীলাদ্রিবাবু ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক দানা বাঁধে। তার আগে বিধায়কের বিরুদ্ধে দলের নেতাকর্মীদের একাংশ সরব হয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই তোপ দাগেন। নীলাদ্রিবাবু নিচুতলার কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন না। বিপদে পাশে দাঁড়ান না বলে অভিযোগ তোলা হয়। দলের জেলা কমিটির এক সদস্য বিষয়টি নিয়ে সোচ্চার হয়েছিলেন। কয়েকজন বুথ সভাপতি ও প্রাক্তন মণ্ডল সভাপতিদের একাংশও বিধায়কের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ হন। পরে জেলা নেতৃত্বের হস্তক্ষেপ ক্ষোভ প্রশমিত হয়। তবে বিধানসভা ভোট এগিয়ে আসতেই ফের নীলাদ্রিবাবুর বিরুদ্ধে কর্মীদের একাংশ সরব হওয়ায় গেরুয়া শিবিরের অস্বস্তি বাড়বে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।



